ফেনীর দাগনভূঞায় বেঙ্গল ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের পক্ষ থেকে মৃত্যু দাবি বাবদ ৮ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে দাগনভূঞার একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মৃত নুরুল ইসলামের স্ত্রী ও মনোনীত নমিনি জাহেদা আক্তারের হাতে এ চেক তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এমপি। সম্মানিত অতিথি ছিলেন ফেনী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি হারুন উর রশিদ। বেঙ্গল ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মনিরুল আলম তপন অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ভাইস চেয়ারম্যান মো. আমিন হেলালী।
জানা গেছে, ফেনী সদর ইউনিয়নের বালিগাঁও গ্রামের বাসিন্দা নুরুল ইসলাম(৪৫) ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ১০ বছর মেয়াদি একটি জীবনবীমা পলিসি গ্রহণ করেন। তিনি বীমার দুই কিস্তি পরিশোধের পর আকস্মিক স্ট্রোকে মারা যান। পরে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে বীমা দাবি উত্থাপন করা হলে প্রতিষ্ঠানটির নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মৃত্যুদাবি অনুমোদন করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় নুরুল ইসলামের স্ত্রী ও মনোনীত নমিনি জাহেদা আক্তার (৩৫)-এর হাতে ৮ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এমপি বলেন, বাংলাদেশের বীমা খাত এখনো অনেক পিছিয়ে রয়েছে। প্রতিবেশী দেশ ভারতে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষ কোনো না কোনো ধরনের বীমার আওতায় থাকলেও বাংলাদেশে এ হার এখনো তিন শতাংশের নিচে। অথচ মানুষের আর্থিক নিরাপত্তার জন্য বীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, একটি বীমা পলিসির পুরো প্রিমিয়াম একসঙ্গে পরিশোধ করতে হয় না। মাসিক, ত্রৈমাসিক কিংবা বার্ষিক কিস্তিতে প্রিমিয়াম পরিশোধের সুযোগ থাকে। কিন্তু কোনো গ্রাহক একটি কিস্তি পরিশোধের পর অনাকাক্সিক্ষতভাবে মারা গেলেও পলিসির শর্ত অনুযায়ী তাঁর পরিবার নির্ধারিত বীমা সুবিধা পাওয়ার সুযোগ রাখে। ফলে বীমা একটি পরিবারের ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, আজকের এ আয়োজনের মাধ্যমে একজন মৃত গ্রাহকের পরিবারের কাছে বীমা দাবির অর্থ হস্তান্তর করা হচ্ছে। এ জন্য তিনি বেঙ্গল ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডকে ধন্যবাদ জানান। তাঁর মতে, এ ধরনের দাবি নিষ্পত্তির কার্যক্রম সাধারণ মানুষের মধ্যে বীমা সম্পর্কে সচেতনতা ও আস্থা তৈরিতে ভূমিকা রাখবে। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বীমা গ্রাহকের অনাকাক্সিক্ষত মৃত্যুতে পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে দাবি পরিশোধ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ধরনের উদ্যোগ বীমার প্রতি মানুষের আস্থা বাড়াতে সহায়ক হবে।
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশে এখনো তিন শতাংশের নিচে মানুষ বীমার আওতায় আবদুল আউয়াল মিন্টু
-
সুমন পাটোয়ারী দাগনভূঞা - আপডেট সময় ০৩:১১:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
- 11
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ
























