জ্বালানি তেলের এই মূল্যবৃদ্ধি সামগ্রিক অর্থনীতিতে কতটা প্রভাব বিস্তার করবে, মূল্যস্ফীতি বা কতটা বাড়বে? পরিস্থিতির উত্তরণে সরকারেরই বা করণীয় কী— এসব নিয়ে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জাম জাগো নিউজের সাথে সাক্ষাৎকারে বলেছেন, অলরেডি তো সরকার স্বল্পমেয়াদি থেকে মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনায় ঢুকেছে। তবে মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদে সরকারের উচিত হবে এই জ্বালানিনির্ভরতা থেকে কীভাবে বের হওয়া যায়। আমদানি জ্বালানিনির্ভরতা, যেমন আমদানি করা ডিজেল দিয়ে যেন সেচ না করতে হয় সেটার জন্য সৌরভিত্তিক সেচে যাওয়া। পরিবহন খাতে ডিজেলের ব্যবহার কমানোর জন্য ইভি কারকে প্রমোট করা, সরকারের পাবলিক প্রকিউরমেন্টে বিভিন্ন ধরনের বৈদ্যুতিক গাড়ি (ইভি কার) অগ্রাধিকার দেওয়া যেতে পারে এবং প্রকিউরমেন্টে ইভি কার বাধ্যতামূলক করা যেতে পারে। একইভাবে শিল্প কারখানার ক্ষেত্রেও যেন এই যে জেনারেটর দিয়ে, ডিজেলভিত্তিক জেনারেটর দিয়ে যেন বিদ্যুৎ উৎপাদন না করে রুফটপ সোলার দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন সহজতর করা হয়। এক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জটা হলো, এগুলো করতে গেলে যে ধরনের সাপোর্ট সরকারের দিক থেকে পাওয়ার কথা দুর্ভাগ্যজনকভাবে এ ধরনের সাপোর্ট তারা পাচ্ছেন না। একটা গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট আগামী বাজেটে আসা উচিত, নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিশেষ করে সৌর, বায়ুবিদ্যুৎ বা অন্যান্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে সব ধরনের পার্টস ইকুইপমেন্ট কম্পোনেন্টের ক্ষেত্রে ট্যারিফ যেন শূন্য শুল্কে নিয়ে আসে। এই কাজটা আগামী বাজেটে করতে পারে।
তিনি আরে বলেছেন,ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি না করলে ভালো হতো। ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে মূল্যস্ফীতিজনিত প্রতিক্রিয়াটা বেশি হবে। ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি মূল্যস্ফীতি বাড়িয়ে দেবে। মূল্যবৃদ্ধি জ্বালানি তেলের প্রাপ্যতার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে না। সরকারের বাড়তি খরচের চাপ কিছুটা প্রশমন করতে পারে। দাম বাড়ানো সরকারের নিরুপায় উদ্যোগ।
সংবাদ শিরোনাম
আগামী বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানির উপকরণ আমদানি শুল্ক যেন শুন্যে নিয়ে আসা হয়: ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জাম
-
খবরপত্র ডেস্ক: - আপডেট সময় ০৮:২০:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
- 217
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

























