ঢাকা ০২:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সাহিত্য সংস্কৃতির চর্চা ছাড়া মননশীল রাজনৈতিক কর্মী ও নেতা তৈরি হয় না:এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের Logo বোয়ালমারী প্রাণিসম্পদ দপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ; প্রশ্নের মুখে উন্নয়ন বরাদ্দ ও মাঠসেবা Logo ঈশ্বরগঞ্জে গভীর রাতে কৃষি ব্যাংকে ডাকাতির চেষ্টা-যুবক গ্রেফতার Logo সাংবাদিক আলিফ হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন Logo বালাগঞ্জ-ওসমানীনগর উপজেলা কল্যাণ সমিতি, সিলেটের নতুন কমিটি গঠন Logo সুনামগঞ্জের ৪৪৪টি পূজামন্ডপে সম্পন্ন হলো শারদীয় দুর্গাপূজা, প্রতিমা বির্সজনে সমাপ্ত Logo স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর প্রচেষ্টায় সেই জলকদর খালে এবার নির্মিত হবে পাকা সেতু Logo রাউজান কদলপুরে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রাক্তন ছাত্র সমিতির বই বিতরণ Logo মতলবে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৬৪ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জগন্নাথকাঠীতে রাতের অন্ধকারে সন্ত্রাসী কায়দায় প্রতিষ্ঠানে তালা!

টঙ্গিবাড়ীতে ইয়াবাসহ চার মাদক কারবারি গ্রেফতার

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ১০০ পিস ইয়াবাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত প্রায় ৯টা ১০ মিনিটের দিকে উপজেলার বেতকা চৌরাস্তা এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ডিবির এসআই (নিঃ) মোহাম্মদ কামরুল হাসান, পিপিএম। গ্রেফতারকৃতরা হলেন-উত্তর বেতকার মো. আসিফ বেপারী(২৫), উত্তর পাইকপাড়ার রিয়াদ হোসেন অন্ত(২৩), হাসকিরার মো. মেরাজ শেখ ওরফে মিরাজ(২৫) এবং উত্তর বেতকার শ্যামল খন্দকার(৪৫)। শ্যামল খন্দকার একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি, বেতকা ইউনিয়ন২ নং ওয়ার্ড বিএনপির নেতা সুরুজ খানের ভাগিনা বেপোরোয়া বেশি। তার বিষয় এলাকায় শতশত অভিযোগ, কেউ তার ব্যাপারে প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয়ে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে। বর্তমান সরকার মাদককে না বলুন নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার উপরেই বর্তমান পুলিশ দিনরাত কাজ করছে তা খুবই ভালো। সুরুজ খান স্বীকার করে বলেন আমার বোনের ছেলে শ্যামল কেও আটক করেছে। তার কাছে কোন মাদক পাওয়া যায়নি। ডিবি সূত্র জানায়, গ্রেফতার তিনজনের কাছ থেকে মোট ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা শ্যামল খন্দকারের নাম প্রকাশ করলে তাকে ধরতে বিশেষ কৌশল নেয় পুলিশ। অন্য মাদকের আসামিদের তথ্যের ভিত্তিতে শ্যামলের কাছে ২০০ পিস ইয়াবা ক্রয়ের ফাঁদ পাতা হয়। অভিযানের সময় শ্যামল খন্দকারকে আটক করা হলেও তার কাছ থেকে কোনো ইয়াবা উদ্ধার করা যায়নি। তবে তিনি এলাকায় চিহ্নিত মাদক কারবারি হওয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৪১ ধারায় তাকে আটক দেখানো হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযান পরিচালনাকারী এসআই কামরুল হাসান জানান, শ্যামল একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি। তাকে আটকের জন্য অন্য তিনজনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফাঁদ পাতা হয়। যদিও তার কাছ থেকে ইয়াবা পাওয়া যায়নি, তবুও মাদক আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় তাকে আটক দেখানো হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাহিত্য সংস্কৃতির চর্চা ছাড়া মননশীল রাজনৈতিক কর্মী ও নেতা তৈরি হয় না:এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের

টঙ্গিবাড়ীতে ইয়াবাসহ চার মাদক কারবারি গ্রেফতার

আপডেট সময় ১০:৫২:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ১০০ পিস ইয়াবাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত প্রায় ৯টা ১০ মিনিটের দিকে উপজেলার বেতকা চৌরাস্তা এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ডিবির এসআই (নিঃ) মোহাম্মদ কামরুল হাসান, পিপিএম। গ্রেফতারকৃতরা হলেন-উত্তর বেতকার মো. আসিফ বেপারী(২৫), উত্তর পাইকপাড়ার রিয়াদ হোসেন অন্ত(২৩), হাসকিরার মো. মেরাজ শেখ ওরফে মিরাজ(২৫) এবং উত্তর বেতকার শ্যামল খন্দকার(৪৫)। শ্যামল খন্দকার একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি, বেতকা ইউনিয়ন২ নং ওয়ার্ড বিএনপির নেতা সুরুজ খানের ভাগিনা বেপোরোয়া বেশি। তার বিষয় এলাকায় শতশত অভিযোগ, কেউ তার ব্যাপারে প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয়ে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে। বর্তমান সরকার মাদককে না বলুন নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার উপরেই বর্তমান পুলিশ দিনরাত কাজ করছে তা খুবই ভালো। সুরুজ খান স্বীকার করে বলেন আমার বোনের ছেলে শ্যামল কেও আটক করেছে। তার কাছে কোন মাদক পাওয়া যায়নি। ডিবি সূত্র জানায়, গ্রেফতার তিনজনের কাছ থেকে মোট ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা শ্যামল খন্দকারের নাম প্রকাশ করলে তাকে ধরতে বিশেষ কৌশল নেয় পুলিশ। অন্য মাদকের আসামিদের তথ্যের ভিত্তিতে শ্যামলের কাছে ২০০ পিস ইয়াবা ক্রয়ের ফাঁদ পাতা হয়। অভিযানের সময় শ্যামল খন্দকারকে আটক করা হলেও তার কাছ থেকে কোনো ইয়াবা উদ্ধার করা যায়নি। তবে তিনি এলাকায় চিহ্নিত মাদক কারবারি হওয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৪১ ধারায় তাকে আটক দেখানো হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযান পরিচালনাকারী এসআই কামরুল হাসান জানান, শ্যামল একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি। তাকে আটকের জন্য অন্য তিনজনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফাঁদ পাতা হয়। যদিও তার কাছ থেকে ইয়াবা পাওয়া যায়নি, তবুও মাদক আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় তাকে আটক দেখানো হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।