ঢাকা ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সোমেশ^রী নদী পারাপারে ভরসা কাঠের সেতু নির্মাণ করে দিচ্ছেন ডেপুটি স্পিকার Logo রায়পুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দেয়াল ভাঙচুর, চার দোকানে তালা ও মালামাল লুটের অভিযোগ! Logo দুপচাঁচিয়া ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালের উদ্বোধন Logo মৌলভীবাজারে রুমনের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যে পাঠানোর নামে ২ কোটি ৬ লক্ষ টাকা আতœসাতের অভিযোগ Logo মৌচাক কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লি: এর ৩২তম বার্ষিক সাধারণ সভা Logo জগন্নাথপুরে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা Logo দিনাজপুরে ৪২ বিজিবির রাতভর অভিযান, ভারতীয় মাদক উদ্ধার Logo ঈশ্বরগঞ্জে কৃষি ব্যাংকে লুট চেষ্টার ঘটনায় নতুন মোড়, এবার নিরাপত্তাকর্মী গ্রেপ্তার Logo আমন্ত্রণপত্রে সকাল ১১টা-জুড়ীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি শুরু ১০টায় Logo কুলিয়ার মধ্যেপাড়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী ডা. মেহেদী হাসান মেহেরের উঠান বৈঠক

ভুয়া ডিগ্রি ব্যবহার ও অবৈধ চিকিৎসার অভিযোগে আলোচিত নারী চিকিৎসকের কারাদ-, হাসপাতাল সিলগালা

মুন্সীগঞ্জের মিরকাদিমে ভুয়া ডিগ্রি ব্যবহার, অনুমোদনহীন ফার্মেসি পরিচালনা ও নিয়মবহির্ভূতভাবে অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগে ‘ডাক্তার’ হোসনেআরা সুমিকে তিন মাসের কারাদ- দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাঁর পরিচালিত লং লাইফ মেডিকেল সেন্টার অ্যান্ড প্রাইভেট হাসপাতাল লিমিটেড সিলগালা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত রোববার বিকেলে সদর উপজেলার মিরকাদিম পৌরসভার কমলাঘাট এলাকায় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুন্না খাতুনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে সিভিল সার্জন ডা. সাজেদা বেগম, ঔষধ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও স্যানিটারি ইন্সপেক্টর উপস্থিত ছিলেন। অভিযান শেষে সিভিল সার্জন ডা. সাজেদা বেগম বলেন, ওই নারী নিজের নামের সঙ্গে ‘এমবিবিএস সমমান’ ডিগ্রি ব্যবহার করছিলেন। অথচ এ ধরনের ডিগ্রির কোনো স্বীকৃতি নেই। চিকিৎসক পরিচয় ব্যবহারের ক্ষেত্রেও আইন লঙ্ঘন করা হয়েছে। ২০১০ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইনে এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রিধারী ছাড়া অন্য কারও চিকিৎসক পরিচয় ব্যবহারের সুযোগ নেই। তিনি বলেন, ওই নারী আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় পড়াশোনা করেছেন বলে দাবি করলেও তাঁকে অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করতে দেখা গেছে। অভিযানে এর প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া তাঁর প্রতিষ্ঠানে ওষুধ বিক্রির জন্য একটি ছোট ফার্মেসি থাকলেও সেটির কোনো লাইসেন্স পাওয়া যায়নি। সিভিল সার্জন আরও বলেন, প্রতিষ্ঠানটিতে হাসপাতালের ব্যানার ও পোস্টার লাগানো থাকলেও হাসপাতাল পরিচালনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দেখা যায়নি। সেখানে কিছু যন্ত্রপাতি পাওয়া গেছে। একটি কক্ষকে অপারেশন থিয়েটারের মতো মনে হলেও সেটি তালাবদ্ধ ছিল। হাসপাতালের নাম ব্যবহারের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেওয়া হয়নি বলে জানান তিনি। এসব অনিয়মের কারণে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁকে তিন মাসের কারাদ- দিয়েছেন। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান সিভিল সার্জন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সোমেশ^রী নদী পারাপারে ভরসা কাঠের সেতু নির্মাণ করে দিচ্ছেন ডেপুটি স্পিকার

ভুয়া ডিগ্রি ব্যবহার ও অবৈধ চিকিৎসার অভিযোগে আলোচিত নারী চিকিৎসকের কারাদ-, হাসপাতাল সিলগালা

আপডেট সময় ০১:১৪:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

মুন্সীগঞ্জের মিরকাদিমে ভুয়া ডিগ্রি ব্যবহার, অনুমোদনহীন ফার্মেসি পরিচালনা ও নিয়মবহির্ভূতভাবে অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগে ‘ডাক্তার’ হোসনেআরা সুমিকে তিন মাসের কারাদ- দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাঁর পরিচালিত লং লাইফ মেডিকেল সেন্টার অ্যান্ড প্রাইভেট হাসপাতাল লিমিটেড সিলগালা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত রোববার বিকেলে সদর উপজেলার মিরকাদিম পৌরসভার কমলাঘাট এলাকায় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুন্না খাতুনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে সিভিল সার্জন ডা. সাজেদা বেগম, ঔষধ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও স্যানিটারি ইন্সপেক্টর উপস্থিত ছিলেন। অভিযান শেষে সিভিল সার্জন ডা. সাজেদা বেগম বলেন, ওই নারী নিজের নামের সঙ্গে ‘এমবিবিএস সমমান’ ডিগ্রি ব্যবহার করছিলেন। অথচ এ ধরনের ডিগ্রির কোনো স্বীকৃতি নেই। চিকিৎসক পরিচয় ব্যবহারের ক্ষেত্রেও আইন লঙ্ঘন করা হয়েছে। ২০১০ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইনে এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রিধারী ছাড়া অন্য কারও চিকিৎসক পরিচয় ব্যবহারের সুযোগ নেই। তিনি বলেন, ওই নারী আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় পড়াশোনা করেছেন বলে দাবি করলেও তাঁকে অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করতে দেখা গেছে। অভিযানে এর প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া তাঁর প্রতিষ্ঠানে ওষুধ বিক্রির জন্য একটি ছোট ফার্মেসি থাকলেও সেটির কোনো লাইসেন্স পাওয়া যায়নি। সিভিল সার্জন আরও বলেন, প্রতিষ্ঠানটিতে হাসপাতালের ব্যানার ও পোস্টার লাগানো থাকলেও হাসপাতাল পরিচালনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দেখা যায়নি। সেখানে কিছু যন্ত্রপাতি পাওয়া গেছে। একটি কক্ষকে অপারেশন থিয়েটারের মতো মনে হলেও সেটি তালাবদ্ধ ছিল। হাসপাতালের নাম ব্যবহারের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেওয়া হয়নি বলে জানান তিনি। এসব অনিয়মের কারণে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁকে তিন মাসের কারাদ- দিয়েছেন। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান সিভিল সার্জন।