ঢাকা ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কালীগঞ্জ পৌর এলাকার ১০ কিলোমিটার মহাসড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি, বেপরোয়া বাস ও অবৈধ পার্কিংয়ে আতঙ্ক Logo আবুল কালাম এম.পির আন্তরিক প্রচেষ্টায় লাকসামে উন্নয়নের বিপ্লব: ৭ মাসে সাড়ে ৩৩ কোটি টাকায় ৪৯ প্রকল্প বাস্তবায়ন Logo বদলগাছীতে সহোদর দুই বোনকে বিয়ে করলেন টিকটকার মাসুদ Logo চাঁদপুরের প্রতিটি ইউনিয়নে গড়ে তোলা হবে একটি করে পাঠাগার-জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান Logo গ্রাম্য আদালতকে উপেক্ষা করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ Logo কলমাকান্দায় কাঠের সেতু সংস্কার, উদ্বোধন করল শিক্ষার্থীরা Logo রাষ্ট্র কাঠামো পরিবর্তন না হলে তারেক রহমানও শেখ হাসিনার পথে হাঁটবেন-আহবায়ক নাহিদ ইসলাম Logo গণ-অধিকার পরিষদের ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য রেলি ও আলোচনা সভা Logo লালমোহনে স্পিকারের অনুদানের চেক পেলেন ১৯০টি অসহায় ও দুস্থ পরিবার Logo মাতামুহুরীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের মহোৎসব: ভারী ট্রাকে পিষ্ট হয়ে ভেঙে চৌচির ১৫ কিমি সড়ক হুমকিতে বেতুয়াবাজার ব্রিজ ও নদীর গাইড ওয়াল, প্রশাসনের কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি

স্পিকারের এপিএস সবুজকে ঘিরে অপপ্রচার, প্রতিবাদ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমের এপিএস আকবর হোসেন সবুজকে ঘিরে দুটি অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য উপস্থাপনের অভিযোগ উঠেছে। এ ধরনের প্রতিবেদনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভোলার লালমোহন উপজেলার সচেতন মহল, সুশীল সমাজ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। এ ঘটনায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আমিনুল ইসলাম ফিরোজ বলেন, আকবর হোসেন সবুজের মানহানি ও ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করার উদ্দেশ্যে তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই কিছু মনগড়া ঘটনার সঙ্গে তাকে সম্পৃক্ত করে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বিভিন্ন অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হলেও, সেসব অভিযোগের পক্ষে নির্ভরযোগ্য তথ্য, নথি বা প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। এদিকে লালমোহন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক কুন্তলা সিকাদার বলেন, আকবর হোসেন সবুজ দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে ইতিবাচকভাবে কাজ করে আসছেন। তাকে নিয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে তা যাচাই-বাছাই করে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করা উচিত। একজন ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণœ হয়, এমন কোনো তথ্য যাচাই ছাড়া প্রকাশ করা সমীচীন নয়। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। বিশেষ করে স্পিকারের নির্বাচনী এলাকা ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) এলাকার সাধারণ মানুষ, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মহলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছেন বলে তারা জানান। তাদের বক্তব্য, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রকাশের আগে যথাযথভাবে তথ্য যাচাই-বাছাই করা সাংবাদিকতার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার করে একজন ব্যক্তির সামাজিক ও পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করার চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতি তথ্য যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ ও সত্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়া এবং অভিযোগের পক্ষে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপনের মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে এপিএস আকবর হোসেন সবুজ বলেন, মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে স্পিকার মহোদয় জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধেও তাঁর কঠোর অবস্থান রয়েছে। এসব বিষয়ে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে গিয়ে একটি চক্র বিভিন্ন অভিযোগ তুলে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে আমি মনে করি। তিনি বলেন, এছাড়া সংসদ সচিবালয়ে কিছু পেপার কার্ড তারা দিয়েছে। তবে সেখানে উল্লেখ করা বিষয়গুলো মূলত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলের ঘটনা।
সেগুলোকে বর্তমান সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে উপস্থাপন করা বিভ্রান্তিকর। আকবর হোসেন সবুজ আরও বলেন, এমনকি সংশ্লিষ্ট কয়েকটি গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে আমার কাছে এবং আমার কয়েকজন আত্মীয়-স্বজনের কাছেও নগদ টাকা দাবি করা হয়েছিল, এমন অভিযোগও রয়েছে। এ কারণে বিষয়গুলোকে আমি তেমন গুরুত্ব দিইনি। তিনি বলেন, সৎভাবে দায়িত্ব পালন করতে গেলে কখনো কখনো এ ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। তাই এসব অপপ্রচার নিয়ে আমার তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। আমি আমার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে যেতে চাই।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কালীগঞ্জ পৌর এলাকার ১০ কিলোমিটার মহাসড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি, বেপরোয়া বাস ও অবৈধ পার্কিংয়ে আতঙ্ক

স্পিকারের এপিএস সবুজকে ঘিরে অপপ্রচার, প্রতিবাদ

আপডেট সময় ০৩:৪৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমের এপিএস আকবর হোসেন সবুজকে ঘিরে দুটি অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য উপস্থাপনের অভিযোগ উঠেছে। এ ধরনের প্রতিবেদনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভোলার লালমোহন উপজেলার সচেতন মহল, সুশীল সমাজ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। এ ঘটনায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আমিনুল ইসলাম ফিরোজ বলেন, আকবর হোসেন সবুজের মানহানি ও ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করার উদ্দেশ্যে তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই কিছু মনগড়া ঘটনার সঙ্গে তাকে সম্পৃক্ত করে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বিভিন্ন অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হলেও, সেসব অভিযোগের পক্ষে নির্ভরযোগ্য তথ্য, নথি বা প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। এদিকে লালমোহন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক কুন্তলা সিকাদার বলেন, আকবর হোসেন সবুজ দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে ইতিবাচকভাবে কাজ করে আসছেন। তাকে নিয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে তা যাচাই-বাছাই করে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করা উচিত। একজন ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণœ হয়, এমন কোনো তথ্য যাচাই ছাড়া প্রকাশ করা সমীচীন নয়। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। বিশেষ করে স্পিকারের নির্বাচনী এলাকা ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) এলাকার সাধারণ মানুষ, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মহলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছেন বলে তারা জানান। তাদের বক্তব্য, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রকাশের আগে যথাযথভাবে তথ্য যাচাই-বাছাই করা সাংবাদিকতার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার করে একজন ব্যক্তির সামাজিক ও পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করার চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতি তথ্য যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ ও সত্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়া এবং অভিযোগের পক্ষে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপনের মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে এপিএস আকবর হোসেন সবুজ বলেন, মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে স্পিকার মহোদয় জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধেও তাঁর কঠোর অবস্থান রয়েছে। এসব বিষয়ে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে গিয়ে একটি চক্র বিভিন্ন অভিযোগ তুলে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে আমি মনে করি। তিনি বলেন, এছাড়া সংসদ সচিবালয়ে কিছু পেপার কার্ড তারা দিয়েছে। তবে সেখানে উল্লেখ করা বিষয়গুলো মূলত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলের ঘটনা।
সেগুলোকে বর্তমান সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে উপস্থাপন করা বিভ্রান্তিকর। আকবর হোসেন সবুজ আরও বলেন, এমনকি সংশ্লিষ্ট কয়েকটি গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে আমার কাছে এবং আমার কয়েকজন আত্মীয়-স্বজনের কাছেও নগদ টাকা দাবি করা হয়েছিল, এমন অভিযোগও রয়েছে। এ কারণে বিষয়গুলোকে আমি তেমন গুরুত্ব দিইনি। তিনি বলেন, সৎভাবে দায়িত্ব পালন করতে গেলে কখনো কখনো এ ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। তাই এসব অপপ্রচার নিয়ে আমার তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। আমি আমার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে যেতে চাই।