ঢাকা ০২:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বোয়ালমারী প্রাণিসম্পদ দপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ; প্রশ্নের মুখে উন্নয়ন বরাদ্দ ও মাঠসেবা Logo ঈশ্বরগঞ্জে গভীর রাতে কৃষি ব্যাংকে ডাকাতির চেষ্টা-যুবক গ্রেফতার Logo সাংবাদিক আলিফ হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন Logo বালাগঞ্জ-ওসমানীনগর উপজেলা কল্যাণ সমিতি, সিলেটের নতুন কমিটি গঠন Logo সুনামগঞ্জের ৪৪৪টি পূজামন্ডপে সম্পন্ন হলো শারদীয় দুর্গাপূজা, প্রতিমা বির্সজনে সমাপ্ত Logo স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর প্রচেষ্টায় সেই জলকদর খালে এবার নির্মিত হবে পাকা সেতু Logo রাউজান কদলপুরে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রাক্তন ছাত্র সমিতির বই বিতরণ Logo মতলবে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৬৪ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জগন্নাথকাঠীতে রাতের অন্ধকারে সন্ত্রাসী কায়দায় প্রতিষ্ঠানে তালা! Logo দলের দুঃসময়ে পাশে ছিলেন, পহরডাঙ্গা ইউপিতে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ঠাকুর আবুল আজম

বিএনপি দুঃসময়ে সবসময় জনগণের পাশে থেকেছে : নজরুল ইসলাম খান

বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান। ফাইল ছবি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, দেশের জনগণের সংকট-দুঃসময়ে বিএনপি সবসময় জনগণের পাশে থেকেছে এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে।
তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে জবাই করেছে, বিএনপি গণতন্ত্রকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে।’
শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ১৯৭৫ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে একদলীয় শাসন কায়েম করা হয়েছিল। ‘বাকশাল’ নামক একটি মাত্র দল করে বাকি সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সেই বাকশালী শাসন থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
তিনি বলেন, ১৯৮২ সালে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে এরশাদ সামরিক স্বৈরশাসন কায়েম করেছিলেন। সেই শাসন স্থায়ী করতে কয়েকটি রাজনৈতিক দল তাকে সহযোগিতা করেছিল।
আওয়ামী লীগ ও জামায়াতে ইসলামীসহ কয়েকটি দল ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে অংশ নিলেও বিএনপি জনগণের সাথে বেইমানি করেনি। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য আপসহীন লড়াই চালিয়ে গেছে। এর ফলেই ১৯৯১ সালের নির্বাচনে জনগণ বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেয় এবং বিএনপি বহুদলীয় ও সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু করে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, এক-এগারোর সরকার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে বিকৃত ও ধ্বংস করার চেষ্টা করেছে এবং ষড়যন্ত্র করে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনা হয়েছে। ১৬ বছর ধরে আওয়ামী লীগ স্বৈরাচারী শাসন করেছে এবং ফ্যাসিবাদে পরিণত হয়েছে। এই শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে এবং তাঁর অনুপস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে অব্যাহত লড়াই করেছে।
তিনি বলেন, বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের যত নেতাকর্মী এই লড়াইয়ে শহীদ, গুম, নির্যাতিত ও জুলুমের শিকার হয়েছেন, বাংলাদেশের আর সব রাজনৈতিক দল মিলেও তত মানুষ গুম-খুনের শিকার কিংবা অত্যাচার-নিপীড়নের শিকার হয়নি।
তিনি আরও বলেন , গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণ আবার বিএনপির প্রতি আস্থা রেখে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় দলটিকে নির্বাচিত করেছে। বর্তমানে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে। ‘এটা ক্ষমতা নয়, এটা দায়িত্ব।’
নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিএনপি কখনোই ক্ষমতাকে ক্ষমতা মনে করে না, ক্ষমতাকে দায়িত্ব মনে করে। সেই দায়িত্ব পালনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, শুধু গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার নয়, বাংলাদেশের অর্থনীতি যখনই যেভাবে বিপন্ন ও বিপর্যস্ত হয়েছে, সেই অর্থনীতিকে পুনরায় জনগণের কল্যাণে উন্নত করার দায়িত্বও বিএনপিকে পালন করতে হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশে জাতীয় সংসদ ও মন্ত্রিসভা ছিল না এবং সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সমাজে বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছিল।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দায়িত্ব নিয়ে দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করেছিলেন এবং বাংলাদেশ ‘ইমার্জিং টাইগার’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিল।
তিনি বলেন, এবার তারেক রহমান দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশের অর্থনীতির অবস্থা ছিল সংকটাপন্ন। ঋণের বোঝা, অর্থ অপচয়, দুর্নীতি ও বিদেশে অর্থ পাচারের কারণে দেশ নিঃস্ব হয়ে পড়েছিল। এ অবস্থায় দায়িত্ব নিয়ে দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, দেশের কল্যাণে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। উন্নয়নকাজ ব্যাহত হলে সাধারণ মানুষ, শ্রমজীবী ও কর্মজীবী মানুষের কষ্ট হবে। বিরোধী দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের কোনো কথা বা কাজে যেন পতিত স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদের সুবিধা না হয়।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, সরকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দিয়েছে এবং এ কার্ডের আওতায় পরিবারের প্রধান নারী সদস্যকে মাসে আড়াই হাজার টাকা দেওয়া হচ্ছে। কৃষকদের ন্যায্য মূল্যে সার, বীজ ও কীটনাশক দেওয়ার জন্য ‘কৃষক কার্ড’ করা হয়েছে। এসব উদ্যোগের বিরোধিতা না করে এর চেয়ে ভালো পরিকল্পনা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, বিএনপির দুঃসময়ে দায়িত্ব নেওয়ার এবং দায়িত্ব নিয়ে সফল হওয়ার দৃষ্টান্ত রয়েছে। তারা দুঃসময়ে দায়িত্ব নিয়ে সফল হয়েছে, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে এবং জনগণের কল্যাণে নিজেদের উৎসর্গ করেছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বোয়ালমারী প্রাণিসম্পদ দপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ; প্রশ্নের মুখে উন্নয়ন বরাদ্দ ও মাঠসেবা

বিএনপি দুঃসময়ে সবসময় জনগণের পাশে থেকেছে : নজরুল ইসলাম খান

আপডেট সময় ০৮:৫১:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, দেশের জনগণের সংকট-দুঃসময়ে বিএনপি সবসময় জনগণের পাশে থেকেছে এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে।
তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে জবাই করেছে, বিএনপি গণতন্ত্রকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে।’
শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ১৯৭৫ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে একদলীয় শাসন কায়েম করা হয়েছিল। ‘বাকশাল’ নামক একটি মাত্র দল করে বাকি সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সেই বাকশালী শাসন থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
তিনি বলেন, ১৯৮২ সালে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে এরশাদ সামরিক স্বৈরশাসন কায়েম করেছিলেন। সেই শাসন স্থায়ী করতে কয়েকটি রাজনৈতিক দল তাকে সহযোগিতা করেছিল।
আওয়ামী লীগ ও জামায়াতে ইসলামীসহ কয়েকটি দল ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে অংশ নিলেও বিএনপি জনগণের সাথে বেইমানি করেনি। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য আপসহীন লড়াই চালিয়ে গেছে। এর ফলেই ১৯৯১ সালের নির্বাচনে জনগণ বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেয় এবং বিএনপি বহুদলীয় ও সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু করে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, এক-এগারোর সরকার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে বিকৃত ও ধ্বংস করার চেষ্টা করেছে এবং ষড়যন্ত্র করে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনা হয়েছে। ১৬ বছর ধরে আওয়ামী লীগ স্বৈরাচারী শাসন করেছে এবং ফ্যাসিবাদে পরিণত হয়েছে। এই শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে এবং তাঁর অনুপস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে অব্যাহত লড়াই করেছে।
তিনি বলেন, বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের যত নেতাকর্মী এই লড়াইয়ে শহীদ, গুম, নির্যাতিত ও জুলুমের শিকার হয়েছেন, বাংলাদেশের আর সব রাজনৈতিক দল মিলেও তত মানুষ গুম-খুনের শিকার কিংবা অত্যাচার-নিপীড়নের শিকার হয়নি।
তিনি আরও বলেন , গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণ আবার বিএনপির প্রতি আস্থা রেখে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় দলটিকে নির্বাচিত করেছে। বর্তমানে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে। ‘এটা ক্ষমতা নয়, এটা দায়িত্ব।’
নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিএনপি কখনোই ক্ষমতাকে ক্ষমতা মনে করে না, ক্ষমতাকে দায়িত্ব মনে করে। সেই দায়িত্ব পালনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, শুধু গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার নয়, বাংলাদেশের অর্থনীতি যখনই যেভাবে বিপন্ন ও বিপর্যস্ত হয়েছে, সেই অর্থনীতিকে পুনরায় জনগণের কল্যাণে উন্নত করার দায়িত্বও বিএনপিকে পালন করতে হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশে জাতীয় সংসদ ও মন্ত্রিসভা ছিল না এবং সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সমাজে বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছিল।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দায়িত্ব নিয়ে দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করেছিলেন এবং বাংলাদেশ ‘ইমার্জিং টাইগার’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিল।
তিনি বলেন, এবার তারেক রহমান দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশের অর্থনীতির অবস্থা ছিল সংকটাপন্ন। ঋণের বোঝা, অর্থ অপচয়, দুর্নীতি ও বিদেশে অর্থ পাচারের কারণে দেশ নিঃস্ব হয়ে পড়েছিল। এ অবস্থায় দায়িত্ব নিয়ে দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, দেশের কল্যাণে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। উন্নয়নকাজ ব্যাহত হলে সাধারণ মানুষ, শ্রমজীবী ও কর্মজীবী মানুষের কষ্ট হবে। বিরোধী দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের কোনো কথা বা কাজে যেন পতিত স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদের সুবিধা না হয়।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, সরকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দিয়েছে এবং এ কার্ডের আওতায় পরিবারের প্রধান নারী সদস্যকে মাসে আড়াই হাজার টাকা দেওয়া হচ্ছে। কৃষকদের ন্যায্য মূল্যে সার, বীজ ও কীটনাশক দেওয়ার জন্য ‘কৃষক কার্ড’ করা হয়েছে। এসব উদ্যোগের বিরোধিতা না করে এর চেয়ে ভালো পরিকল্পনা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, বিএনপির দুঃসময়ে দায়িত্ব নেওয়ার এবং দায়িত্ব নিয়ে সফল হওয়ার দৃষ্টান্ত রয়েছে। তারা দুঃসময়ে দায়িত্ব নিয়ে সফল হয়েছে, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে এবং জনগণের কল্যাণে নিজেদের উৎসর্গ করেছে।