ঢাকা ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সলঙ্গা-তাড়াশ সড়কের বেহাল দশা: দুর্ভোগে যাত্রী ও চালক, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি Logo কীট সংকটে কালীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু পরীক্ষা বন্ধ Logo জাংগালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ডেঙ্গু মশা নিধন সম্পর্কে র‌্যালি ও আলোচনা Logo নবীনগর দেওয়ানী আদালত পরিদর্শন করেন দুই হাইকোটের বিচারপতি Logo মনোহরগঞ্জে ২০ মাসেও শেষ হয়নি নির্মাণকাজ দুর্ভোগে কয়েক হাজার মানুষ Logo ধনবাড়ীতে পুলিশের অভিযানে ৭৮ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার Logo পাঁচবিবিতে মাওড়িতলা ব্রিজে ঝুঁকিপূর্ণ চলাচল, লাইট পোস্ট দাবি Logo স্পিকারের এপিএস সবুজকে ঘিরে অপপ্রচার, প্রতিবাদ Logo স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর প্রচেষ্টায় উপকুলবাসী পেল ইউবিইএসটি বিশ্ববিদ্যালয়ের চুড়ান্ত অনুমোদন Logo মৌলভীবাজারে চাঞ্চল্যকর নাঈম হত্যা মামলায় ৪ জনের ফাঁসি, ৫ জন খালাস

পলাশবাড়ীতে ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষর জাল-জালিয়াতি করে বিপদে ফেলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

গাইবান্ধা পলাশবাড়ীতে এফিডেভিট কপিতে আইনজীবী কর্তৃক ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষর জাল-জালিয়াতি করে বিপদে ফেলার প্রতিবাদের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) পলাশবাড়ী পৌরসভার মহেশপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী পরিবার। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পলাশবাড়ী পৌর সভার ১নং ওয়ার্ডের মহেশপুর (পূর্ব পাড়া) গ্রামের সাকোয়াত হোসেনের ছেলে আসাদুজ্জামান। লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, আমার পিতার নাম জাতীয় পরিচয়পত্রে মোঃ সাকোয়াত হোসেন, পিতা-মানিকুল্ল্যা, মাতা-শহর বানু লেখা রয়েছে, যাহা সঠিক নয়। তাই জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধনের লক্ষে আমি ও আমার পিতা গত ১৬/০৬/২০২৬ ইং তারিখ রোজ-মঙ্গলবার গাইবান্ধা সিনিয়র চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উপস্থিত হইয়া আইনজীবী মোঃ গোলাম আজমের নিকট নাম সংশোধনের জন্য এফিডেভিট করার দায়িত্ব প্রদান করি। উক্ত আইনজীবী নাম সংশোধনের এফিডেভিট করে দিবে মর্মে আমাদেরকে অবগত করে, সে মোতাবেক উক্ত আইনজীবী এফিডেভিটের কপি সৃজন করিয়া আমার পিতার নিকট হতে সহি/স্বাক্ষর গ্রহণ করে। আমার পিতার প্রকৃত নাম হবে মোঃ শওকত আলী এবং আমার দাদার প্রকৃত নাম হবে মৃত মানিক উল্লা সেখ এবং আমার দাদীর প্রকৃত নাম হবে মৃত শহর বিবি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য উক্ত আইনজীবী মোঃ গোলাম আজম বিজ্ঞ সিনিয়র চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, গাইবান্ধা এর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাব্বির আহম্মেদ এর সহি/স্বাক্ষর ও সীল জাল-জালিয়াতি করে তাহার নিকট কাগজপত্র জমা দেয়। উক্ত আইনজীবী কর্তৃক সহি/স্বাক্ষর ও সীল জালিয়াতি করার ফলে আমি মোঃ আসাদুজ্জামান, আমার পিতা মোঃ সাকোয়াত হোসেন সহ আরও অজ্ঞাত তিন জনের নামে আদালতের বেঞ্চ সহকারী নাজমুল হুদা বাদী হয়ে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বাক্ষর ও আদালতের সীল জাল করার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেছেন। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও নিরাপরাধ ব্যক্তি হওয়ায় আমাদের নামে মিথ্যা ও হয়রানীমূলক মামলা প্রত্যাহার সহ প্রকৃত দোষী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে তাদের শাস্তির জানাচ্ছি। একইসাথে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ন্যায় বিচার প্রার্থনা করেন ভুক্তভোগী পরিবারটি। এসময়, আসাদুজ্জামান এর পিতা সাকোয়াত হোসেন, বড়ভাই আরিফ হোসেন, বড় বোন মমতা বেগম উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সলঙ্গা-তাড়াশ সড়কের বেহাল দশা: দুর্ভোগে যাত্রী ও চালক, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

পলাশবাড়ীতে ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষর জাল-জালিয়াতি করে বিপদে ফেলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় ০২:২৯:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাইবান্ধা পলাশবাড়ীতে এফিডেভিট কপিতে আইনজীবী কর্তৃক ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষর জাল-জালিয়াতি করে বিপদে ফেলার প্রতিবাদের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) পলাশবাড়ী পৌরসভার মহেশপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী পরিবার। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পলাশবাড়ী পৌর সভার ১নং ওয়ার্ডের মহেশপুর (পূর্ব পাড়া) গ্রামের সাকোয়াত হোসেনের ছেলে আসাদুজ্জামান। লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, আমার পিতার নাম জাতীয় পরিচয়পত্রে মোঃ সাকোয়াত হোসেন, পিতা-মানিকুল্ল্যা, মাতা-শহর বানু লেখা রয়েছে, যাহা সঠিক নয়। তাই জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধনের লক্ষে আমি ও আমার পিতা গত ১৬/০৬/২০২৬ ইং তারিখ রোজ-মঙ্গলবার গাইবান্ধা সিনিয়র চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উপস্থিত হইয়া আইনজীবী মোঃ গোলাম আজমের নিকট নাম সংশোধনের জন্য এফিডেভিট করার দায়িত্ব প্রদান করি। উক্ত আইনজীবী নাম সংশোধনের এফিডেভিট করে দিবে মর্মে আমাদেরকে অবগত করে, সে মোতাবেক উক্ত আইনজীবী এফিডেভিটের কপি সৃজন করিয়া আমার পিতার নিকট হতে সহি/স্বাক্ষর গ্রহণ করে। আমার পিতার প্রকৃত নাম হবে মোঃ শওকত আলী এবং আমার দাদার প্রকৃত নাম হবে মৃত মানিক উল্লা সেখ এবং আমার দাদীর প্রকৃত নাম হবে মৃত শহর বিবি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য উক্ত আইনজীবী মোঃ গোলাম আজম বিজ্ঞ সিনিয়র চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, গাইবান্ধা এর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাব্বির আহম্মেদ এর সহি/স্বাক্ষর ও সীল জাল-জালিয়াতি করে তাহার নিকট কাগজপত্র জমা দেয়। উক্ত আইনজীবী কর্তৃক সহি/স্বাক্ষর ও সীল জালিয়াতি করার ফলে আমি মোঃ আসাদুজ্জামান, আমার পিতা মোঃ সাকোয়াত হোসেন সহ আরও অজ্ঞাত তিন জনের নামে আদালতের বেঞ্চ সহকারী নাজমুল হুদা বাদী হয়ে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বাক্ষর ও আদালতের সীল জাল করার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেছেন। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও নিরাপরাধ ব্যক্তি হওয়ায় আমাদের নামে মিথ্যা ও হয়রানীমূলক মামলা প্রত্যাহার সহ প্রকৃত দোষী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে তাদের শাস্তির জানাচ্ছি। একইসাথে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ন্যায় বিচার প্রার্থনা করেন ভুক্তভোগী পরিবারটি। এসময়, আসাদুজ্জামান এর পিতা সাকোয়াত হোসেন, বড়ভাই আরিফ হোসেন, বড় বোন মমতা বেগম উপস্থিত ছিলেন।