ঢাকা ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মঠবাড়িয়ায় সৎ মা ও বোনের বিরুদ্ধে মা, স্ত্রী ও সন্তানদের বসতঘরের অবরুদ্ধ রাখার অভিযোগ : ৬ দিন পরে উদ্ধার

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে সৎ মা মাসুমা বেগম ও বোন মুসফিকা আক্তারের বিরুদ্ধে। এমনকি বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও পানির লাইন কেটে বসতঘরের সামনে ও পিছনের গেটে তালা মেরে মা, স্ত্রী ও সন্তানদের’কে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ করেন আল মামুন আকন (শামীম)। পরে স্থানীয় সালিশ বৈঠকে মিমাংসার মাধ্যমে ৬ দিন পরে উদ্ধার করা হয়েছে। মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়নের বকসির ঘটিচোর গ্রামে সম্প্রতি এ ঘটনা ঘটেছে বলে ভুক্তভোগ শামীম বুধবার (২৯ এপ্রিল) গণমাধ্যম কর্মীদের নিশ্চিত করেছেন। ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বকসির ঘটিচোর গ্রামের বাসিন্দা শাহাবুদ্দিন আকন বিগত ২০২১ সালে মৃত্যুবরন করেন। তিনি মৃত্যুর আগে সেটেলমেন্ট অফিসে কপিস্ট কাম বেঞ্চ সহকারী (বিসি) পদে কর্মরত ছিলেন এবং সেখান থেকে আয় ও পেনশন বাবদ ৭২ লক্ষ টাকা স্থানীয় পোস্ট অফিসে ডিপোজিট করেন। শাহাবুদ্দিন আকন ১ম স্ত্রী তহমিনা বেগম থাকা অবস্থায় ২য় স্ত্রী মাসুমা বেগমকে ১৯৯৪ সালে বিয়ে করেন এবং তাকে নিয়ে খুলনয় বসবাস করতেন। ২০২১ সালে শাহাবুদ্দিন আকন মৃত্যুর পরে ২য় স্ত্রী মাসুমা বেগম ও তার মেয়ে মুসফিকা আক্তার এলাকার জমিজমা, বসতঘর ও পোস্ট অফিসে ৭২ লক্ষ টাকা আত্মসাত করার জন্য শাহাবুদ্দিন আকনের ১ম স্ত্রী তহমিনা বেগম, ছেলে আল মামুন আকন (শামীম) সহ তার পরিবারের লোকজনের উপরে একেরপর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় গত ২১ এপ্রিল সৎ মা, বোন ও স্থানীয় কিছু ভাড়াটিয়া লোকজনদের সহযোগিতায় শাহাবুদ্দিন আকনের বসতঘরে থাকা আল মামুন আকন (শামীম) এর মা, স্ত্রী ও সন্তানদেরকে ঘরের ভিতরে রেখে বিদ্যুৎ এর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ও পানির লাইন কেটে বসতঘরের সামনে ও পিছনের গেটে তালা লাগিয়ে দেয়। বিষয়টি বরগুনাতে কর্মরত থাকা আল মামুন আকন (শামীম) শুনতে পেয়ে তাৎক্ষণিক মঠবাড়িয়াতে এসে বিভিন্ন দপ্তরে গিয়েও কোন ধরনের ফয়সালা পাননি। পরে একপর্যায়ে স্থানীয় সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে ৬ দিন পরে বসতঘরের তালা খুলে দেয়। বর্তমানে আল মামুন আকন (শামীম) সহ তার পরিবারের লোকজন চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন। ভুক্তভোগী শামীম জানান, আমার বাবার মৃত্যুর পরে ওয়ারিশ হিসেবে আমি, আমার দুই মা ও এক বোন অংশীদার এবং বাবার রেখে যাওয়া টাকা ও সম্পত্তি স্থানীয় সালিশ মিমাংসায় যে যতটুকু পাবে তা মেনে নিবো। কিন্তু আমার সৎ মা ও বোন আমাদের অংশ থেকে বঞ্চিত করার পায়তারা চালাচ্ছে। আমি বিষয়টির সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানাই। বিষয়টি সম্পর্কে জানার জন্যে অভিযুক্ত সৎ মা ও বোনের কাছে জানতে চাইলে তারা বসতঘরে তালা মারা ও ভাংচুর করার বিষয়টি স্বীকার করে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

মঠবাড়িয়ায় সৎ মা ও বোনের বিরুদ্ধে মা, স্ত্রী ও সন্তানদের বসতঘরের অবরুদ্ধ রাখার অভিযোগ : ৬ দিন পরে উদ্ধার

আপডেট সময় ০৯:৩১:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে সৎ মা মাসুমা বেগম ও বোন মুসফিকা আক্তারের বিরুদ্ধে। এমনকি বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও পানির লাইন কেটে বসতঘরের সামনে ও পিছনের গেটে তালা মেরে মা, স্ত্রী ও সন্তানদের’কে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ করেন আল মামুন আকন (শামীম)। পরে স্থানীয় সালিশ বৈঠকে মিমাংসার মাধ্যমে ৬ দিন পরে উদ্ধার করা হয়েছে। মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়নের বকসির ঘটিচোর গ্রামে সম্প্রতি এ ঘটনা ঘটেছে বলে ভুক্তভোগ শামীম বুধবার (২৯ এপ্রিল) গণমাধ্যম কর্মীদের নিশ্চিত করেছেন। ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বকসির ঘটিচোর গ্রামের বাসিন্দা শাহাবুদ্দিন আকন বিগত ২০২১ সালে মৃত্যুবরন করেন। তিনি মৃত্যুর আগে সেটেলমেন্ট অফিসে কপিস্ট কাম বেঞ্চ সহকারী (বিসি) পদে কর্মরত ছিলেন এবং সেখান থেকে আয় ও পেনশন বাবদ ৭২ লক্ষ টাকা স্থানীয় পোস্ট অফিসে ডিপোজিট করেন। শাহাবুদ্দিন আকন ১ম স্ত্রী তহমিনা বেগম থাকা অবস্থায় ২য় স্ত্রী মাসুমা বেগমকে ১৯৯৪ সালে বিয়ে করেন এবং তাকে নিয়ে খুলনয় বসবাস করতেন। ২০২১ সালে শাহাবুদ্দিন আকন মৃত্যুর পরে ২য় স্ত্রী মাসুমা বেগম ও তার মেয়ে মুসফিকা আক্তার এলাকার জমিজমা, বসতঘর ও পোস্ট অফিসে ৭২ লক্ষ টাকা আত্মসাত করার জন্য শাহাবুদ্দিন আকনের ১ম স্ত্রী তহমিনা বেগম, ছেলে আল মামুন আকন (শামীম) সহ তার পরিবারের লোকজনের উপরে একেরপর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় গত ২১ এপ্রিল সৎ মা, বোন ও স্থানীয় কিছু ভাড়াটিয়া লোকজনদের সহযোগিতায় শাহাবুদ্দিন আকনের বসতঘরে থাকা আল মামুন আকন (শামীম) এর মা, স্ত্রী ও সন্তানদেরকে ঘরের ভিতরে রেখে বিদ্যুৎ এর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ও পানির লাইন কেটে বসতঘরের সামনে ও পিছনের গেটে তালা লাগিয়ে দেয়। বিষয়টি বরগুনাতে কর্মরত থাকা আল মামুন আকন (শামীম) শুনতে পেয়ে তাৎক্ষণিক মঠবাড়িয়াতে এসে বিভিন্ন দপ্তরে গিয়েও কোন ধরনের ফয়সালা পাননি। পরে একপর্যায়ে স্থানীয় সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে ৬ দিন পরে বসতঘরের তালা খুলে দেয়। বর্তমানে আল মামুন আকন (শামীম) সহ তার পরিবারের লোকজন চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন। ভুক্তভোগী শামীম জানান, আমার বাবার মৃত্যুর পরে ওয়ারিশ হিসেবে আমি, আমার দুই মা ও এক বোন অংশীদার এবং বাবার রেখে যাওয়া টাকা ও সম্পত্তি স্থানীয় সালিশ মিমাংসায় যে যতটুকু পাবে তা মেনে নিবো। কিন্তু আমার সৎ মা ও বোন আমাদের অংশ থেকে বঞ্চিত করার পায়তারা চালাচ্ছে। আমি বিষয়টির সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানাই। বিষয়টি সম্পর্কে জানার জন্যে অভিযুক্ত সৎ মা ও বোনের কাছে জানতে চাইলে তারা বসতঘরে তালা মারা ও ভাংচুর করার বিষয়টি স্বীকার করে।