ঢাকা ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কালীগঞ্জ পৌর এলাকার ১০ কিলোমিটার মহাসড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি, বেপরোয়া বাস ও অবৈধ পার্কিংয়ে আতঙ্ক Logo আবুল কালাম এম.পির আন্তরিক প্রচেষ্টায় লাকসামে উন্নয়নের বিপ্লব: ৭ মাসে সাড়ে ৩৩ কোটি টাকায় ৪৯ প্রকল্প বাস্তবায়ন Logo বদলগাছীতে সহোদর দুই বোনকে বিয়ে করলেন টিকটকার মাসুদ Logo চাঁদপুরের প্রতিটি ইউনিয়নে গড়ে তোলা হবে একটি করে পাঠাগার-জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান Logo গ্রাম্য আদালতকে উপেক্ষা করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ Logo কলমাকান্দায় কাঠের সেতু সংস্কার, উদ্বোধন করল শিক্ষার্থীরা Logo রাষ্ট্র কাঠামো পরিবর্তন না হলে তারেক রহমানও শেখ হাসিনার পথে হাঁটবেন-আহবায়ক নাহিদ ইসলাম Logo গণ-অধিকার পরিষদের ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য রেলি ও আলোচনা সভা Logo লালমোহনে স্পিকারের অনুদানের চেক পেলেন ১৯০টি অসহায় ও দুস্থ পরিবার Logo মাতামুহুরীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের মহোৎসব: ভারী ট্রাকে পিষ্ট হয়ে ভেঙে চৌচির ১৫ কিমি সড়ক হুমকিতে বেতুয়াবাজার ব্রিজ ও নদীর গাইড ওয়াল, প্রশাসনের কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি

পাকিস্তানের সাথে বহুমাত্রিক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রতিশ্রুতি প্রেসিডেন্টের

পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। বৈঠককালে উভয় দেশের মধ্যকার সাম্প্রতিক ইতিবাচক কূটনৈতিক ধারা এবং বহুমুখী দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে আলোকপাত করা হয়।
সাক্ষাৎকালে নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করায় পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারির পাঠানো শুভেচ্ছা বার্তার জন্য ধন্যবাদ জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সাথে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণে সম্মতি জানিয়ে সুবিধাজনক সময়ে দেশটি সফরের আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
দুই দেশের জনগণের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও ঐতিহাসিক মেলবন্ধন, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং পারিবারিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করে প্রেসিডেন্ট উল্লেখ করেন, এসব নিবিড় যোগসূত্র বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে পারস্পরিক কল্যাণমূলক দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বাড়াতে সুদৃঢ় ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।
দুই দেশের বর্তমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, সংস্কৃতি এবং পারস্পরিক তথ্য আদান-প্রদান বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রেসিডেন্ট। এছাড়া ওষুধ শিল্প, সিরামিক ও কৃষি খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অংশীদারিত্ব নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়।
বৈঠকে পাক হাইকমিশনার ইমরান হায়দার দুই দেশের চলমান বিভিন্ন যৌথ উদ্যোগ সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি জানান, বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে চিকিৎসা পর্যটন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশী রোগীদের চিকিৎসা খরচ কমানো ও স্থানীয় চিকিৎসা দক্ষতা বাড়াতে দেশটির চিকিৎসকদের অর্গান ট্রান্সপ্লান্টেশন (অঙ্গ প্রতিস্থাপন) বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন পাকিস্তানি বিশেষজ্ঞরা। এছাড়া ‘পাকিস্তান-বাংলাদেশ নলেজ করিডোর’-এর আওতায় প্রায় ২০০ জন বাংলাদেশী শিক্ষার্থী পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অধ্যয়ন করছেন এবং একই সাথে বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হচ্ছে।
দুই দেশের মধ্যে সরাসরি আকাশপথে যোগাযোগব্যবস্থার কথা উল্লেখ করে পাকিস্তানি হাইকমিশনার ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানো এবং নতুন রুট চালুর ক্রমবর্ধমান দাবির বিষয়টি তুলে ধরেন। জবাবে প্রেসিডেন্ট মন্তব্য করেন যে, ব্যবসা-বাণিজ্য, সাংস্কৃতিক লেনদেন ও জনগণের সাথে জনগণের যোগাযোগের প্রসারে উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা অত্যন্ত জরুরি।
হাইকমিশনার হায়দার আরও জানান, দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের মধ্যে এখনও বিশাল সম্ভাবনার আনকোরা ক্ষেত্র রয়েছে, যা উভয় দেশের সমন্বিত প্রচেষ্টায় বাস্তবায়ন করা সম্ভব। পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সকল খাতে বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক সম্প্রসারণে পাকিস্তান শীর্ষ নেতৃত্বের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।দ্বিপক্ষীয় এই গতি শীলতা বজায় রেখে নিবিড় ও টেকসই কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে পাকিস্তান-বাংলাদেশ সম্পর্ককে আরও সুসংহত করতে সম্মত হয়েছে উভয় পক্ষ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কালীগঞ্জ পৌর এলাকার ১০ কিলোমিটার মহাসড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি, বেপরোয়া বাস ও অবৈধ পার্কিংয়ে আতঙ্ক

পাকিস্তানের সাথে বহুমাত্রিক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রতিশ্রুতি প্রেসিডেন্টের

আপডেট সময় ১০:০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। বৈঠককালে উভয় দেশের মধ্যকার সাম্প্রতিক ইতিবাচক কূটনৈতিক ধারা এবং বহুমুখী দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে আলোকপাত করা হয়।
সাক্ষাৎকালে নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করায় পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারির পাঠানো শুভেচ্ছা বার্তার জন্য ধন্যবাদ জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সাথে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণে সম্মতি জানিয়ে সুবিধাজনক সময়ে দেশটি সফরের আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
দুই দেশের জনগণের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও ঐতিহাসিক মেলবন্ধন, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং পারিবারিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করে প্রেসিডেন্ট উল্লেখ করেন, এসব নিবিড় যোগসূত্র বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে পারস্পরিক কল্যাণমূলক দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বাড়াতে সুদৃঢ় ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।
দুই দেশের বর্তমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, সংস্কৃতি এবং পারস্পরিক তথ্য আদান-প্রদান বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রেসিডেন্ট। এছাড়া ওষুধ শিল্প, সিরামিক ও কৃষি খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অংশীদারিত্ব নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়।
বৈঠকে পাক হাইকমিশনার ইমরান হায়দার দুই দেশের চলমান বিভিন্ন যৌথ উদ্যোগ সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি জানান, বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে চিকিৎসা পর্যটন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশী রোগীদের চিকিৎসা খরচ কমানো ও স্থানীয় চিকিৎসা দক্ষতা বাড়াতে দেশটির চিকিৎসকদের অর্গান ট্রান্সপ্লান্টেশন (অঙ্গ প্রতিস্থাপন) বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন পাকিস্তানি বিশেষজ্ঞরা। এছাড়া ‘পাকিস্তান-বাংলাদেশ নলেজ করিডোর’-এর আওতায় প্রায় ২০০ জন বাংলাদেশী শিক্ষার্থী পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অধ্যয়ন করছেন এবং একই সাথে বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হচ্ছে।
দুই দেশের মধ্যে সরাসরি আকাশপথে যোগাযোগব্যবস্থার কথা উল্লেখ করে পাকিস্তানি হাইকমিশনার ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানো এবং নতুন রুট চালুর ক্রমবর্ধমান দাবির বিষয়টি তুলে ধরেন। জবাবে প্রেসিডেন্ট মন্তব্য করেন যে, ব্যবসা-বাণিজ্য, সাংস্কৃতিক লেনদেন ও জনগণের সাথে জনগণের যোগাযোগের প্রসারে উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা অত্যন্ত জরুরি।
হাইকমিশনার হায়দার আরও জানান, দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের মধ্যে এখনও বিশাল সম্ভাবনার আনকোরা ক্ষেত্র রয়েছে, যা উভয় দেশের সমন্বিত প্রচেষ্টায় বাস্তবায়ন করা সম্ভব। পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সকল খাতে বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক সম্প্রসারণে পাকিস্তান শীর্ষ নেতৃত্বের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।দ্বিপক্ষীয় এই গতি শীলতা বজায় রেখে নিবিড় ও টেকসই কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে পাকিস্তান-বাংলাদেশ সম্পর্ককে আরও সুসংহত করতে সম্মত হয়েছে উভয় পক্ষ।