ঢাকা ০২:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বোয়ালমারী প্রাণিসম্পদ দপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ; প্রশ্নের মুখে উন্নয়ন বরাদ্দ ও মাঠসেবা Logo ঈশ্বরগঞ্জে গভীর রাতে কৃষি ব্যাংকে ডাকাতির চেষ্টা-যুবক গ্রেফতার Logo সাংবাদিক আলিফ হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন Logo বালাগঞ্জ-ওসমানীনগর উপজেলা কল্যাণ সমিতি, সিলেটের নতুন কমিটি গঠন Logo সুনামগঞ্জের ৪৪৪টি পূজামন্ডপে সম্পন্ন হলো শারদীয় দুর্গাপূজা, প্রতিমা বির্সজনে সমাপ্ত Logo স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর প্রচেষ্টায় সেই জলকদর খালে এবার নির্মিত হবে পাকা সেতু Logo রাউজান কদলপুরে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রাক্তন ছাত্র সমিতির বই বিতরণ Logo মতলবে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৬৪ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জগন্নাথকাঠীতে রাতের অন্ধকারে সন্ত্রাসী কায়দায় প্রতিষ্ঠানে তালা! Logo দলের দুঃসময়ে পাশে ছিলেন, পহরডাঙ্গা ইউপিতে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ঠাকুর আবুল আজম

সাফের সেমিফাইনাল ও ভারতকে হারানো সেরা সফলতা মনে করছেন ক্যাবরেরা

বাংলাদেশের ফুটবলের সাথে হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার পথচলার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেছে ৩০ এপ্রিল। বাংলাদেশের ফুটবলে সবচেয়ে বেশি সময় কোচের দায়িত্ব পালন করা এই স্প্যানিশ এখন শুধুই অতীত। তার সাথে চুক্তি শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন নতুন কোচ নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া প্রায় শেষ করে ফেলেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে শুক্রবার জানা যাবে নতুন কোচের নাম।
বাংলাদেশ ফুটবলে অতীত হয়ে যাওয়া ক্যাবরেরা লাল-সবুজ দলের সাথে লম্বা জার্নি ও বিদায় নিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বিবৃতি দিয়ে অনেক বিষয় তুলে এনেছেন। তার হাত ধরে বাংলাদেশ ফুটবল যে সাফল্য পেয়েছে তাও উল্লেখ করেছেন ক্যাবরেরা।
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সদস্য সাবেক হওয়া এই কোচের বিবৃতি হুবহু তুলে ধরা হলো-
বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে আমার যাত্রার সমাপ্তি ঘটল।
চার বছর চার মাস পর, যা বাংলাদেশ জাতীয় দলের ইতিহাসে একজন প্রধান কোচের দীর্ঘতম মেয়াদ, আমি এমন কিছু অবিস্মরণীয় স্মৃতি ও অভিজ্ঞতা নিয়ে বিদায় নিচ্ছি, যার প্রতিটি মুহূর্ত ছিল সার্থক।
মাঠের ভেতরে ও বাইরে, আমরা অনেক দূর এগিয়েছি। কয়েকশ দর্শকের সামনে খেলা থেকে শুরু করে কানায় কানায় পূর্ণ স্টেডিয়ামের অবিস্মরণীয় রাত পর্যন্ত, আমরা এমন সব মুহূর্ত তৈরি করেছি যা বাংলাদেশ ফুটবলের ইতিহাসে চিরকাল থেকে যাবে।
একসাথে, আমরা একটি শক্তিশালী পরিচিতি এবং প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা গড়ে তুলেছি, যা আমাদেরকে মহাদেশের শক্তিশালী জাতীয় দলগুলোর বিপক্ষে ধারাবাহিকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ করে দিয়েছে। এর মাধ্যমে আমরা গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জন করেছি, যেমন — ১৪ বছর পর সাফের সেমিফাইনালে পৌঁছানো, ২২ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো কোনো আনুষ্ঠানিক ম্যাচে ভারতকে হারানো এবং ২০১৬ সালের পর সর্বোচ্চ ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে পৌঁছানো।
পরবর্তী প্রজন্মের জন্য আমরা যে পথ তৈরি করে দিয়েছি, তার জন্য আমি বিশেষভাবে গর্বিত।
এই সময়ে, ২১ জন অনূর্ধ্ব-২৩ খেলোয়াড় অভিষেক করেছেন, যা এশিয়ার অন্যতম তরুণ একটি জাতীয় দল প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করেছে এবং ভবিষ্যতের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি স্থাপন করেছে।
প্রত্যেক খেলোয়াড়, কর্মকর্তা, সমর্থক এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সকলকে ধন্যবাদ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বোয়ালমারী প্রাণিসম্পদ দপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ; প্রশ্নের মুখে উন্নয়ন বরাদ্দ ও মাঠসেবা

সাফের সেমিফাইনাল ও ভারতকে হারানো সেরা সফলতা মনে করছেন ক্যাবরেরা

আপডেট সময় ১২:০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

বাংলাদেশের ফুটবলের সাথে হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার পথচলার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেছে ৩০ এপ্রিল। বাংলাদেশের ফুটবলে সবচেয়ে বেশি সময় কোচের দায়িত্ব পালন করা এই স্প্যানিশ এখন শুধুই অতীত। তার সাথে চুক্তি শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন নতুন কোচ নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া প্রায় শেষ করে ফেলেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে শুক্রবার জানা যাবে নতুন কোচের নাম।
বাংলাদেশ ফুটবলে অতীত হয়ে যাওয়া ক্যাবরেরা লাল-সবুজ দলের সাথে লম্বা জার্নি ও বিদায় নিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বিবৃতি দিয়ে অনেক বিষয় তুলে এনেছেন। তার হাত ধরে বাংলাদেশ ফুটবল যে সাফল্য পেয়েছে তাও উল্লেখ করেছেন ক্যাবরেরা।
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সদস্য সাবেক হওয়া এই কোচের বিবৃতি হুবহু তুলে ধরা হলো-
বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে আমার যাত্রার সমাপ্তি ঘটল।
চার বছর চার মাস পর, যা বাংলাদেশ জাতীয় দলের ইতিহাসে একজন প্রধান কোচের দীর্ঘতম মেয়াদ, আমি এমন কিছু অবিস্মরণীয় স্মৃতি ও অভিজ্ঞতা নিয়ে বিদায় নিচ্ছি, যার প্রতিটি মুহূর্ত ছিল সার্থক।
মাঠের ভেতরে ও বাইরে, আমরা অনেক দূর এগিয়েছি। কয়েকশ দর্শকের সামনে খেলা থেকে শুরু করে কানায় কানায় পূর্ণ স্টেডিয়ামের অবিস্মরণীয় রাত পর্যন্ত, আমরা এমন সব মুহূর্ত তৈরি করেছি যা বাংলাদেশ ফুটবলের ইতিহাসে চিরকাল থেকে যাবে।
একসাথে, আমরা একটি শক্তিশালী পরিচিতি এবং প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা গড়ে তুলেছি, যা আমাদেরকে মহাদেশের শক্তিশালী জাতীয় দলগুলোর বিপক্ষে ধারাবাহিকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ করে দিয়েছে। এর মাধ্যমে আমরা গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জন করেছি, যেমন — ১৪ বছর পর সাফের সেমিফাইনালে পৌঁছানো, ২২ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো কোনো আনুষ্ঠানিক ম্যাচে ভারতকে হারানো এবং ২০১৬ সালের পর সর্বোচ্চ ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে পৌঁছানো।
পরবর্তী প্রজন্মের জন্য আমরা যে পথ তৈরি করে দিয়েছি, তার জন্য আমি বিশেষভাবে গর্বিত।
এই সময়ে, ২১ জন অনূর্ধ্ব-২৩ খেলোয়াড় অভিষেক করেছেন, যা এশিয়ার অন্যতম তরুণ একটি জাতীয় দল প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করেছে এবং ভবিষ্যতের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি স্থাপন করেছে।
প্রত্যেক খেলোয়াড়, কর্মকর্তা, সমর্থক এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সকলকে ধন্যবাদ।