ঢাকা ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সুনামগঞ্জে মাঠ জুড়ে রোপা আমন চারার সবুজের সমারোহ Logo পাবনার রুপপুরে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের ২য় চালনের গাড়িবহর Logo অবশেষে উদ্ধার হলো নাজিরপুরের আলোচিত ট্রলার ডুবির নিখোঁজ রিনা বেপারীর মৃত দেহ Logo রায়পুরে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা Logo বিজয়া দশমীতে নিমাগাছী মাতৃমন্দিরের উদ্যোগে ৬৩ অসহায় পরিবারের মাঝে বস্ত্র বিতরণ Logo সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় মসজিদের ধানক্ষেতে তৃতীয়বার বিষ প্রয়োগের অভিযোগ! Logo দিনাজপুরে সিঁদুর খেলার মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় Logo সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য নিদর্শন এখন বাংলাদেশ-আমান উল্লাহ আমান Logo বুড়িচংয়ে মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে র‌্যালি-আলোচনা সভা Logo মেলান্দহে অসহায় বৃদ্ধের পাশে ইউএনও জিন্নাতুল আরা, খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান

খালিয়াজুরিতে টেন্ডার কৃত জলমহাল নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতার মালিকানা দাবি

খালিয়াজুরী উপজেলায় ইজারা কৃত জলমহাল মালিকানা দাবি করে কোটি টাকার মাছ বিক্রি করে সরকারি টাকা আত্মসাৎ করছে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদ, এমন একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে ভূমিদস্যু নামে পরিচিত আবুল কালামের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে অভিযোগ করেছেন খালিয়াজুড়ী উপজেলার মেন্দিপুর গ্রামবাসীর পক্ষে সুমাইয়া আক্তার রাত্রি নামের একজন এ অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে প্রকাশ সরকার কর্তৃক ইজারা কৃত দুটি বিল দখল করে মালিকানা দাবী করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদ। এ অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করে তিনি সাংবাদিক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও এবং জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বলেন এই সাবেক ১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ এখন বিএনপি নেতার রুপ ধারণ করে মেন্দিপুর মৌজার উপদি বিল ও বাউন উপদি বিল দুটি নিজে মালিকানা দাবি করে দখলে নিয়েছেন। এলাকা বাসী জানিয়েছেন সে একজন ভূমিদস্যু নামে পরিচিত অথচ সে ভূমিহীন নামে সরকারের কাছ থেকে প্রোপজালের মাধ্যমে এ ইজারা কৃত ভূমি নিজের দাবি করে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বিলের কোটি টাকার মাছ বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ করছে। এই বিল দুটি গত ২০২৫ সালে রফিকুল ইসলাম নামের একজন বিএনপির নেতা সরকারের কাছ থেকে টেন্ডারের মাধ্যমে ৫০০০, টাকা জমা দিয়ে এই দুটি বিল ইজারা পায়। কিন্তু ২০২৬ সালে আবুল কালাম আজাদ মালিকানা দাবি করেন এবং এ বছর এখন পর্যন্ত এ দুটি বিলের কোন প্রকার ডাক টেন্ডার হয়নি। এ বিষয়ে মেনদিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব খোরশেদ আলমের ফোন কলে জানতে চাইলে তিনি বলেন আবুল কালাম আজাদ কিভাবে সরকারি বিল প্রপোজালে পায় এ বিষয়ে তিনি কোন কিছু বলতে পারেন না। এ নিয়ে আবুল কালাম আজাদ জানান সরকারের কাছ থেকে এ দুটি বিল কাগজ পত্রের মাধ্যমে পেয়েছেন বলে জানান। এলাকার আরুজ আলী জানান আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদ একজন মামলাবাজ বিগত সরকারের আমলে সাধারণ মানুষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছে। এখনও সেই আমল মনে করে মানুষের নামে মিথ্যা মামলা করে হয়রানি করছে। বিলের টেন্ডার কৃত ভূমির বিষয়ে খালিয়াজুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অলিদুজ্জামান জানান সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সুনামগঞ্জে মাঠ জুড়ে রোপা আমন চারার সবুজের সমারোহ

খালিয়াজুরিতে টেন্ডার কৃত জলমহাল নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতার মালিকানা দাবি

আপডেট সময় ০১:৪০:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

খালিয়াজুরী উপজেলায় ইজারা কৃত জলমহাল মালিকানা দাবি করে কোটি টাকার মাছ বিক্রি করে সরকারি টাকা আত্মসাৎ করছে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদ, এমন একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে ভূমিদস্যু নামে পরিচিত আবুল কালামের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে অভিযোগ করেছেন খালিয়াজুড়ী উপজেলার মেন্দিপুর গ্রামবাসীর পক্ষে সুমাইয়া আক্তার রাত্রি নামের একজন এ অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে প্রকাশ সরকার কর্তৃক ইজারা কৃত দুটি বিল দখল করে মালিকানা দাবী করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদ। এ অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করে তিনি সাংবাদিক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও এবং জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বলেন এই সাবেক ১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ এখন বিএনপি নেতার রুপ ধারণ করে মেন্দিপুর মৌজার উপদি বিল ও বাউন উপদি বিল দুটি নিজে মালিকানা দাবি করে দখলে নিয়েছেন। এলাকা বাসী জানিয়েছেন সে একজন ভূমিদস্যু নামে পরিচিত অথচ সে ভূমিহীন নামে সরকারের কাছ থেকে প্রোপজালের মাধ্যমে এ ইজারা কৃত ভূমি নিজের দাবি করে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বিলের কোটি টাকার মাছ বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ করছে। এই বিল দুটি গত ২০২৫ সালে রফিকুল ইসলাম নামের একজন বিএনপির নেতা সরকারের কাছ থেকে টেন্ডারের মাধ্যমে ৫০০০, টাকা জমা দিয়ে এই দুটি বিল ইজারা পায়। কিন্তু ২০২৬ সালে আবুল কালাম আজাদ মালিকানা দাবি করেন এবং এ বছর এখন পর্যন্ত এ দুটি বিলের কোন প্রকার ডাক টেন্ডার হয়নি। এ বিষয়ে মেনদিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব খোরশেদ আলমের ফোন কলে জানতে চাইলে তিনি বলেন আবুল কালাম আজাদ কিভাবে সরকারি বিল প্রপোজালে পায় এ বিষয়ে তিনি কোন কিছু বলতে পারেন না। এ নিয়ে আবুল কালাম আজাদ জানান সরকারের কাছ থেকে এ দুটি বিল কাগজ পত্রের মাধ্যমে পেয়েছেন বলে জানান। এলাকার আরুজ আলী জানান আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদ একজন মামলাবাজ বিগত সরকারের আমলে সাধারণ মানুষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছে। এখনও সেই আমল মনে করে মানুষের নামে মিথ্যা মামলা করে হয়রানি করছে। বিলের টেন্ডার কৃত ভূমির বিষয়ে খালিয়াজুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অলিদুজ্জামান জানান সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।