ঢাকা ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সলঙ্গা-তাড়াশ সড়কের বেহাল দশা: দুর্ভোগে যাত্রী ও চালক, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি Logo কীট সংকটে কালীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু পরীক্ষা বন্ধ Logo জাংগালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ডেঙ্গু মশা নিধন সম্পর্কে র‌্যালি ও আলোচনা Logo নবীনগর দেওয়ানী আদালত পরিদর্শন করেন দুই হাইকোটের বিচারপতি Logo মনোহরগঞ্জে ২০ মাসেও শেষ হয়নি নির্মাণকাজ দুর্ভোগে কয়েক হাজার মানুষ Logo ধনবাড়ীতে পুলিশের অভিযানে ৭৮ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার Logo পাঁচবিবিতে মাওড়িতলা ব্রিজে ঝুঁকিপূর্ণ চলাচল, লাইট পোস্ট দাবি Logo স্পিকারের এপিএস সবুজকে ঘিরে অপপ্রচার, প্রতিবাদ Logo স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর প্রচেষ্টায় উপকুলবাসী পেল ইউবিইএসটি বিশ্ববিদ্যালয়ের চুড়ান্ত অনুমোদন Logo মৌলভীবাজারে চাঞ্চল্যকর নাঈম হত্যা মামলায় ৪ জনের ফাঁসি, ৫ জন খালাস

লালমোহনে অপরিকল্পিত বাড়িঘর-অতিবৃষ্টিতে আমন আবাদে ভোগান্তি, তবুও মাঠে ব্যস্ত কৃষক

ভোলার লালমোহন উপজেলায় অতিবৃষ্টিতে জমে থাকা পানি ও অপরিকল্পিতভাবে বাড়িঘর নির্মাণের কারণে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় আমন আবাদে ভোগান্তিতে পড়েছেন কৃষকরা। ফলে এবারের আমন আবাদ কিছুটা দেরিতে শুরু হয়েছে। তবে সব প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে এখন মাঠে আমন ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহ মো. আরিফুল ইসলাম জানান, অপরিকল্পিতভাবে বাড়িঘর নির্মাণের কারণে অনেকগুলো কালভার্ট বন্ধ হয়ে গেছে। এজন্য আমনের মাঠে জমে থাকা বৃষ্টির পানি দ্রুত নামতে পারছে না। এ কারণে আবাদে দেরি হয়েছে। তবে শুরুতেই কৃষকদের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি বীজধান করার পরামর্শ দেয়ায় বৃষ্টিতে কিছু বীজতলা নষ্ট হলেও চারার সংকট হয়নি। তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত উপজেলায় প্রায় ১২ হাজার ৩৪০ হেক্টর জমিতে আমন আবাদ শেষ হয়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে বাকি জমিতেও রোপণ শেষ হবে। এজন্য উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠে থেকে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন। কৃষি অফিসের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে লালমোহনে মোট ২৩ হাজার ৮৭০ হেক্টর জমিতে আমন ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এর মধ্যে উফশী ও স্বর্ণা জাতসহ বিভিন্ন উচ্চফলনশীল জাত ২ হাজার ৭৫০ হেক্টর, স্থানীয় জাত ১ হাজার ১০ হেক্টর এবং নতুন হাইব্রিড-৪ জাত ২০ হেক্টর জমিতে চাষ হবে। চরভূতা ইউনিয়নের তারাগঞ্জ এলাকার কৃষক মো. বেলাল বলেন, এবার ১৮ শতাংশ জমিতে আমন চাষের প্রস্তুতি নিয়েছি। অতিবৃষ্টিতে জমিতে পানি জমে থাকায় দেরি হয়েছে। প্রথম দফার বীজতলার চারা নষ্ট হওয়ায় আবার নতুন করে চারা করতে হয়েছে। চারা থেকে রোপণ পর্যন্ত প্রায় ৯০ হাজার টাকা খরচ হবে। ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের বালিরটেক এলাকার কৃষক মো. আবু তাহের বলেন, ৩৬০ শতাংশ জমিতে আমন করবো। বৃষ্টিতে বীজতলায় সমস্যা হলেও কাটিয়ে উঠেছি। জমি প্রস্তুত ও বীজতলায় এ পর্যন্ত ৩৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকলে ভালো ফলন পাবো বলে আশা করছি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সলঙ্গা-তাড়াশ সড়কের বেহাল দশা: দুর্ভোগে যাত্রী ও চালক, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

লালমোহনে অপরিকল্পিত বাড়িঘর-অতিবৃষ্টিতে আমন আবাদে ভোগান্তি, তবুও মাঠে ব্যস্ত কৃষক

আপডেট সময় ০২:৪১:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভোলার লালমোহন উপজেলায় অতিবৃষ্টিতে জমে থাকা পানি ও অপরিকল্পিতভাবে বাড়িঘর নির্মাণের কারণে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় আমন আবাদে ভোগান্তিতে পড়েছেন কৃষকরা। ফলে এবারের আমন আবাদ কিছুটা দেরিতে শুরু হয়েছে। তবে সব প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে এখন মাঠে আমন ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহ মো. আরিফুল ইসলাম জানান, অপরিকল্পিতভাবে বাড়িঘর নির্মাণের কারণে অনেকগুলো কালভার্ট বন্ধ হয়ে গেছে। এজন্য আমনের মাঠে জমে থাকা বৃষ্টির পানি দ্রুত নামতে পারছে না। এ কারণে আবাদে দেরি হয়েছে। তবে শুরুতেই কৃষকদের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি বীজধান করার পরামর্শ দেয়ায় বৃষ্টিতে কিছু বীজতলা নষ্ট হলেও চারার সংকট হয়নি। তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত উপজেলায় প্রায় ১২ হাজার ৩৪০ হেক্টর জমিতে আমন আবাদ শেষ হয়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে বাকি জমিতেও রোপণ শেষ হবে। এজন্য উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠে থেকে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন। কৃষি অফিসের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে লালমোহনে মোট ২৩ হাজার ৮৭০ হেক্টর জমিতে আমন ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এর মধ্যে উফশী ও স্বর্ণা জাতসহ বিভিন্ন উচ্চফলনশীল জাত ২ হাজার ৭৫০ হেক্টর, স্থানীয় জাত ১ হাজার ১০ হেক্টর এবং নতুন হাইব্রিড-৪ জাত ২০ হেক্টর জমিতে চাষ হবে। চরভূতা ইউনিয়নের তারাগঞ্জ এলাকার কৃষক মো. বেলাল বলেন, এবার ১৮ শতাংশ জমিতে আমন চাষের প্রস্তুতি নিয়েছি। অতিবৃষ্টিতে জমিতে পানি জমে থাকায় দেরি হয়েছে। প্রথম দফার বীজতলার চারা নষ্ট হওয়ায় আবার নতুন করে চারা করতে হয়েছে। চারা থেকে রোপণ পর্যন্ত প্রায় ৯০ হাজার টাকা খরচ হবে। ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের বালিরটেক এলাকার কৃষক মো. আবু তাহের বলেন, ৩৬০ শতাংশ জমিতে আমন করবো। বৃষ্টিতে বীজতলায় সমস্যা হলেও কাটিয়ে উঠেছি। জমি প্রস্তুত ও বীজতলায় এ পর্যন্ত ৩৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকলে ভালো ফলন পাবো বলে আশা করছি।