ঢাকা ০১:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo পুঁজিবাজার প্রাতিষ্ঠানিক ও পুরোপুরি কাগজবিহীন করার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর Logo ভিন্নমত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের শক্তি : মাহদী আমিন Logo রাজনৈতিক পরিচয়ে কারো প্রতি বৈষম্য হবে না : ৪৯তম বিসিএস প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo শাপলা এখন শরীয়তপুরের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবিকায়নের অংশ Logo বিনিয়োগ, এলএনজি সরবরাহ ও দক্ষতা উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo সরকার সর্বশক্তি দিয়ে দেশে আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করবে: প্রধানমন্ত্রী Logo দল ছেড়ে ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় রোনালদো Logo কতদিন পরপর ফোন বদলাবেন? Logo মিষ্টি ভালো লাগলেও কম খাবেন যারা Logo ‘দুনিয়াদারি হোক যাই ভেতরে রবের জিকির চাই’, মিশা সওদাগর

মঠবাড়িয়ায় কে এম লতীফ স্কুলের পানির প্লান্টের ৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার ঐতিহ্যবাহী শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খাস মহল লতীফ ইনস্টিটিউশনে অবস্থিত লবনাক্ত দূরীকরণ প্লান্ট থেকে বিশুদ্ধ খাবার পানি বিক্রির টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে। প্লান্ট রক্ষণাবেক্ষণ কমিটির সভাপতি হওয়ার সুবাদে এ টাকা আত্মসাৎ করেন তিনি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মঠবাড়িয়া পৌর শহরে সুপেয় পানির সংকট দূর করতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উদ্যোগে ২০১৮ সালে প্লান্টটি স্থাপন করা হয়। প্লান্টটি থেকে দৈনিক প্রতি ঘন্টায় ১৫‘শ লিটার সুপেয় পানি উৎপাদন করা সম্ভব। প্রথমে প্রতি লিটার পানি ৫০ পয়সা দরে গ্রাহকরা কিনতে পারলেও পরে ২০২৪ সালে ১ টাকা করা হয়। আর এতে দৈনিক গড়ে আয় হয় ৩ হাজার টাকা। মাসে ৯০ হাজার টাকা। কেয়ারটেকর, বিদ্যুৎ বিল ও মেরামত খরচ বাদে অবশিষ্ট টাকা ব্যাংকে জমা রাখার কথা থাকলেও এ টাকা পকেটস্থ করে রাখার অভিযোগ খলিলুর রহমামানের বিরুদ্ধে। প্লান্টটি স্থাপনের পর থেকে এ পর্যন্ত একবার মাত্র ৫৯ হাজার টাকা পূবালী ব্যাংক মঠবাড়িয়া শাখায় জমা করেছেন তিনি। সুপেয় পানি বিক্রির প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা না রেখে আত্মসাৎ করেন তিনি। এছাড়াও কেয়ার টেকার আঃ মন্নান বিভিন্ন সময় প্লান্টের টেকনিক্যাল সমস্যা দেখিয়ে ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করে কয়েক লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট কমিটিকে রহস্যজনকভাবে ম্যানেজ করে জনস্বাস্থ্য অফিসের প্রকৌশলীকে আদৌ কোন অবগত না করে মনগড়াভাবে সাতক্ষীরা সহ দুর দূরান্ত থেকে মেকানিক এনে এ ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করেছেন তিনি। এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া জনস্বাস্থ্য অফিসের উপ সহকারী প্রকৌশলী খাইরুল ইসলাম জানান, প্লান্টটিতে টেকনিক্যাল সমস্যা বা বড় ধরনের কোন মেরামত প্রয়োজন হলে জনস্বাস্থ্য অফিসকে অবগত করার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কেয়ারটেকার ও কমিটির লোকজন আমাদের অফিসে কিছু না জানিয়ে বাহির থেকে মেকানিক এনে লাখ লাখ টাকার ভাউচার করেছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এ ব্যাপারে কে এম লতীফ ইনস্টিটিউশন এর অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) খলিলুর রহমান তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্লান্টটিতে কোন প্রকার টেকনিক্যাল সমস্যা জনস্বাস্থ্য বিভাগকে অবহিত করলেও বিভিন্ন সময় তারা টেকনিশিয়ান সংকট দেয়ায়। যে কারনে বাহিরের টেকনিমিয়ান দিয়ে কাজ করাই।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পুঁজিবাজার প্রাতিষ্ঠানিক ও পুরোপুরি কাগজবিহীন করার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর

মঠবাড়িয়ায় কে এম লতীফ স্কুলের পানির প্লান্টের ৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৪:৫৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার ঐতিহ্যবাহী শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খাস মহল লতীফ ইনস্টিটিউশনে অবস্থিত লবনাক্ত দূরীকরণ প্লান্ট থেকে বিশুদ্ধ খাবার পানি বিক্রির টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে। প্লান্ট রক্ষণাবেক্ষণ কমিটির সভাপতি হওয়ার সুবাদে এ টাকা আত্মসাৎ করেন তিনি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মঠবাড়িয়া পৌর শহরে সুপেয় পানির সংকট দূর করতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উদ্যোগে ২০১৮ সালে প্লান্টটি স্থাপন করা হয়। প্লান্টটি থেকে দৈনিক প্রতি ঘন্টায় ১৫‘শ লিটার সুপেয় পানি উৎপাদন করা সম্ভব। প্রথমে প্রতি লিটার পানি ৫০ পয়সা দরে গ্রাহকরা কিনতে পারলেও পরে ২০২৪ সালে ১ টাকা করা হয়। আর এতে দৈনিক গড়ে আয় হয় ৩ হাজার টাকা। মাসে ৯০ হাজার টাকা। কেয়ারটেকর, বিদ্যুৎ বিল ও মেরামত খরচ বাদে অবশিষ্ট টাকা ব্যাংকে জমা রাখার কথা থাকলেও এ টাকা পকেটস্থ করে রাখার অভিযোগ খলিলুর রহমামানের বিরুদ্ধে। প্লান্টটি স্থাপনের পর থেকে এ পর্যন্ত একবার মাত্র ৫৯ হাজার টাকা পূবালী ব্যাংক মঠবাড়িয়া শাখায় জমা করেছেন তিনি। সুপেয় পানি বিক্রির প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা না রেখে আত্মসাৎ করেন তিনি। এছাড়াও কেয়ার টেকার আঃ মন্নান বিভিন্ন সময় প্লান্টের টেকনিক্যাল সমস্যা দেখিয়ে ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করে কয়েক লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট কমিটিকে রহস্যজনকভাবে ম্যানেজ করে জনস্বাস্থ্য অফিসের প্রকৌশলীকে আদৌ কোন অবগত না করে মনগড়াভাবে সাতক্ষীরা সহ দুর দূরান্ত থেকে মেকানিক এনে এ ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করেছেন তিনি। এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া জনস্বাস্থ্য অফিসের উপ সহকারী প্রকৌশলী খাইরুল ইসলাম জানান, প্লান্টটিতে টেকনিক্যাল সমস্যা বা বড় ধরনের কোন মেরামত প্রয়োজন হলে জনস্বাস্থ্য অফিসকে অবগত করার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কেয়ারটেকার ও কমিটির লোকজন আমাদের অফিসে কিছু না জানিয়ে বাহির থেকে মেকানিক এনে লাখ লাখ টাকার ভাউচার করেছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এ ব্যাপারে কে এম লতীফ ইনস্টিটিউশন এর অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) খলিলুর রহমান তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্লান্টটিতে কোন প্রকার টেকনিক্যাল সমস্যা জনস্বাস্থ্য বিভাগকে অবহিত করলেও বিভিন্ন সময় তারা টেকনিশিয়ান সংকট দেয়ায়। যে কারনে বাহিরের টেকনিমিয়ান দিয়ে কাজ করাই।