ঢাকা ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo পুঁজিবাজার প্রাতিষ্ঠানিক ও পুরোপুরি কাগজবিহীন করার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর Logo ভিন্নমত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের শক্তি : মাহদী আমিন Logo রাজনৈতিক পরিচয়ে কারো প্রতি বৈষম্য হবে না : ৪৯তম বিসিএস প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo শাপলা এখন শরীয়তপুরের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবিকায়নের অংশ Logo বিনিয়োগ, এলএনজি সরবরাহ ও দক্ষতা উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo সরকার সর্বশক্তি দিয়ে দেশে আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করবে: প্রধানমন্ত্রী Logo দল ছেড়ে ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় রোনালদো Logo কতদিন পরপর ফোন বদলাবেন? Logo মিষ্টি ভালো লাগলেও কম খাবেন যারা Logo ‘দুনিয়াদারি হোক যাই ভেতরে রবের জিকির চাই’, মিশা সওদাগর

এনপিটি সম্মেলনে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে জোরালো পদক্ষেপ চায় বাংলাদেশ

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি)-এর ১১তম পর্যালোচনা সম্মেলনের সাধারণ বিতর্কে বক্তব্য দেন। ছবি: প্রেস, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন

পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ ও পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধে বৈশ্বিক অঙ্গীকার নবায়ন এবং সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। গত মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি)-এর ১১তম পর্যালোচনা সম্মেলনের সাধারণ বিতর্কে দেওয়া বক্তব্যে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রদূত বলেন, জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার আট দশক অতিক্রান্ত হলেও পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব প্রতিষ্ঠা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। অব্যাহত পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি তৈরি করছে এবং বৈশ্বিক উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করছে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
নিরস্ত্রীকরণের প্রতি বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে পারমাণবিক ও প্রচলিত উভয় ধরনের অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণের পক্ষে রয়েছে এবং পারমাণবিক অস্ত্রধারী অঞ্চলে অবস্থান করেও স্বেচ্ছায় অ-পরমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে রয়েছে।
তিনি পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্রগুলোকে এনপিটি-এর অনুচ্ছেদ-৬ অনুযায়ী তাদের আইনগত বাধ্যবাধকতা পূরণের আহ্বান জানান এবং নিরস্ত্রীকরণসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তির সার্বজনীনতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, গঠনমূলক সংলাপ, পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগের মাধ্যমে পারমাণবিক হুমকি থেকে মুক্ত একটি নিরাপদ বিশ্ব গড়ে তুলতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ অব্যাহত রাখবে, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল ও নিরাপদ বিশ্ব নিশ্চিত করা যায়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পুঁজিবাজার প্রাতিষ্ঠানিক ও পুরোপুরি কাগজবিহীন করার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর

এনপিটি সম্মেলনে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে জোরালো পদক্ষেপ চায় বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৯:৪১:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ ও পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধে বৈশ্বিক অঙ্গীকার নবায়ন এবং সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। গত মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি)-এর ১১তম পর্যালোচনা সম্মেলনের সাধারণ বিতর্কে দেওয়া বক্তব্যে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রদূত বলেন, জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার আট দশক অতিক্রান্ত হলেও পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব প্রতিষ্ঠা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। অব্যাহত পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি তৈরি করছে এবং বৈশ্বিক উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করছে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
নিরস্ত্রীকরণের প্রতি বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে পারমাণবিক ও প্রচলিত উভয় ধরনের অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণের পক্ষে রয়েছে এবং পারমাণবিক অস্ত্রধারী অঞ্চলে অবস্থান করেও স্বেচ্ছায় অ-পরমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে রয়েছে।
তিনি পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্রগুলোকে এনপিটি-এর অনুচ্ছেদ-৬ অনুযায়ী তাদের আইনগত বাধ্যবাধকতা পূরণের আহ্বান জানান এবং নিরস্ত্রীকরণসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তির সার্বজনীনতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, গঠনমূলক সংলাপ, পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগের মাধ্যমে পারমাণবিক হুমকি থেকে মুক্ত একটি নিরাপদ বিশ্ব গড়ে তুলতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ অব্যাহত রাখবে, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল ও নিরাপদ বিশ্ব নিশ্চিত করা যায়।