ঢাকা ০৯:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সাহিত্য সংস্কৃতির চর্চা ছাড়া মননশীল রাজনৈতিক কর্মী ও নেতা তৈরি হয় না:এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের Logo বোয়ালমারী প্রাণিসম্পদ দপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ; প্রশ্নের মুখে উন্নয়ন বরাদ্দ ও মাঠসেবা Logo ঈশ্বরগঞ্জে গভীর রাতে কৃষি ব্যাংকে ডাকাতির চেষ্টা-যুবক গ্রেফতার Logo সাংবাদিক আলিফ হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন Logo বালাগঞ্জ-ওসমানীনগর উপজেলা কল্যাণ সমিতি, সিলেটের নতুন কমিটি গঠন Logo সুনামগঞ্জের ৪৪৪টি পূজামন্ডপে সম্পন্ন হলো শারদীয় দুর্গাপূজা, প্রতিমা বির্সজনে সমাপ্ত Logo স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর প্রচেষ্টায় সেই জলকদর খালে এবার নির্মিত হবে পাকা সেতু Logo রাউজান কদলপুরে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রাক্তন ছাত্র সমিতির বই বিতরণ Logo মতলবে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৬৪ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জগন্নাথকাঠীতে রাতের অন্ধকারে সন্ত্রাসী কায়দায় প্রতিষ্ঠানে তালা!

বিএনপির সাড়ে ৪ হাজারের বেশি নেতাকর্মীকে ক্রসফায়ার দেওয়া হয়েছিল:আইনমন্ত্রী

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, গত ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদী শাসনের সময় বিএনপি-জামায়াতকে টার্গেট করে মানুষকে ধরে নিয়ে গিয়ে বিনা বিচারে হত্যা করেছে। যার নাম দেওয়া হয়েছে ক্রসফায়ার। সাড়ে ৪ হাজারের বেশি বিএনপি নেতাকর্মীকে ক্রসফায়ার দেওয়া হয়েছিল।
গতকাল মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ৭০০ এর মতো বিএনপির নেতাকর্মীকে গুম করা হয়েছে সে সময়ে। অসংখ্য জামায়াতের নেতাকর্মীদের গুম, খুন করেছে। শুধুমাত্র জামায়াত বা বিএনপি করার কারণে। আমাদের বিএনপি সরকারের সময়ে ক্রসফায়ার শূন্যের কোঠায় নিয়ে এসেছি। গুম শূন্যের কোঠায় নিয়ে এসেছি। সারা বাংলাদেশে আপনাদের এখানে একটা গুমের অভিযোগ উঠেছে। মিরাজ শেখের বিষয়টা। এটা আমরা অত্যন্ত সতর্কতা ও গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে। আমরা চাই না মিরাজ শেখের পরিবার ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হোক।
বাগেরহাটে বিদ্যমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, এখানে কয়েকটা হত্যা হয়েছে। আমরা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলেছি, যার বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে তাকে আইনের আওতায় আনার জন্য। তিনি যত শক্তিশালী হোনা কেন, বিএনপির কোন শন্তিশালী নেতা যদি তাকে রক্ষার চেষ্টা করেন তার ব্যাপারেও আপনারা জিরো টলারেন্স নীতি দেখাবেন। খুন করে বাইরে ঘুরে বেড়াবেন, আর জনগণ বলবে খুন করলেও কিছু হয় না। পুলিশের হাত এখনো এত দুর্বল হয়নি। আইন আইনের গতিতে চলবে।
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায়, বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য মশিউর রহমান খান, বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলিম, খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার, বাগেরহাটের সিভিল সার্জন আসম মাহবুবুল আলম, বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার সমাদ্দার, বাগেরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এটিএম আকরাম হোসেন তালিম, সদস্য সচিব মোজাফফর রহমান আলম, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু সাইদ শুনুসহ জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
এর আগে সকালে জেলা জজ আদালতের সম্মেলনকক্ষে জেলার সব পর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন মন্ত্রী।
বিকেলে বিএনপির নির্বাচিত সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য, সংসদ সদস্য প্রার্থী, জেলা ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় যোগদান করেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাহিত্য সংস্কৃতির চর্চা ছাড়া মননশীল রাজনৈতিক কর্মী ও নেতা তৈরি হয় না:এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের

বিএনপির সাড়ে ৪ হাজারের বেশি নেতাকর্মীকে ক্রসফায়ার দেওয়া হয়েছিল:আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:৫৭:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, গত ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদী শাসনের সময় বিএনপি-জামায়াতকে টার্গেট করে মানুষকে ধরে নিয়ে গিয়ে বিনা বিচারে হত্যা করেছে। যার নাম দেওয়া হয়েছে ক্রসফায়ার। সাড়ে ৪ হাজারের বেশি বিএনপি নেতাকর্মীকে ক্রসফায়ার দেওয়া হয়েছিল।
গতকাল মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ৭০০ এর মতো বিএনপির নেতাকর্মীকে গুম করা হয়েছে সে সময়ে। অসংখ্য জামায়াতের নেতাকর্মীদের গুম, খুন করেছে। শুধুমাত্র জামায়াত বা বিএনপি করার কারণে। আমাদের বিএনপি সরকারের সময়ে ক্রসফায়ার শূন্যের কোঠায় নিয়ে এসেছি। গুম শূন্যের কোঠায় নিয়ে এসেছি। সারা বাংলাদেশে আপনাদের এখানে একটা গুমের অভিযোগ উঠেছে। মিরাজ শেখের বিষয়টা। এটা আমরা অত্যন্ত সতর্কতা ও গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে। আমরা চাই না মিরাজ শেখের পরিবার ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হোক।
বাগেরহাটে বিদ্যমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, এখানে কয়েকটা হত্যা হয়েছে। আমরা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলেছি, যার বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে তাকে আইনের আওতায় আনার জন্য। তিনি যত শক্তিশালী হোনা কেন, বিএনপির কোন শন্তিশালী নেতা যদি তাকে রক্ষার চেষ্টা করেন তার ব্যাপারেও আপনারা জিরো টলারেন্স নীতি দেখাবেন। খুন করে বাইরে ঘুরে বেড়াবেন, আর জনগণ বলবে খুন করলেও কিছু হয় না। পুলিশের হাত এখনো এত দুর্বল হয়নি। আইন আইনের গতিতে চলবে।
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায়, বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য মশিউর রহমান খান, বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলিম, খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার, বাগেরহাটের সিভিল সার্জন আসম মাহবুবুল আলম, বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার সমাদ্দার, বাগেরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এটিএম আকরাম হোসেন তালিম, সদস্য সচিব মোজাফফর রহমান আলম, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু সাইদ শুনুসহ জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
এর আগে সকালে জেলা জজ আদালতের সম্মেলনকক্ষে জেলার সব পর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন মন্ত্রী।
বিকেলে বিএনপির নির্বাচিত সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য, সংসদ সদস্য প্রার্থী, জেলা ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় যোগদান করেন।