ঢাকা ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo জগন্নাথপুরে বাঁশের সাঁকোর বদলে ব্রিজ নির্মাণের দাবি, কয়ছর আহমদ এমপির সহযোগিতা কামনা এলাকাবাসীর Logo গজারিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা Logo লালমোহনে এসএসসির বৃত্তির ফলাফলে হা-মীমের শিক্ষার্থীদের চমক Logo ক্যান্সার সচেতনতামূলক সংলাপ ও পথশিশুদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ Logo উপকুলের লবনাক্ত আবহাওয়া মাটিতে সাবেক ব্যাংকার জিয়াউদ্দিনের মাল্টা চাষে সফলতা Logo টঙ্গী পাইলট স্কুল অ্যান্ড গার্লস কলেজে নতুন এডহক কমিটি, সভাপতি সরকার জাবেদ আহমেদ Logo শিবগঞ্জে ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা Logo লোহাগাড়ায় ১০০ মিটারের মধ্যে ৯টি অবৈধ করাতকল গিলে খাচ্ছে সংরক্ষিত বনাঞ্চল Logo চৌদ্দগ্রামে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার Logo জামালপুরে ৫ম উপজেলা কাব ক্যাম্পুরীর মহা তাবু জলসা ও সমাপনী

রংপুর কাস্টমস ও ভ্যাট কমিশনারের অপসারণসহ সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি

রংপুর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনার মোহাম্মদ সফিউর রহমানের বিরুদ্ধে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন রংপুর সম্মিলিত সাংবাদিক সমাজ। রংপুরে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদে সরব হয়ে উঠেছে রংপুরের সাংবাদিক সমাজ। রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন (আরপিইউজে)-এর সভাপতি ও দৈনিক দিনকাল পত্রিকার রংপুর ব্যুরো প্রধান সালেকুজ্জামান সালেক গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রংপুর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারের কার্যালয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে অসৌজন্যমূলক আচরণের শিকার হন। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা মোহাম্মদ সফিউর রহমান-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই সাংবাদিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। রবিবার ২৬ এপ্রিল দুপুর ১২ টায় রংপুর প্রেসক্লাব চত্বরে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক টেলিভিশন ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন। রংপুর সম্মিলিত সাংবাদিক সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি লিয়াকত আলী বাদল। সঞ্চালনা করেন আরপিইউজের সাংগঠনিক সম্পাদক বাদশাহ ওসমানী। ?সমাবেশে বক্তব্য রাখেন রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সিনিয়র সহ-সভাপতি চঞ্চল মাহমুদ, সিটি প্রেসক্লাবের সভাপতি স্বপন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন কবীর মানিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম মানিক, দপ্তর সম্পাদক হারুন উর রশিদ সোহেল, রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি মাহমুদুল হাসান, রংপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মাহফুজ আলম প্রিন্স, মিঠাপুকুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাদী, কাউনিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, তারাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন লেবু, বদরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য রিয়াদ ইসলাম, আকাশ রহমান, মোস্তাফিজার রহমান, আশরাফুল আলম আপন, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন রংপুরের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আফজাল, টিসিএ সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মুকুল, পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি বখতিয়ার রহমান, সাংবাদিক আব্দুল হালিম ডালিম, রংপুর অনলাইন অ্যাসোসিয়েশনের নেতা আকাশ চন্দ্র পাপ্পু, পীরগাছা প্রেসক্লাবের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা তারাগঞ্জের সভাপতি খায়রুল আলম বিপ্লব, মাহিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি বাবলু নাগসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।সমাবেশে জেলার আটটি উপজেলার সাংবাদিক সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে বদরগঞ্জ, মিঠাপুকুর, তারাগঞ্জ, পীরগাছা, পীরগঞ্জ, কাউনিয়া, গঙ্গাচড়া, হারাগাছ ও রংপুর সদর প্রেসক্লাবের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনে বক্তারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তার কাছ থেকে এ ধরনের অসৌজন্যমূলক আচরণ শুধু নিন্দনীয়ই নয়, বরং তা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদার ওপর সরাসরি আঘাত। তারা আরও বলেন, সাংবাদিকরা রাষ্ট্র ও সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করেন তাদের প্রতি অসম্মানজনক আচরণ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। বক্তারা অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক ঘটনাটি সাংবাদিকদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। এ ধরনের আচরণ অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তাই দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা। আরপিইউজের সহ সভাপতি চঞ্চল মাহমুদ বলেন, আমরা দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যদি হয়রানি ও অসম্মানের শিকার হই, তাহলে সত্য তুলে ধরা কঠিন হয়ে পড়বে। এ ধরনের আচরণের বিরুদ্ধে সাংবাদিক সমাজ ঐক্যবদ্ধ। সিটি প্রেসক্লাবের সভাপতি স্বপন চৌধুরী বলেন, সরকারি দায়িত্বে থেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ অত্যন্ত দুঃখজনক। দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন কবীর মানিক বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় আমরা কোনো আপস করবো না। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হবে। রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম মানিক বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দপ্তর সম্পাদক হারুন উর রশিদ সোহেল বলেন,এই ঘটনার সঠিক তদন্ত না হলে আমরা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো। বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন রংপুরের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আফজাল বলেন, সাংবাদিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা না হলে তথ্যপ্রবাহ ব্যাহত হবে। টিসিএ সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মুকুল বলেন, এ ধরনের আচরণ অব্যাহত থাকলে সাংবাদিকরা রাজপথে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে। সাংবাদিকরা অবিলম্বে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ ২৪ ঘন্টার মধ্যে অপসারণ, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে সাংবাদিকদের সঙ্গে সম্মানজনক আচরণ নিশ্চিতের দাবি জানান। তারা সতর্ক করে বলেন, দাবি পূরণ না হলে রংপুরের সাংবাদিক সমাজ আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জগন্নাথপুরে বাঁশের সাঁকোর বদলে ব্রিজ নির্মাণের দাবি, কয়ছর আহমদ এমপির সহযোগিতা কামনা এলাকাবাসীর

রংপুর কাস্টমস ও ভ্যাট কমিশনারের অপসারণসহ সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি

আপডেট সময় ০৪:২২:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

রংপুর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনার মোহাম্মদ সফিউর রহমানের বিরুদ্ধে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন রংপুর সম্মিলিত সাংবাদিক সমাজ। রংপুরে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদে সরব হয়ে উঠেছে রংপুরের সাংবাদিক সমাজ। রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন (আরপিইউজে)-এর সভাপতি ও দৈনিক দিনকাল পত্রিকার রংপুর ব্যুরো প্রধান সালেকুজ্জামান সালেক গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রংপুর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারের কার্যালয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে অসৌজন্যমূলক আচরণের শিকার হন। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা মোহাম্মদ সফিউর রহমান-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই সাংবাদিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। রবিবার ২৬ এপ্রিল দুপুর ১২ টায় রংপুর প্রেসক্লাব চত্বরে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক টেলিভিশন ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন। রংপুর সম্মিলিত সাংবাদিক সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি লিয়াকত আলী বাদল। সঞ্চালনা করেন আরপিইউজের সাংগঠনিক সম্পাদক বাদশাহ ওসমানী। ?সমাবেশে বক্তব্য রাখেন রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সিনিয়র সহ-সভাপতি চঞ্চল মাহমুদ, সিটি প্রেসক্লাবের সভাপতি স্বপন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন কবীর মানিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম মানিক, দপ্তর সম্পাদক হারুন উর রশিদ সোহেল, রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি মাহমুদুল হাসান, রংপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মাহফুজ আলম প্রিন্স, মিঠাপুকুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাদী, কাউনিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, তারাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন লেবু, বদরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য রিয়াদ ইসলাম, আকাশ রহমান, মোস্তাফিজার রহমান, আশরাফুল আলম আপন, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন রংপুরের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আফজাল, টিসিএ সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মুকুল, পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি বখতিয়ার রহমান, সাংবাদিক আব্দুল হালিম ডালিম, রংপুর অনলাইন অ্যাসোসিয়েশনের নেতা আকাশ চন্দ্র পাপ্পু, পীরগাছা প্রেসক্লাবের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা তারাগঞ্জের সভাপতি খায়রুল আলম বিপ্লব, মাহিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি বাবলু নাগসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।সমাবেশে জেলার আটটি উপজেলার সাংবাদিক সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে বদরগঞ্জ, মিঠাপুকুর, তারাগঞ্জ, পীরগাছা, পীরগঞ্জ, কাউনিয়া, গঙ্গাচড়া, হারাগাছ ও রংপুর সদর প্রেসক্লাবের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনে বক্তারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তার কাছ থেকে এ ধরনের অসৌজন্যমূলক আচরণ শুধু নিন্দনীয়ই নয়, বরং তা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদার ওপর সরাসরি আঘাত। তারা আরও বলেন, সাংবাদিকরা রাষ্ট্র ও সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করেন তাদের প্রতি অসম্মানজনক আচরণ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। বক্তারা অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক ঘটনাটি সাংবাদিকদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। এ ধরনের আচরণ অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তাই দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা। আরপিইউজের সহ সভাপতি চঞ্চল মাহমুদ বলেন, আমরা দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যদি হয়রানি ও অসম্মানের শিকার হই, তাহলে সত্য তুলে ধরা কঠিন হয়ে পড়বে। এ ধরনের আচরণের বিরুদ্ধে সাংবাদিক সমাজ ঐক্যবদ্ধ। সিটি প্রেসক্লাবের সভাপতি স্বপন চৌধুরী বলেন, সরকারি দায়িত্বে থেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ অত্যন্ত দুঃখজনক। দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন কবীর মানিক বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় আমরা কোনো আপস করবো না। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হবে। রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম মানিক বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দপ্তর সম্পাদক হারুন উর রশিদ সোহেল বলেন,এই ঘটনার সঠিক তদন্ত না হলে আমরা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো। বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন রংপুরের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আফজাল বলেন, সাংবাদিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা না হলে তথ্যপ্রবাহ ব্যাহত হবে। টিসিএ সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মুকুল বলেন, এ ধরনের আচরণ অব্যাহত থাকলে সাংবাদিকরা রাজপথে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে। সাংবাদিকরা অবিলম্বে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ ২৪ ঘন্টার মধ্যে অপসারণ, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে সাংবাদিকদের সঙ্গে সম্মানজনক আচরণ নিশ্চিতের দাবি জানান। তারা সতর্ক করে বলেন, দাবি পূরণ না হলে রংপুরের সাংবাদিক সমাজ আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে।