ঢাকা ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বোয়ালমারী প্রাণিসম্পদ দপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ; প্রশ্নের মুখে উন্নয়ন বরাদ্দ ও মাঠসেবা Logo ঈশ্বরগঞ্জে গভীর রাতে কৃষি ব্যাংকে ডাকাতির চেষ্টা-যুবক গ্রেফতার Logo সাংবাদিক আলিফ হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন Logo বালাগঞ্জ-ওসমানীনগর উপজেলা কল্যাণ সমিতি, সিলেটের নতুন কমিটি গঠন Logo সুনামগঞ্জের ৪৪৪টি পূজামন্ডপে সম্পন্ন হলো শারদীয় দুর্গাপূজা, প্রতিমা বির্সজনে সমাপ্ত Logo স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর প্রচেষ্টায় সেই জলকদর খালে এবার নির্মিত হবে পাকা সেতু Logo রাউজান কদলপুরে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রাক্তন ছাত্র সমিতির বই বিতরণ Logo মতলবে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৬৪ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জগন্নাথকাঠীতে রাতের অন্ধকারে সন্ত্রাসী কায়দায় প্রতিষ্ঠানে তালা! Logo দলের দুঃসময়ে পাশে ছিলেন, পহরডাঙ্গা ইউপিতে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ঠাকুর আবুল আজম

আজ কোস্ট গার্ডের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় আজ উদযাপিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। আজ মঙ্গলবার যথাযোগ্য মর্যাদা ও আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে আগারগাঁওস্থ কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হবে।
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়েছে।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ উপস্থিত থাকবেন।
এ ছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উচ্চ পদস্থ সামরিক ও অসামরিক অতিথিবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোস্ট গার্ডের কর্মকর্তা, নাবিক এবং অসামরিক ব্যক্তিবর্গের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের জন্য চার জনকে কোস্ট গার্ড পদক, চার জনকে কোস্ট গার্ড (সেবা) পদক, তিন জনকে প্রেসিডেন্ট কোস্ট গার্ড পদক ও
তিন জনকে প্রেসিডেন্ট কোস্ট গার্ড (সেবা) পদকসহ মোট ১৪ জনকে পদক প্রদান করবেন।
১৯৯৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশের সুবিশাল উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও সম্ভাবনাকে সুরক্ষিত করতে, উক্ত বাহিনী গঠনের প্রয়োজনীয়তা বিশেষভাবে অনুধাবন করে এই বাহিনীর ‘আইনি ভিত্তি’ প্রণয়ন করেন।
তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও দুরদর্শী নেতৃত্বের মাধ্যমে ১৯৯৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি অত্র বাহিনীর গোড়াপত্তন হয় এবং তাঁর প্রত্যক্ষ উপস্থিতিতে ১৯৯৫ সালের ১৯ ডিসেম্বর শুভ উদ্বোধনের মাধ্যমে অত্র বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।
জনগণের প্রত্যাশা ও দূরদর্শী নেতৃত্বের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই বাহিনী, প্রায় তিন দশক ধরে অদম্য দেশপ্রেম, অটুট নিষ্ঠা, প্রশ্নাতীত পেশাদারিত্ব ও অসীম সাহসিকতায় উপকূল ও নদী তীরবর্তী মানুষের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক হিসেবে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
ঐতিহাসিক এই পথচলায় বর্তমানে চারটি জোনে বিভক্ত হয়ে এই বাহিনী-৬৩টি স্টেশন ও আউটপোস্ট, ২৮টি জাহাজ ও ১৩৮টি দ্রুতগামী বোটের মাধ্যমে দেশের বিস্তীর্ণ সমুদ্র ও ২১ জেলার উপকূল ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সংরক্ষণ, বন্দর সমূহের নিরাপত্তা, ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের সুরক্ষা, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ, মানবপাচার রোধ, দুর্যোগকালীন উদ্ধার ও সহায়তা এবং দস্যুতা দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বোয়ালমারী প্রাণিসম্পদ দপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ; প্রশ্নের মুখে উন্নয়ন বরাদ্দ ও মাঠসেবা

আজ কোস্ট গার্ডের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

আপডেট সময় ০৬:১৮:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় আজ উদযাপিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। আজ মঙ্গলবার যথাযোগ্য মর্যাদা ও আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে আগারগাঁওস্থ কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হবে।
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়েছে।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ উপস্থিত থাকবেন।
এ ছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উচ্চ পদস্থ সামরিক ও অসামরিক অতিথিবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোস্ট গার্ডের কর্মকর্তা, নাবিক এবং অসামরিক ব্যক্তিবর্গের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের জন্য চার জনকে কোস্ট গার্ড পদক, চার জনকে কোস্ট গার্ড (সেবা) পদক, তিন জনকে প্রেসিডেন্ট কোস্ট গার্ড পদক ও
তিন জনকে প্রেসিডেন্ট কোস্ট গার্ড (সেবা) পদকসহ মোট ১৪ জনকে পদক প্রদান করবেন।
১৯৯৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশের সুবিশাল উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও সম্ভাবনাকে সুরক্ষিত করতে, উক্ত বাহিনী গঠনের প্রয়োজনীয়তা বিশেষভাবে অনুধাবন করে এই বাহিনীর ‘আইনি ভিত্তি’ প্রণয়ন করেন।
তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও দুরদর্শী নেতৃত্বের মাধ্যমে ১৯৯৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি অত্র বাহিনীর গোড়াপত্তন হয় এবং তাঁর প্রত্যক্ষ উপস্থিতিতে ১৯৯৫ সালের ১৯ ডিসেম্বর শুভ উদ্বোধনের মাধ্যমে অত্র বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।
জনগণের প্রত্যাশা ও দূরদর্শী নেতৃত্বের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই বাহিনী, প্রায় তিন দশক ধরে অদম্য দেশপ্রেম, অটুট নিষ্ঠা, প্রশ্নাতীত পেশাদারিত্ব ও অসীম সাহসিকতায় উপকূল ও নদী তীরবর্তী মানুষের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক হিসেবে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
ঐতিহাসিক এই পথচলায় বর্তমানে চারটি জোনে বিভক্ত হয়ে এই বাহিনী-৬৩টি স্টেশন ও আউটপোস্ট, ২৮টি জাহাজ ও ১৩৮টি দ্রুতগামী বোটের মাধ্যমে দেশের বিস্তীর্ণ সমুদ্র ও ২১ জেলার উপকূল ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সংরক্ষণ, বন্দর সমূহের নিরাপত্তা, ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের সুরক্ষা, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ, মানবপাচার রোধ, দুর্যোগকালীন উদ্ধার ও সহায়তা এবং দস্যুতা দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।