ঢাকা ১১:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo পুঁজিবাজার প্রাতিষ্ঠানিক ও পুরোপুরি কাগজবিহীন করার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর Logo ভিন্নমত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের শক্তি : মাহদী আমিন Logo রাজনৈতিক পরিচয়ে কারো প্রতি বৈষম্য হবে না : ৪৯তম বিসিএস প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo শাপলা এখন শরীয়তপুরের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবিকায়নের অংশ Logo বিনিয়োগ, এলএনজি সরবরাহ ও দক্ষতা উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo সরকার সর্বশক্তি দিয়ে দেশে আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করবে: প্রধানমন্ত্রী Logo দল ছেড়ে ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় রোনালদো Logo কতদিন পরপর ফোন বদলাবেন? Logo মিষ্টি ভালো লাগলেও কম খাবেন যারা Logo ‘দুনিয়াদারি হোক যাই ভেতরে রবের জিকির চাই’, মিশা সওদাগর

টঙ্গিবাড়ীতে ইয়াবাসহ চার মাদক কারবারি গ্রেফতার

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ১০০ পিস ইয়াবাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত প্রায় ৯টা ১০ মিনিটের দিকে উপজেলার বেতকা চৌরাস্তা এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ডিবির এসআই (নিঃ) মোহাম্মদ কামরুল হাসান, পিপিএম। গ্রেফতারকৃতরা হলেন-উত্তর বেতকার মো. আসিফ বেপারী(২৫), উত্তর পাইকপাড়ার রিয়াদ হোসেন অন্ত(২৩), হাসকিরার মো. মেরাজ শেখ ওরফে মিরাজ(২৫) এবং উত্তর বেতকার শ্যামল খন্দকার(৪৫)। শ্যামল খন্দকার একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি, বেতকা ইউনিয়ন২ নং ওয়ার্ড বিএনপির নেতা সুরুজ খানের ভাগিনা বেপোরোয়া বেশি। তার বিষয় এলাকায় শতশত অভিযোগ, কেউ তার ব্যাপারে প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয়ে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে। বর্তমান সরকার মাদককে না বলুন নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার উপরেই বর্তমান পুলিশ দিনরাত কাজ করছে তা খুবই ভালো। সুরুজ খান স্বীকার করে বলেন আমার বোনের ছেলে শ্যামল কেও আটক করেছে। তার কাছে কোন মাদক পাওয়া যায়নি। ডিবি সূত্র জানায়, গ্রেফতার তিনজনের কাছ থেকে মোট ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা শ্যামল খন্দকারের নাম প্রকাশ করলে তাকে ধরতে বিশেষ কৌশল নেয় পুলিশ। অন্য মাদকের আসামিদের তথ্যের ভিত্তিতে শ্যামলের কাছে ২০০ পিস ইয়াবা ক্রয়ের ফাঁদ পাতা হয়। অভিযানের সময় শ্যামল খন্দকারকে আটক করা হলেও তার কাছ থেকে কোনো ইয়াবা উদ্ধার করা যায়নি। তবে তিনি এলাকায় চিহ্নিত মাদক কারবারি হওয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৪১ ধারায় তাকে আটক দেখানো হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযান পরিচালনাকারী এসআই কামরুল হাসান জানান, শ্যামল একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি। তাকে আটকের জন্য অন্য তিনজনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফাঁদ পাতা হয়। যদিও তার কাছ থেকে ইয়াবা পাওয়া যায়নি, তবুও মাদক আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় তাকে আটক দেখানো হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পুঁজিবাজার প্রাতিষ্ঠানিক ও পুরোপুরি কাগজবিহীন করার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর

টঙ্গিবাড়ীতে ইয়াবাসহ চার মাদক কারবারি গ্রেফতার

আপডেট সময় ১০:৫২:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ১০০ পিস ইয়াবাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত প্রায় ৯টা ১০ মিনিটের দিকে উপজেলার বেতকা চৌরাস্তা এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ডিবির এসআই (নিঃ) মোহাম্মদ কামরুল হাসান, পিপিএম। গ্রেফতারকৃতরা হলেন-উত্তর বেতকার মো. আসিফ বেপারী(২৫), উত্তর পাইকপাড়ার রিয়াদ হোসেন অন্ত(২৩), হাসকিরার মো. মেরাজ শেখ ওরফে মিরাজ(২৫) এবং উত্তর বেতকার শ্যামল খন্দকার(৪৫)। শ্যামল খন্দকার একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি, বেতকা ইউনিয়ন২ নং ওয়ার্ড বিএনপির নেতা সুরুজ খানের ভাগিনা বেপোরোয়া বেশি। তার বিষয় এলাকায় শতশত অভিযোগ, কেউ তার ব্যাপারে প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয়ে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে। বর্তমান সরকার মাদককে না বলুন নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার উপরেই বর্তমান পুলিশ দিনরাত কাজ করছে তা খুবই ভালো। সুরুজ খান স্বীকার করে বলেন আমার বোনের ছেলে শ্যামল কেও আটক করেছে। তার কাছে কোন মাদক পাওয়া যায়নি। ডিবি সূত্র জানায়, গ্রেফতার তিনজনের কাছ থেকে মোট ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা শ্যামল খন্দকারের নাম প্রকাশ করলে তাকে ধরতে বিশেষ কৌশল নেয় পুলিশ। অন্য মাদকের আসামিদের তথ্যের ভিত্তিতে শ্যামলের কাছে ২০০ পিস ইয়াবা ক্রয়ের ফাঁদ পাতা হয়। অভিযানের সময় শ্যামল খন্দকারকে আটক করা হলেও তার কাছ থেকে কোনো ইয়াবা উদ্ধার করা যায়নি। তবে তিনি এলাকায় চিহ্নিত মাদক কারবারি হওয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৪১ ধারায় তাকে আটক দেখানো হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযান পরিচালনাকারী এসআই কামরুল হাসান জানান, শ্যামল একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি। তাকে আটকের জন্য অন্য তিনজনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফাঁদ পাতা হয়। যদিও তার কাছ থেকে ইয়াবা পাওয়া যায়নি, তবুও মাদক আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় তাকে আটক দেখানো হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।