ঢাকা ১০:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কেরানীগঞ্জে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, সেরা দোলেশ্বর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় টপ-ফিফটিন মেধাবী শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করল উপজেলা প্রশাসন Logo কালিয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালন Logo দুর্গাপুরে বিশ্ব হাতধোয়া দিবস পালিত Logo গলাচিপায় (সি-পি-পি) স্বেচ্ছা সেবক দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ Logo উখিয়ায় নলকূপের পাইপ দিয়ে গ্যাস নির্গমনের আগুন জ্বলবে আরো ১ সপ্তাহ, ২০০ মিটারের বাসিন্দাদের সরানোর পরামর্শ বাপেক্সের Logo কালীগঞ্জে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে দুর্ধর্ষ ডাকাতি: লুট হওয়া বৈদ্যুতিক সামগ্রী উদ্ধার, গ্রেফতার ২ Logo স্বরূপকাঠি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে সাবেক সেনা সদস্য সফিকুল ইসলাম Logo ফুলতলায় বরণপাড়া বায়োগ্যাস পল্লী উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বায়োগ্যাস উৎপাদনের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে পারি Logo টঙ্গী পশ্চিম থানা যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য মিছিল Logo মধুপুরের বংশাই নদী জোর কদমে চলছে পুনরুদ্ধারের কাজ

মৌলভীবাজারে সংঘবদ্ধ যুবকদের ধারালো অস্ত্রাঘাতে গুরুতর আহত এক যুবক

মৌলভীবাজারে সংঘবদ্ধ যুবকদের ধারালো অস্ত্রাঘাতে দাউদ ইবনে নেওয়াজ(২২) নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি শহরতলীর সোনাপুর গ্রামের মৃতঃ আলী নেওয়াজের একমাত্র পুত্র। সন্ত্রাসী এ ঘটনায় আহতের বোন বাদী হয়ে মৌলভীবাজার মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলার এজাহার ও আহতের মা-বোন সূত্রে জানা গেছে- দাউদ ইবনে নেওয়াজ, জাকিয়া নেওয়াজ আখি, জামিয়া নেওয়াজ, অনিক তাহসিন ও শাওন গত ৯ সেপ্টেম্বর বুধরাত ৮টার দিকে অটোরিকশাযোগে মৌলভীবাজার পৌরসভাধীন বড়বাড়ি এলাকাস্থিত টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনের পাকা রাস্তায় পৌছে অটোরিকশা থেকে নামলে পার্শ্ববর্তী বর্ষিজোড়া গ্রামের ফরিদ আলীর দুইপুত্র জসিম(৪০), জাকির আলী(৩৫) ও একই গ্রামের খালেদ(৩০) এবং অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন যুবক তাদের পথরোধ করে ধারালো অস্ত্রযোগে দাউদ ইবনে নেওয়াজের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তার বাম হাতের কব্জিসহ শরীরের একাধিক স্থানে গুরুতর জখম হয়। একপর্যায়ে তার ট্রাউজারের ডান পকেটে থাকা নগদ ১০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়া হয়। এসময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন এগিয়ে এলে তাদেরকেও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত দাউদ ইবনে নেওয়াজকে উদ্ধার করে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যান। তার অবস্থার অবনতি হলেও সেখানে সেসময় সম্ভব না হওয়ায় তাকে মৌলভীবাজার লাইফলাইন হাসপাতালে নিয়ে অস্ত্রোপচার করানো হয়। মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে তাকে বাড়ীতে নিয়ে আসার পর তার বোন জাকিয়া নেওয়াজ আঁখি এ ঘটনায় জসিম, জাকির, খালেদ ও অজ্ঞাতনামা ২/৩ জনকে আসামী করে ১৬ সেপ্টেম্বর বুধবার মৌলভীবাজার মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন (থানার নং-২৭)। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মৌলভীবাজার মডেল থানার সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) মো. মহরম আলী বলেন- ঘটনার বিষয়ে থানায় অভিযোগ দেয়ার পর মামলা হয়েছে। আসামিদেরকে গ্রেপ্তারের জন্য তাদের বাড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নেয়া হয়েছে। তবে আসামিদেরকে পাওয়া যায়নি। আসামিদেরকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের গ্রেপ্তার করা হবে। মামলার বাদী ও দাউদ ইবনে নেওয়াজের বোন জাকিয়া নেওয়াজ আঁখি বলেন- আমার একমাত্র ভাইকে যেভাবে ধারালো অস্ত্রাঘাত করা হয়েছে, তা থেকে সে প্রাণে বেঁচে ফিরেছে আল্লাহ সহায় থাকায়। আমার ভাইয়ের ওপর হামলাকারীরা স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করছে। তারা গ্রাম ও শহরে যাতায়াত করছে। অথচ এখনও তাদের গ্রেপ্তার করা হয়নি। তিনি বলেন- মামলার বাদী হওয়ায় আমি ও আমার পরিবারও হামলার আতঙ্কে আছি। আমরা চাই, আসামিদেরকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক এবং আমাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক। দাউদ ইবনে নেওয়াজের মা বলেন- আমার ছেলের ওপর যারা হামলা করেছে, তাদেরকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা হোক। পুলিশ প্রশাসন ও সরকারের কাছে এটাই আমার চাওয়া।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কেরানীগঞ্জে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, সেরা দোলেশ্বর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় টপ-ফিফটিন মেধাবী শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করল উপজেলা প্রশাসন

মৌলভীবাজারে সংঘবদ্ধ যুবকদের ধারালো অস্ত্রাঘাতে গুরুতর আহত এক যুবক

আপডেট সময় ০৩:০২:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মৌলভীবাজারে সংঘবদ্ধ যুবকদের ধারালো অস্ত্রাঘাতে দাউদ ইবনে নেওয়াজ(২২) নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি শহরতলীর সোনাপুর গ্রামের মৃতঃ আলী নেওয়াজের একমাত্র পুত্র। সন্ত্রাসী এ ঘটনায় আহতের বোন বাদী হয়ে মৌলভীবাজার মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলার এজাহার ও আহতের মা-বোন সূত্রে জানা গেছে- দাউদ ইবনে নেওয়াজ, জাকিয়া নেওয়াজ আখি, জামিয়া নেওয়াজ, অনিক তাহসিন ও শাওন গত ৯ সেপ্টেম্বর বুধরাত ৮টার দিকে অটোরিকশাযোগে মৌলভীবাজার পৌরসভাধীন বড়বাড়ি এলাকাস্থিত টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনের পাকা রাস্তায় পৌছে অটোরিকশা থেকে নামলে পার্শ্ববর্তী বর্ষিজোড়া গ্রামের ফরিদ আলীর দুইপুত্র জসিম(৪০), জাকির আলী(৩৫) ও একই গ্রামের খালেদ(৩০) এবং অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন যুবক তাদের পথরোধ করে ধারালো অস্ত্রযোগে দাউদ ইবনে নেওয়াজের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তার বাম হাতের কব্জিসহ শরীরের একাধিক স্থানে গুরুতর জখম হয়। একপর্যায়ে তার ট্রাউজারের ডান পকেটে থাকা নগদ ১০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়া হয়। এসময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন এগিয়ে এলে তাদেরকেও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত দাউদ ইবনে নেওয়াজকে উদ্ধার করে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যান। তার অবস্থার অবনতি হলেও সেখানে সেসময় সম্ভব না হওয়ায় তাকে মৌলভীবাজার লাইফলাইন হাসপাতালে নিয়ে অস্ত্রোপচার করানো হয়। মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে তাকে বাড়ীতে নিয়ে আসার পর তার বোন জাকিয়া নেওয়াজ আঁখি এ ঘটনায় জসিম, জাকির, খালেদ ও অজ্ঞাতনামা ২/৩ জনকে আসামী করে ১৬ সেপ্টেম্বর বুধবার মৌলভীবাজার মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন (থানার নং-২৭)। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মৌলভীবাজার মডেল থানার সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) মো. মহরম আলী বলেন- ঘটনার বিষয়ে থানায় অভিযোগ দেয়ার পর মামলা হয়েছে। আসামিদেরকে গ্রেপ্তারের জন্য তাদের বাড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নেয়া হয়েছে। তবে আসামিদেরকে পাওয়া যায়নি। আসামিদেরকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের গ্রেপ্তার করা হবে। মামলার বাদী ও দাউদ ইবনে নেওয়াজের বোন জাকিয়া নেওয়াজ আঁখি বলেন- আমার একমাত্র ভাইকে যেভাবে ধারালো অস্ত্রাঘাত করা হয়েছে, তা থেকে সে প্রাণে বেঁচে ফিরেছে আল্লাহ সহায় থাকায়। আমার ভাইয়ের ওপর হামলাকারীরা স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করছে। তারা গ্রাম ও শহরে যাতায়াত করছে। অথচ এখনও তাদের গ্রেপ্তার করা হয়নি। তিনি বলেন- মামলার বাদী হওয়ায় আমি ও আমার পরিবারও হামলার আতঙ্কে আছি। আমরা চাই, আসামিদেরকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক এবং আমাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক। দাউদ ইবনে নেওয়াজের মা বলেন- আমার ছেলের ওপর যারা হামলা করেছে, তাদেরকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা হোক। পুলিশ প্রশাসন ও সরকারের কাছে এটাই আমার চাওয়া।