ঢাকা ১০:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেড এর পুনর্গঠিত পরিচালনা পর্ষদ সভা Logo প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ গড়া দায়িত্ব আমাদের সবার Logo সারা জীবন মুসলিম ছিলাম, অথচ জানতামই না: মার্কিন তরুণী অ্যাঞ্জেলা Logo নারীর ক্ষমতায়ন ও নেতৃত্ব বিকাশে সমান সুযোগ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের Logo অবকাঠামো ও শিল্প খাতে ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চীনা প্রতিষ্ঠানের সমঝোতা Logo হযরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর Logo বাংলাদেশকে এআই প্রয়োগ ও উদ্ভাবনে সক্ষম একটি দেশে পরিণত করতে হবে : রাষ্ট্রপতি Logo আইসিএপিপির ভাইস চেয়ারপারসন নির্বাচিত ইসমাইল জবিউল্লাহ Logo দুম্বা পালন করে রাকিবের ভাগ্য বদল Logo শ্রমিকদের দাবির আড়ালে সীমান্তের ওপার থেকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী

স্মার্ট গ্লাস ব্যবহারে ব্যক্তিগত তথ্য কতটা নিরাপদ?

  • আইটি ডেস্ক:
  • আপডেট সময় ০৯:৫০:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
  • 9

সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর থেকে রাতে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত প্রতিদিনের নানা কাজে এখন এআইয়ের সাহায্য নিচ্ছেন মানুষ। স্মার্টফোনের গ-ি পেরিয়ে এআই পৌঁছে গেছে স্মার্ট গ্লাস, স্মার্টওয়াচ ও শরীরে পরার মতো ছোট ছোট ডিভাইসেও। এসব যন্ত্র শুধু তথ্য দেখায় না, ব্যবহারকারীর হয়ে বিভিন্ন কাজও করতে পারে। ফ্লাইট বুক করা, কেনাকাটা কিংবা আগের কোনো কথোপকথনের তথ্য মনে করিয়ে দেওয়ার মতো কাজও সম্ভব হচ্ছে এআইয়ের মাধ্যমে। কিন্তু প্রযুক্তির এই সুবিধার আড়ালে তৈরি হচ্ছে নতুন উদ্বেগ। ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য কতটা সুরক্ষিত থাকছে এসব ডিভাইসে?
আপনার অজান্তেই রেকর্ড হতে পারে কথাবার্তা
প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, এআই-নির্ভর পরিধানযোগ্য ডিভাইসের ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের পরিধিও বাড়ছে। আগে স্মার্টওয়াচ বা ফিটনেস ট্র্যাকার মূলত হাঁটাচলা, হৃদস্পন্দন কিংবা ঘুমের তথ্য সংগ্রহ করত। এখন এআই যুক্ত হওয়ায় এসব ডিভাইস ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবেও কাজ করছে।
‘গ্লোবাল ডেটা’র টেলিকম বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক আমান্ডা মিচেলের বক্তব্য অনুযায়ী, এআই পরিধানযোগ্য প্রযুক্তিকে কেবল তথ্য সংগ্রহের যন্ত্র হিসেবে সীমাবদ্ধ রাখছে না। ডিভাইসের ধরন ও অনুমতির ওপর নির্ভর করে ব্যবহারকারীর হয়ে ফ্লাইট বুকিং, কেনাকাটা কিংবা কথোপকথনের আগের অংশ মনে করিয়ে দেওয়ার মতো কাজও করতে পারে।
কিন্তু সমস্যা হলো, এসব সুবিধা দিতে গিয়ে ডিভাইসগুলোকে নানা ধরনের ব্যক্তিগত তথ্যের প্রবেশাধিকার দিতে হয়। স্মার্ট গ্লাসের ক্যামেরা ও মাইক্রোফোনের মাধ্যমে আশপাশের দৃশ্য কিংবা কথাবার্তা ধারণ হতে পারে। অনেক সময় আশপাশে থাকা অন্য ব্যক্তিরাও বুঝতে পারেন না যে তাদের ছবি বা কথোপকথন রেকর্ড হচ্ছে।
এছাড়া ডিভাইসের সঙ্গে যুক্ত অ্যাপ ও এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট অনুমতি পেলে ই-মেইল, ক্যালেন্ডার, স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য কিংবা ব্যক্তিগত কথোপকথনের মতো সংবেদনশীল তথ্যও ব্যবহার করতে পারে। ফলে শুধু ডিভাইসটির মালিক নন, তার আশপাশের মানুষের গোপনীয়তাও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
প্রযুক্তির সুবিধা, কিন্তু গোপনীয়তার নিশ্চয়তা কোথায়?
স্মার্ট গ্লাসের মতো ডিভাইসে ক্যামেরা ও রেকর্ডিং সুবিধা থাকায় গোপনীয়তা নিয়ে আগে থেকেই প্রশ্ন উঠেছে। ব্যবহারকারীদের উদ্বেগের মুখে নির্মাতাদের কেউ কেউ রেকর্ডিংয়ের সংকেত বা ব্যবহারের নিয়মে পরিবর্তন এনেছেন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু রেকর্ডিংয়ের সংকেত থাকলেই গোপনীয়তা নিশ্চিত হয় না। কী তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে, কোথায় সংরক্ষণ করা হচ্ছে এবং কারা সেগুলো ব্যবহার করতে পারছে এসব বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ।
মিচেলের মতে, নতুন নতুন এআই ডিভাইস বাজারে আনার ক্ষেত্রে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত এগোলেও ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত পরিসর সুরক্ষার বিষয়টি একই গুরুত্ব পাচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
গোপনীয়তা রক্ষায় নির্মাতাদেরও দায়িত্ব রয়েছে
ব্যবহারকারীর তথ্য সুরক্ষার দায়িত্ব শুধু ব্যক্তির ওপর ছেড়ে দেওয়া যায় না। ডিভাইস নির্মাতা ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও শুরু থেকেই নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার বিষয়টি গুরুত্ব দিতে হবে।
ইউরোপীয় ডাটা প্রোটেকশন বোর্ডও এ ক্ষেত্রে নির্মাতাদের দায়িত্বের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য কীভাবে সংগ্রহ ও ব্যবহার করা হচ্ছে, সে বিষয়ে স্বচ্ছতা থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে প্রয়োজনের অতিরিক্ত তথ্য সংগ্রহ না করা এবং তথ্য ব্যবহারের ওপর ব্যবহারকারীর নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করাও জরুরি।
ব্যবহারকারীরা কী সতর্কতা নেবেন?
এআই-চালিত স্মার্ট গ্লাস বা অন্য কোনো পরিধানযোগ্য ডিভাইস ব্যবহারের আগে সেটির গোপনীয়তা নীতি পড়ে নেওয়া ভালো। কোন কোন তথ্য সংগ্রহ করা হয় এবং সেগুলো কোথায় সংরক্ষণ করা হয়, তা জেনে নেওয়া উচিত।
অপ্রয়োজনীয় ক্যামেরা, মাইক্রোফোন ও লোকেশন ব্যবহারের অনুমতি বন্ধ রাখুন।
ই-মেইল, ক্যালেন্ডার ও স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্যের প্রবেশাধিকার দেওয়ার আগে প্রয়োজন যাচাই করুন।
ডিভাইসের সফটওয়্যার ও নিরাপত্তা আপডেট নিয়মিত ইনস্টল করুন।
ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল কথোপকথনের সময় রেকর্ডিং সুবিধা বন্ধ রাখুন।
রেকর্ডিং বা ছবি তোলার আগে আশপাশের মানুষের সম্মতি ও গোপনীয়তার বিষয়টি বিবেচনা করুন।
এআইয়ের সাহায্যে দৈনন্দিন জীবন সহজ হচ্ছে, এতে সন্দেহ নেই। কিন্তু প্রতিটি কাজের জন্য প্রযুক্তিকে ব্যক্তিগত জীবনের আরও গভীরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া কতটা নিরাপদ, সেটিও ভাবার বিষয়। সুবিধা পাওয়ার পাশাপাশি নিজের তথ্যের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেড এর পুনর্গঠিত পরিচালনা পর্ষদ সভা

স্মার্ট গ্লাস ব্যবহারে ব্যক্তিগত তথ্য কতটা নিরাপদ?

আপডেট সময় ০৯:৫০:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর থেকে রাতে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত প্রতিদিনের নানা কাজে এখন এআইয়ের সাহায্য নিচ্ছেন মানুষ। স্মার্টফোনের গ-ি পেরিয়ে এআই পৌঁছে গেছে স্মার্ট গ্লাস, স্মার্টওয়াচ ও শরীরে পরার মতো ছোট ছোট ডিভাইসেও। এসব যন্ত্র শুধু তথ্য দেখায় না, ব্যবহারকারীর হয়ে বিভিন্ন কাজও করতে পারে। ফ্লাইট বুক করা, কেনাকাটা কিংবা আগের কোনো কথোপকথনের তথ্য মনে করিয়ে দেওয়ার মতো কাজও সম্ভব হচ্ছে এআইয়ের মাধ্যমে। কিন্তু প্রযুক্তির এই সুবিধার আড়ালে তৈরি হচ্ছে নতুন উদ্বেগ। ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য কতটা সুরক্ষিত থাকছে এসব ডিভাইসে?
আপনার অজান্তেই রেকর্ড হতে পারে কথাবার্তা
প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, এআই-নির্ভর পরিধানযোগ্য ডিভাইসের ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের পরিধিও বাড়ছে। আগে স্মার্টওয়াচ বা ফিটনেস ট্র্যাকার মূলত হাঁটাচলা, হৃদস্পন্দন কিংবা ঘুমের তথ্য সংগ্রহ করত। এখন এআই যুক্ত হওয়ায় এসব ডিভাইস ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবেও কাজ করছে।
‘গ্লোবাল ডেটা’র টেলিকম বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক আমান্ডা মিচেলের বক্তব্য অনুযায়ী, এআই পরিধানযোগ্য প্রযুক্তিকে কেবল তথ্য সংগ্রহের যন্ত্র হিসেবে সীমাবদ্ধ রাখছে না। ডিভাইসের ধরন ও অনুমতির ওপর নির্ভর করে ব্যবহারকারীর হয়ে ফ্লাইট বুকিং, কেনাকাটা কিংবা কথোপকথনের আগের অংশ মনে করিয়ে দেওয়ার মতো কাজও করতে পারে।
কিন্তু সমস্যা হলো, এসব সুবিধা দিতে গিয়ে ডিভাইসগুলোকে নানা ধরনের ব্যক্তিগত তথ্যের প্রবেশাধিকার দিতে হয়। স্মার্ট গ্লাসের ক্যামেরা ও মাইক্রোফোনের মাধ্যমে আশপাশের দৃশ্য কিংবা কথাবার্তা ধারণ হতে পারে। অনেক সময় আশপাশে থাকা অন্য ব্যক্তিরাও বুঝতে পারেন না যে তাদের ছবি বা কথোপকথন রেকর্ড হচ্ছে।
এছাড়া ডিভাইসের সঙ্গে যুক্ত অ্যাপ ও এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট অনুমতি পেলে ই-মেইল, ক্যালেন্ডার, স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য কিংবা ব্যক্তিগত কথোপকথনের মতো সংবেদনশীল তথ্যও ব্যবহার করতে পারে। ফলে শুধু ডিভাইসটির মালিক নন, তার আশপাশের মানুষের গোপনীয়তাও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
প্রযুক্তির সুবিধা, কিন্তু গোপনীয়তার নিশ্চয়তা কোথায়?
স্মার্ট গ্লাসের মতো ডিভাইসে ক্যামেরা ও রেকর্ডিং সুবিধা থাকায় গোপনীয়তা নিয়ে আগে থেকেই প্রশ্ন উঠেছে। ব্যবহারকারীদের উদ্বেগের মুখে নির্মাতাদের কেউ কেউ রেকর্ডিংয়ের সংকেত বা ব্যবহারের নিয়মে পরিবর্তন এনেছেন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু রেকর্ডিংয়ের সংকেত থাকলেই গোপনীয়তা নিশ্চিত হয় না। কী তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে, কোথায় সংরক্ষণ করা হচ্ছে এবং কারা সেগুলো ব্যবহার করতে পারছে এসব বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ।
মিচেলের মতে, নতুন নতুন এআই ডিভাইস বাজারে আনার ক্ষেত্রে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত এগোলেও ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত পরিসর সুরক্ষার বিষয়টি একই গুরুত্ব পাচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
গোপনীয়তা রক্ষায় নির্মাতাদেরও দায়িত্ব রয়েছে
ব্যবহারকারীর তথ্য সুরক্ষার দায়িত্ব শুধু ব্যক্তির ওপর ছেড়ে দেওয়া যায় না। ডিভাইস নির্মাতা ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও শুরু থেকেই নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার বিষয়টি গুরুত্ব দিতে হবে।
ইউরোপীয় ডাটা প্রোটেকশন বোর্ডও এ ক্ষেত্রে নির্মাতাদের দায়িত্বের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য কীভাবে সংগ্রহ ও ব্যবহার করা হচ্ছে, সে বিষয়ে স্বচ্ছতা থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে প্রয়োজনের অতিরিক্ত তথ্য সংগ্রহ না করা এবং তথ্য ব্যবহারের ওপর ব্যবহারকারীর নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করাও জরুরি।
ব্যবহারকারীরা কী সতর্কতা নেবেন?
এআই-চালিত স্মার্ট গ্লাস বা অন্য কোনো পরিধানযোগ্য ডিভাইস ব্যবহারের আগে সেটির গোপনীয়তা নীতি পড়ে নেওয়া ভালো। কোন কোন তথ্য সংগ্রহ করা হয় এবং সেগুলো কোথায় সংরক্ষণ করা হয়, তা জেনে নেওয়া উচিত।
অপ্রয়োজনীয় ক্যামেরা, মাইক্রোফোন ও লোকেশন ব্যবহারের অনুমতি বন্ধ রাখুন।
ই-মেইল, ক্যালেন্ডার ও স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্যের প্রবেশাধিকার দেওয়ার আগে প্রয়োজন যাচাই করুন।
ডিভাইসের সফটওয়্যার ও নিরাপত্তা আপডেট নিয়মিত ইনস্টল করুন।
ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল কথোপকথনের সময় রেকর্ডিং সুবিধা বন্ধ রাখুন।
রেকর্ডিং বা ছবি তোলার আগে আশপাশের মানুষের সম্মতি ও গোপনীয়তার বিষয়টি বিবেচনা করুন।
এআইয়ের সাহায্যে দৈনন্দিন জীবন সহজ হচ্ছে, এতে সন্দেহ নেই। কিন্তু প্রতিটি কাজের জন্য প্রযুক্তিকে ব্যক্তিগত জীবনের আরও গভীরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া কতটা নিরাপদ, সেটিও ভাবার বিষয়। সুবিধা পাওয়ার পাশাপাশি নিজের তথ্যের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।