ঢাকা ০২:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের আহবান Logo দেশের পুনর্গঠনে তারেক রহমানের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে যুবদল: রুহুল কবির রিজভী Logo বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান Logo ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ মৃত্যু, ১০ মাসে প্রাণ গেল ৪০০ জনের Logo জ্বালানি, প্রযুক্তি, অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ Logo দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo পাকিস্তান এবার অলআউট ১১০ রানে Logo বাজারে আসতে না আসতেই আইফোন ডুওর পর্দায় ফাটল Logo খিটখিটে মেজাজের সহকর্মীর সঙ্গে কাজ করতে করণীয় Logo ‘সিআইডি’র স্রষ্টা বিপি সিং মারা গেছেনব্রিজেন্দ্র পাল সিং

ওষুধেও হতে পারে অ্যালার্জি, যে লক্ষণে সতর্ক হবেন

সাধারণত অসুস্থ হলে আমরা ওষুধের ওপরই ভরসা করি। কিন্তু অনেকেই জানেন না, কিছু ক্ষেত্রে এই ওষুধই শরীরে অ্যালার্জির কারণ হতে পারে। হালকা চুলকানি থেকে শুরু করে জীবনঝুঁকিপূর্ণ প্রতিক্রিয়াও হতে পারে।
তাই ওষুধ নেওয়ার পর শরীরের অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।
ওষুধে অ্যালার্জি মূলত শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার একটি অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া। কোনো নির্দিষ্ট ওষুধকে শরীর ক্ষতিকর হিসেবে ধরে নিয়ে এর বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। অ্যান্টিবায়োটিক, কিছু ব্যথানাশক ওষুধ বা অ্যান্টিসিজার ওষুধে এ ধরনের অ্যালার্জি বেশি দেখা যায়।
তাই অ্যালার্জি অ্যাওয়ারনেস উইক উপলক্ষে জেনে নিন কোন লক্ষণগুলো দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত –
১. সাধারণ লক্ষণ
লক্ষণগুলো হালকা থেকে গুরুতর – দুটোই হতে পারে। সাধারণ লক্ষণের মধ্যে রয়েছে ত্বকে র‌্যাশ, চুলকানি, লালচে দাগ বা ফুসকুড়ি। অনেক সময় চোখ-মুখ ফুলে যাওয়া বা ঠোঁট ফুলে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দেয়।
২. গুরুতর লক্ষণ
গুরুতর ক্ষেত্রে শ্বাস নিতে কষ্ট, গলা বন্ধ হয়ে আসা, মাথা ঘোরা বা হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে। এটি অ্যানাফাইল্যাক্সিস নামে পরিচিত একটি জরুরি অবস্থা, যা দ্রুত চিকিৎসা না পেলে প্রাণঘাতী হতে পারে।
সব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াই অ্যালার্জি নয়
অনেক ওষুধের স্বাভাবিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে, যেমন বমি ভাব বা মাথা ঘোরা। কিন্তু অ্যালার্জির ক্ষেত্রে সাধারণত ত্বক বা শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যাগুলো বেশি দেখা যায় এবং তা দ্রুত বাড়তে পারে।
ওষুধ নেওয়ার পর যদি নতুন কোনো লক্ষণ দেখা দেয়, তাহলে তা অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত। বিশেষ করে যদি আগে কোনো ওষুধে অ্যালার্জি হয়ে থাকে, তাহলে নতুন ওষুধ নেওয়ার আগে চিকিৎসককে তা জানানো জরুরি।
নিজে নিজে ওষুধ খাওয়ার অভ্যাস এই ঝুঁকি আরও বাড়াতে পারে। তাই প্রয়োজন ছাড়া বা পরামর্শ ছাড়া ওষুধ না খাওয়াই ভালো। সচেতনতা এখানে সবচেয়ে বড় সুরক্ষা।
সূত্র: মায়ো ক্লিনিক, আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব অ্যালার্জি অ্যাজমা অ্যান্ড ইমিউনোলজি, এনএইচএস

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের আহবান

ওষুধেও হতে পারে অ্যালার্জি, যে লক্ষণে সতর্ক হবেন

আপডেট সময় ১১:১৪:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

সাধারণত অসুস্থ হলে আমরা ওষুধের ওপরই ভরসা করি। কিন্তু অনেকেই জানেন না, কিছু ক্ষেত্রে এই ওষুধই শরীরে অ্যালার্জির কারণ হতে পারে। হালকা চুলকানি থেকে শুরু করে জীবনঝুঁকিপূর্ণ প্রতিক্রিয়াও হতে পারে।
তাই ওষুধ নেওয়ার পর শরীরের অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।
ওষুধে অ্যালার্জি মূলত শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার একটি অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া। কোনো নির্দিষ্ট ওষুধকে শরীর ক্ষতিকর হিসেবে ধরে নিয়ে এর বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। অ্যান্টিবায়োটিক, কিছু ব্যথানাশক ওষুধ বা অ্যান্টিসিজার ওষুধে এ ধরনের অ্যালার্জি বেশি দেখা যায়।
তাই অ্যালার্জি অ্যাওয়ারনেস উইক উপলক্ষে জেনে নিন কোন লক্ষণগুলো দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত –
১. সাধারণ লক্ষণ
লক্ষণগুলো হালকা থেকে গুরুতর – দুটোই হতে পারে। সাধারণ লক্ষণের মধ্যে রয়েছে ত্বকে র‌্যাশ, চুলকানি, লালচে দাগ বা ফুসকুড়ি। অনেক সময় চোখ-মুখ ফুলে যাওয়া বা ঠোঁট ফুলে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দেয়।
২. গুরুতর লক্ষণ
গুরুতর ক্ষেত্রে শ্বাস নিতে কষ্ট, গলা বন্ধ হয়ে আসা, মাথা ঘোরা বা হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে। এটি অ্যানাফাইল্যাক্সিস নামে পরিচিত একটি জরুরি অবস্থা, যা দ্রুত চিকিৎসা না পেলে প্রাণঘাতী হতে পারে।
সব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াই অ্যালার্জি নয়
অনেক ওষুধের স্বাভাবিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে, যেমন বমি ভাব বা মাথা ঘোরা। কিন্তু অ্যালার্জির ক্ষেত্রে সাধারণত ত্বক বা শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যাগুলো বেশি দেখা যায় এবং তা দ্রুত বাড়তে পারে।
ওষুধ নেওয়ার পর যদি নতুন কোনো লক্ষণ দেখা দেয়, তাহলে তা অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত। বিশেষ করে যদি আগে কোনো ওষুধে অ্যালার্জি হয়ে থাকে, তাহলে নতুন ওষুধ নেওয়ার আগে চিকিৎসককে তা জানানো জরুরি।
নিজে নিজে ওষুধ খাওয়ার অভ্যাস এই ঝুঁকি আরও বাড়াতে পারে। তাই প্রয়োজন ছাড়া বা পরামর্শ ছাড়া ওষুধ না খাওয়াই ভালো। সচেতনতা এখানে সবচেয়ে বড় সুরক্ষা।
সূত্র: মায়ো ক্লিনিক, আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব অ্যালার্জি অ্যাজমা অ্যান্ড ইমিউনোলজি, এনএইচএস