ঢাকা ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo পুঁজিবাজার প্রাতিষ্ঠানিক ও পুরোপুরি কাগজবিহীন করার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর Logo ভিন্নমত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের শক্তি : মাহদী আমিন Logo রাজনৈতিক পরিচয়ে কারো প্রতি বৈষম্য হবে না : ৪৯তম বিসিএস প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo শাপলা এখন শরীয়তপুরের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবিকায়নের অংশ Logo বিনিয়োগ, এলএনজি সরবরাহ ও দক্ষতা উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo সরকার সর্বশক্তি দিয়ে দেশে আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করবে: প্রধানমন্ত্রী Logo দল ছেড়ে ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় রোনালদো Logo কতদিন পরপর ফোন বদলাবেন? Logo মিষ্টি ভালো লাগলেও কম খাবেন যারা Logo ‘দুনিয়াদারি হোক যাই ভেতরে রবের জিকির চাই’, মিশা সওদাগর

গণনাকেন্দ্রে যেতেই মমতাকে ঘিরে ‘চোর চোর’ স্লোগান

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনায় বড় ব্যবধানে এগিয়ে থেকে জয়ের সুবাস পেতে শুরু করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। অন্যদিকে, দেড় দশকের চেনা দুর্গ হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কায় এখন কোণঠাসা হয়ে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। পরাজয়ের এই আবহের মধ্যেই সোমবার কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে ভোট গণনাকেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে বিজেপি সমর্থকদের নজিরবিহীন বিক্ষোভ ও তোপের মুখে পড়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন গণনাকেন্দ্রে প্রবেশ করেন, তখন সেখানে উপস্থিত বিজেপি কর্মীরা তার গাড়ি ঘিরে ধরে ‘চোর চোর’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উঠলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরা এসে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেখানে বাড়তি বাহিনী মোতায়েন করা হয়। এর আগে কালীঘাটে তার বাসভবনের বাইরেও বিজেপি সমর্থকদের ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দিতে দেখা গেছে।
ভোটের ফল যখন প্রতিকূলে, তখন সোমবার দুপুরে ফেসবুক লাইভে এসে কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা রাখার চেষ্টা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভিডিও বার্তায় তাকে কিছুটা চিন্তিত দেখালেও তিনি দাবি করেন, বিজেপির এগিয়ে থাকার খবরগুলো আগে দেখানো তাদের একটি সুপরিকল্পিত কৌশল। তিনি অভিযোগ করেন, প্রায় ১০০টি স্থানে গণনার কাজ রহস্যজনকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে এবং কল্যাণীতে সাতটি ইভিএম মেশিনে কারচুপির প্রমাণ পাওয়া গেছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাতজোড় করে তার দলীয় প্রার্থী ও গণনাকেন্দ্রের এজেন্টদের উদ্দেশ্যে বলেন, “দয়া করে কাউন্টিং এজেন্ট ও প্রার্থীরা কেন্দ্র ছেড়ে আসবেন না। শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যান।” তিনি তাঁর কর্মীদের আত্মবিশ্বাসী থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন যে, বিজেপির জয়ের খবর আগে প্রচার করা হলেও চূড়ান্ত ফলাফলে পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে। তবে সামগ্রিক নির্বাচনী ট্রেন্ড বলছে, বাংলায় এবার বড় ধরনের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং গেরুয়া শাসনের সূচনা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পুঁজিবাজার প্রাতিষ্ঠানিক ও পুরোপুরি কাগজবিহীন করার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর

গণনাকেন্দ্রে যেতেই মমতাকে ঘিরে ‘চোর চোর’ স্লোগান

আপডেট সময় ০৭:২৯:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনায় বড় ব্যবধানে এগিয়ে থেকে জয়ের সুবাস পেতে শুরু করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। অন্যদিকে, দেড় দশকের চেনা দুর্গ হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কায় এখন কোণঠাসা হয়ে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। পরাজয়ের এই আবহের মধ্যেই সোমবার কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে ভোট গণনাকেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে বিজেপি সমর্থকদের নজিরবিহীন বিক্ষোভ ও তোপের মুখে পড়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন গণনাকেন্দ্রে প্রবেশ করেন, তখন সেখানে উপস্থিত বিজেপি কর্মীরা তার গাড়ি ঘিরে ধরে ‘চোর চোর’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উঠলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরা এসে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেখানে বাড়তি বাহিনী মোতায়েন করা হয়। এর আগে কালীঘাটে তার বাসভবনের বাইরেও বিজেপি সমর্থকদের ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দিতে দেখা গেছে।
ভোটের ফল যখন প্রতিকূলে, তখন সোমবার দুপুরে ফেসবুক লাইভে এসে কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা রাখার চেষ্টা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভিডিও বার্তায় তাকে কিছুটা চিন্তিত দেখালেও তিনি দাবি করেন, বিজেপির এগিয়ে থাকার খবরগুলো আগে দেখানো তাদের একটি সুপরিকল্পিত কৌশল। তিনি অভিযোগ করেন, প্রায় ১০০টি স্থানে গণনার কাজ রহস্যজনকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে এবং কল্যাণীতে সাতটি ইভিএম মেশিনে কারচুপির প্রমাণ পাওয়া গেছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাতজোড় করে তার দলীয় প্রার্থী ও গণনাকেন্দ্রের এজেন্টদের উদ্দেশ্যে বলেন, “দয়া করে কাউন্টিং এজেন্ট ও প্রার্থীরা কেন্দ্র ছেড়ে আসবেন না। শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যান।” তিনি তাঁর কর্মীদের আত্মবিশ্বাসী থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন যে, বিজেপির জয়ের খবর আগে প্রচার করা হলেও চূড়ান্ত ফলাফলে পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে। তবে সামগ্রিক নির্বাচনী ট্রেন্ড বলছে, বাংলায় এবার বড় ধরনের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং গেরুয়া শাসনের সূচনা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।