ঢাকা ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুড়িগ্রামের উলিপুরে অনুসন্ধান ও উদ্ধার উপকরণ সামগ্রী বিতরণ Logo রৌমারী রাজিবপুরে পূজামন্ডপ ও বিভিন্ন অফিস পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসন Logo দাগনভূঞার পূর্ব চন্দ্রপুর ইউপিতে বিএনপির মনোনয়ন ঘিরে বহুমুখী হিসাব-নিকাশ, আলোচনায় ১১ নেতা Logo ফটিকছড়িতে সৈয়দ গোলামুর রহমান বাবাভান্ডারীর পবিত্র খোশরোজ শরীফ Logo কলমাকান্দায় ১০ নারী ক্ষমতায়ন ও স্থিতিস্থাপক ভবিষ্যৎ গঠনে অবদানের স্বীকৃতি Logo দুর্গাপূজায় দিনাজপুর সীমান্তে ৪২ বিজিবির কঠোর নিরাপত্তা, নজরদারিতে ৮৬ ম-প Logo গাসিকের উন্নয়ন কর্মকা-ে সক্রিয় অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সুদীপ বসাকঅবকাঠামো নির্মাণ, প্রকল্প তদারকি ও নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্ব Logo পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী রাজশাহীর টি-বাঁধ পরিদর্শন করেছেন Logo সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে সেবার মান বাড়াতে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করলেন ডাঃ সোহাগ Logo নাজিরপুরে অবৈধ সার বিক্রেতার দোকানে কৃষি কর্মকর্তার অভিযানের জেরে ইউনিয়ন উপ-সহকারী কর্মকর্তার উপরে হামলা, থানায় মামলা

সাফের সেমিফাইনাল ও ভারতকে হারানো সেরা সফলতা মনে করছেন ক্যাবরেরা

বাংলাদেশের ফুটবলের সাথে হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার পথচলার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেছে ৩০ এপ্রিল। বাংলাদেশের ফুটবলে সবচেয়ে বেশি সময় কোচের দায়িত্ব পালন করা এই স্প্যানিশ এখন শুধুই অতীত। তার সাথে চুক্তি শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন নতুন কোচ নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া প্রায় শেষ করে ফেলেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে শুক্রবার জানা যাবে নতুন কোচের নাম।
বাংলাদেশ ফুটবলে অতীত হয়ে যাওয়া ক্যাবরেরা লাল-সবুজ দলের সাথে লম্বা জার্নি ও বিদায় নিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বিবৃতি দিয়ে অনেক বিষয় তুলে এনেছেন। তার হাত ধরে বাংলাদেশ ফুটবল যে সাফল্য পেয়েছে তাও উল্লেখ করেছেন ক্যাবরেরা।
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সদস্য সাবেক হওয়া এই কোচের বিবৃতি হুবহু তুলে ধরা হলো-
বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে আমার যাত্রার সমাপ্তি ঘটল।
চার বছর চার মাস পর, যা বাংলাদেশ জাতীয় দলের ইতিহাসে একজন প্রধান কোচের দীর্ঘতম মেয়াদ, আমি এমন কিছু অবিস্মরণীয় স্মৃতি ও অভিজ্ঞতা নিয়ে বিদায় নিচ্ছি, যার প্রতিটি মুহূর্ত ছিল সার্থক।
মাঠের ভেতরে ও বাইরে, আমরা অনেক দূর এগিয়েছি। কয়েকশ দর্শকের সামনে খেলা থেকে শুরু করে কানায় কানায় পূর্ণ স্টেডিয়ামের অবিস্মরণীয় রাত পর্যন্ত, আমরা এমন সব মুহূর্ত তৈরি করেছি যা বাংলাদেশ ফুটবলের ইতিহাসে চিরকাল থেকে যাবে।
একসাথে, আমরা একটি শক্তিশালী পরিচিতি এবং প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা গড়ে তুলেছি, যা আমাদেরকে মহাদেশের শক্তিশালী জাতীয় দলগুলোর বিপক্ষে ধারাবাহিকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ করে দিয়েছে। এর মাধ্যমে আমরা গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জন করেছি, যেমন — ১৪ বছর পর সাফের সেমিফাইনালে পৌঁছানো, ২২ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো কোনো আনুষ্ঠানিক ম্যাচে ভারতকে হারানো এবং ২০১৬ সালের পর সর্বোচ্চ ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে পৌঁছানো।
পরবর্তী প্রজন্মের জন্য আমরা যে পথ তৈরি করে দিয়েছি, তার জন্য আমি বিশেষভাবে গর্বিত।
এই সময়ে, ২১ জন অনূর্ধ্ব-২৩ খেলোয়াড় অভিষেক করেছেন, যা এশিয়ার অন্যতম তরুণ একটি জাতীয় দল প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করেছে এবং ভবিষ্যতের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি স্থাপন করেছে।
প্রত্যেক খেলোয়াড়, কর্মকর্তা, সমর্থক এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সকলকে ধন্যবাদ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামের উলিপুরে অনুসন্ধান ও উদ্ধার উপকরণ সামগ্রী বিতরণ

সাফের সেমিফাইনাল ও ভারতকে হারানো সেরা সফলতা মনে করছেন ক্যাবরেরা

আপডেট সময় ১২:০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

বাংলাদেশের ফুটবলের সাথে হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার পথচলার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেছে ৩০ এপ্রিল। বাংলাদেশের ফুটবলে সবচেয়ে বেশি সময় কোচের দায়িত্ব পালন করা এই স্প্যানিশ এখন শুধুই অতীত। তার সাথে চুক্তি শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন নতুন কোচ নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া প্রায় শেষ করে ফেলেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে শুক্রবার জানা যাবে নতুন কোচের নাম।
বাংলাদেশ ফুটবলে অতীত হয়ে যাওয়া ক্যাবরেরা লাল-সবুজ দলের সাথে লম্বা জার্নি ও বিদায় নিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বিবৃতি দিয়ে অনেক বিষয় তুলে এনেছেন। তার হাত ধরে বাংলাদেশ ফুটবল যে সাফল্য পেয়েছে তাও উল্লেখ করেছেন ক্যাবরেরা।
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সদস্য সাবেক হওয়া এই কোচের বিবৃতি হুবহু তুলে ধরা হলো-
বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে আমার যাত্রার সমাপ্তি ঘটল।
চার বছর চার মাস পর, যা বাংলাদেশ জাতীয় দলের ইতিহাসে একজন প্রধান কোচের দীর্ঘতম মেয়াদ, আমি এমন কিছু অবিস্মরণীয় স্মৃতি ও অভিজ্ঞতা নিয়ে বিদায় নিচ্ছি, যার প্রতিটি মুহূর্ত ছিল সার্থক।
মাঠের ভেতরে ও বাইরে, আমরা অনেক দূর এগিয়েছি। কয়েকশ দর্শকের সামনে খেলা থেকে শুরু করে কানায় কানায় পূর্ণ স্টেডিয়ামের অবিস্মরণীয় রাত পর্যন্ত, আমরা এমন সব মুহূর্ত তৈরি করেছি যা বাংলাদেশ ফুটবলের ইতিহাসে চিরকাল থেকে যাবে।
একসাথে, আমরা একটি শক্তিশালী পরিচিতি এবং প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা গড়ে তুলেছি, যা আমাদেরকে মহাদেশের শক্তিশালী জাতীয় দলগুলোর বিপক্ষে ধারাবাহিকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ করে দিয়েছে। এর মাধ্যমে আমরা গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জন করেছি, যেমন — ১৪ বছর পর সাফের সেমিফাইনালে পৌঁছানো, ২২ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো কোনো আনুষ্ঠানিক ম্যাচে ভারতকে হারানো এবং ২০১৬ সালের পর সর্বোচ্চ ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে পৌঁছানো।
পরবর্তী প্রজন্মের জন্য আমরা যে পথ তৈরি করে দিয়েছি, তার জন্য আমি বিশেষভাবে গর্বিত।
এই সময়ে, ২১ জন অনূর্ধ্ব-২৩ খেলোয়াড় অভিষেক করেছেন, যা এশিয়ার অন্যতম তরুণ একটি জাতীয় দল প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করেছে এবং ভবিষ্যতের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি স্থাপন করেছে।
প্রত্যেক খেলোয়াড়, কর্মকর্তা, সমর্থক এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সকলকে ধন্যবাদ।