ঢাকা ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সাহিত্য সংস্কৃতির চর্চা ছাড়া মননশীল রাজনৈতিক কর্মী ও নেতা তৈরি হয় না:এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের Logo বোয়ালমারী প্রাণিসম্পদ দপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ; প্রশ্নের মুখে উন্নয়ন বরাদ্দ ও মাঠসেবা Logo ঈশ্বরগঞ্জে গভীর রাতে কৃষি ব্যাংকে ডাকাতির চেষ্টা-যুবক গ্রেফতার Logo সাংবাদিক আলিফ হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন Logo বালাগঞ্জ-ওসমানীনগর উপজেলা কল্যাণ সমিতি, সিলেটের নতুন কমিটি গঠন Logo সুনামগঞ্জের ৪৪৪টি পূজামন্ডপে সম্পন্ন হলো শারদীয় দুর্গাপূজা, প্রতিমা বির্সজনে সমাপ্ত Logo স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর প্রচেষ্টায় সেই জলকদর খালে এবার নির্মিত হবে পাকা সেতু Logo রাউজান কদলপুরে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রাক্তন ছাত্র সমিতির বই বিতরণ Logo মতলবে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৬৪ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জগন্নাথকাঠীতে রাতের অন্ধকারে সন্ত্রাসী কায়দায় প্রতিষ্ঠানে তালা!

মধুপুরে সাংবাদিক ঐক্যের কারিগর, ইউএনও মোঃ জুবায়ের হোসেন

মধুপুর একটি উপজেলা যা টাঙ্গাইল থেকে ৫৫ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত। যদিও এটা উপজেলা তারপরেও একটি জেলা শহরের মতোই তার এরিয়া। স্বভাবগতভাবে এ অঞ্চলের লোকগুলো সংবাদ প্রেমী, ও সংবাদ এর অপেক্ষায় অধীর আগ্রহে বসে থাকেন প্রতিটি সকাল। সংবাদ প্রেমী মানুষের মাঝে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করে তাদের তৃপ্তি দিয়ে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে মধুপুরের সাংবাদিকবৃন্দ। দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নামে মাত্র সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সংবাদকে কলুষিত করেছিলেন তৎকালীন সময়ের কিছু হলুদ সাংবাদিকবৃন্দ। যার প্রেক্ষাপটে মধুপুর সংবাদকর্মীদের পৃথক দুটি ক্লাবে পরিণত হয়, একটি হচ্ছে মধুপুর প্রেসক্লাব। অন্যটি হচ্ছে উপজেলা প্রেসক্লাব মধুপুর। এ দুটো নামেই পরিচিত হয়ে সাংবাদিকগণ সংবাদ সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করেছেন। গত ৫ই আগস্ট ২০২৪ইং বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর, মধুপুরের কর্মবীর খ্যাত ইউ এন ও মোহাম্মদ জুবায়ের হোসেন দুটি ক্লাব কে একত্রিত করার মহৎ উদ্যোগ গ্রহণ করেন তার এই উদ্যোগে উভয় ক্লাবের নেতৃবৃন্দ স্বাগত জানায়। এবং দুটি ক্লাব একত্রিত হয়ে মধুপুর প্রেসক্লাব হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটে। এখন সাংবাদিকদের মধ্যে কর্মচঞ্চলতা ফিরে এসেছে। সাংবাদিক হলেন এমন একজন পেশাজীবী, যিনি বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য, সংবাদ, বা ঘটনার বিবরণ সংগ্রহ, যাচাই এবং প্রক্রিয়াজাত করে পত্রিকা, টেলিভিশন, রেডিও বা অনলাইন গণমাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে উপস্থাপন করেন। তারা সমাজের বিভিন্ন দিক, যেমন—রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ ও পরিবেশ সম্পর্কে মানুষকে অবহিত করেন এবং জনমত তৈরিতে ভূমিকা রাখেন। সাংবাদিক সম্পর্কে মূল তথ্যসমূহ: যারা সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় বিভাগে, প্রতিবেদকের কাজে বা বার্তাকক্ষে (ঘবংিৎড়ড়স) কাজ করেন, তাদের সাংবাদিক বলা হয়। তথ্য সংগ্রহ, প্রতিবেদন তৈরি, সাক্ষাৎকার গ্রহণ, সংবাদ সম্পাদনা এবং সংবাদ উপস্থাপনা। সমাজ ও রাষ্ট্রের মানুষের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিয়ে সচেতনতা তৈরি করা। রিপোর্টার, সম্পাদক, সাব-এডিটর, ফটোসাংবাদিক, এবং কলামিস্ট। সহজ কথায়, সাংবাদিক হলো সমাজের আয়না, যারা মানুষের কথা ও দেশের ঘটনার সত্যতা তুলে ধরেন, সাংবাদিকতা হলো বিভিন্ন ঘটনাবলি, বিষয়, ধারণা, মানুষ, প্রকৃতি, পরিবেশ, সমাজ, রাষ্ট্র সম্পর্কিত প্রতিবেদন তৈরি ও পরিবেশন, যা উক্ত দিনের প্রধান সংবাদ এবং তা সমাজে প্রভাব বিস্তার করে। এই পেশায় শব্দটি দিয়ে তথ্য সংগ্রহের কৌশল ও সাহিত্যিক উপায় অবলম্বনকে বোঝায়। মুদ্রিত, টেলিভিশন, বেতার, ইন্টারনেট,এবং পূর্বে ব্যবহৃত নিউজরিল সংবাদ মাধ্যমের অন্তর্গত। সাংবাদিকতার যথোপযুক্ত নিয়মের ধারণা ভিন্ন ভিন্ন দেশে ভিন্ন রকম হয়ে থাকে। কিছু দেশে, সংবাদ মাধ্যমে সরকারি হস্তক্ষেপে নিয়ন্ত্রিত হয় এবং পুরোপুরি স্বাধীন সত্তা নয়। দেশে, সংবাদ মাধ্যম সরকার থেকে স্বাধীন কিন্তু লাভ-লোকসান সাংবিধানিক নিরাপত্তার আওতায় থাকে। স্বাধীন ও প্রতিযোগিতামূলক সাংবাদিকতার মাধ্যমে সংগ্রহ করার মুক্ত উৎস থেকে প্রাপ্ত তথ্যে প্রবেশাধিকার জনগণকে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় যোগ দিতে সাহায্য করে। ১৯২০ এর দশকে যখন আধুনিক সাংবাদিকতা রূপ ধারণ করতে শুরু করে লেখক ওয়াল্টার লীগম্যান এবং মার্কিন দার্শনিক, জন ভিউয়ি” গণতন্ত্রে সাংবাদিকতার ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন করেন। তাদের এই ভিন্ন ভিন্ন দর্শন এখনো সমাজ ও রাষ্ট্রে সাংবাদিকতার ভূমিকা বিষয়ে যুক্তি প্রদর্শনে ব্যবহৃত হয়। মধুপুর প্রেসক্লাবের ভবন নির্মাণের স্বপ্ন অনেকদিনের পুরোনো, কোন ক্রমেই যেন বাস্তবায়িত হচ্ছিল না। বর্তমান কর্মবীরখ্যাত ইউ এন ও মোহাম্মদ জুবায়ের হোসেন সাহেবের সরাসরি সার্বিক অনুদান-অবদানে এবং বর্তমান কমিটির সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের প্রচেষ্টায় দৃশ্যমান একটা ভবন আমরা মধুপুরবাসী পেয়েছি। ইউ.এন.ও.মহোদয় এব্যপারে বেশ কিছু ঝুঁকি নিজের কাঁধেই নিয়েছিলেন। আমরা তাঁর প্রতি চির কৃতজ্ঞ থাকব। আমরা একসময় কেউই থাকবোনা,উনিও হয়তো বৃহত্তর দায়িত্ব নিয়ে অন্য কোন কর্মস্থলে চলে যাবেন। কিন্তু তাঁর অবদানটুকু মধুপুরবাসী শ্রদ্ধাভরে মনে রাখবে। কিন্তু দু:খজনকভাবে দু’একজন ঈর্ষাপরায়ণ অকৃতজ্ঞ ব্যক্তি কিছু কথা বলার চেষ্টা করছেন, যা প্রত্যাশিত নয়।আশা করি, তাঁরা শীঘ্রই তাঁদের ভূল বুঝতে পেরে সংশোধন হয়ে যাবেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাহিত্য সংস্কৃতির চর্চা ছাড়া মননশীল রাজনৈতিক কর্মী ও নেতা তৈরি হয় না:এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের

মধুপুরে সাংবাদিক ঐক্যের কারিগর, ইউএনও মোঃ জুবায়ের হোসেন

আপডেট সময় ১১:৪২:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

মধুপুর একটি উপজেলা যা টাঙ্গাইল থেকে ৫৫ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত। যদিও এটা উপজেলা তারপরেও একটি জেলা শহরের মতোই তার এরিয়া। স্বভাবগতভাবে এ অঞ্চলের লোকগুলো সংবাদ প্রেমী, ও সংবাদ এর অপেক্ষায় অধীর আগ্রহে বসে থাকেন প্রতিটি সকাল। সংবাদ প্রেমী মানুষের মাঝে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করে তাদের তৃপ্তি দিয়ে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে মধুপুরের সাংবাদিকবৃন্দ। দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নামে মাত্র সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সংবাদকে কলুষিত করেছিলেন তৎকালীন সময়ের কিছু হলুদ সাংবাদিকবৃন্দ। যার প্রেক্ষাপটে মধুপুর সংবাদকর্মীদের পৃথক দুটি ক্লাবে পরিণত হয়, একটি হচ্ছে মধুপুর প্রেসক্লাব। অন্যটি হচ্ছে উপজেলা প্রেসক্লাব মধুপুর। এ দুটো নামেই পরিচিত হয়ে সাংবাদিকগণ সংবাদ সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করেছেন। গত ৫ই আগস্ট ২০২৪ইং বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর, মধুপুরের কর্মবীর খ্যাত ইউ এন ও মোহাম্মদ জুবায়ের হোসেন দুটি ক্লাব কে একত্রিত করার মহৎ উদ্যোগ গ্রহণ করেন তার এই উদ্যোগে উভয় ক্লাবের নেতৃবৃন্দ স্বাগত জানায়। এবং দুটি ক্লাব একত্রিত হয়ে মধুপুর প্রেসক্লাব হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটে। এখন সাংবাদিকদের মধ্যে কর্মচঞ্চলতা ফিরে এসেছে। সাংবাদিক হলেন এমন একজন পেশাজীবী, যিনি বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য, সংবাদ, বা ঘটনার বিবরণ সংগ্রহ, যাচাই এবং প্রক্রিয়াজাত করে পত্রিকা, টেলিভিশন, রেডিও বা অনলাইন গণমাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে উপস্থাপন করেন। তারা সমাজের বিভিন্ন দিক, যেমন—রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ ও পরিবেশ সম্পর্কে মানুষকে অবহিত করেন এবং জনমত তৈরিতে ভূমিকা রাখেন। সাংবাদিক সম্পর্কে মূল তথ্যসমূহ: যারা সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় বিভাগে, প্রতিবেদকের কাজে বা বার্তাকক্ষে (ঘবংিৎড়ড়স) কাজ করেন, তাদের সাংবাদিক বলা হয়। তথ্য সংগ্রহ, প্রতিবেদন তৈরি, সাক্ষাৎকার গ্রহণ, সংবাদ সম্পাদনা এবং সংবাদ উপস্থাপনা। সমাজ ও রাষ্ট্রের মানুষের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিয়ে সচেতনতা তৈরি করা। রিপোর্টার, সম্পাদক, সাব-এডিটর, ফটোসাংবাদিক, এবং কলামিস্ট। সহজ কথায়, সাংবাদিক হলো সমাজের আয়না, যারা মানুষের কথা ও দেশের ঘটনার সত্যতা তুলে ধরেন, সাংবাদিকতা হলো বিভিন্ন ঘটনাবলি, বিষয়, ধারণা, মানুষ, প্রকৃতি, পরিবেশ, সমাজ, রাষ্ট্র সম্পর্কিত প্রতিবেদন তৈরি ও পরিবেশন, যা উক্ত দিনের প্রধান সংবাদ এবং তা সমাজে প্রভাব বিস্তার করে। এই পেশায় শব্দটি দিয়ে তথ্য সংগ্রহের কৌশল ও সাহিত্যিক উপায় অবলম্বনকে বোঝায়। মুদ্রিত, টেলিভিশন, বেতার, ইন্টারনেট,এবং পূর্বে ব্যবহৃত নিউজরিল সংবাদ মাধ্যমের অন্তর্গত। সাংবাদিকতার যথোপযুক্ত নিয়মের ধারণা ভিন্ন ভিন্ন দেশে ভিন্ন রকম হয়ে থাকে। কিছু দেশে, সংবাদ মাধ্যমে সরকারি হস্তক্ষেপে নিয়ন্ত্রিত হয় এবং পুরোপুরি স্বাধীন সত্তা নয়। দেশে, সংবাদ মাধ্যম সরকার থেকে স্বাধীন কিন্তু লাভ-লোকসান সাংবিধানিক নিরাপত্তার আওতায় থাকে। স্বাধীন ও প্রতিযোগিতামূলক সাংবাদিকতার মাধ্যমে সংগ্রহ করার মুক্ত উৎস থেকে প্রাপ্ত তথ্যে প্রবেশাধিকার জনগণকে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় যোগ দিতে সাহায্য করে। ১৯২০ এর দশকে যখন আধুনিক সাংবাদিকতা রূপ ধারণ করতে শুরু করে লেখক ওয়াল্টার লীগম্যান এবং মার্কিন দার্শনিক, জন ভিউয়ি” গণতন্ত্রে সাংবাদিকতার ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন করেন। তাদের এই ভিন্ন ভিন্ন দর্শন এখনো সমাজ ও রাষ্ট্রে সাংবাদিকতার ভূমিকা বিষয়ে যুক্তি প্রদর্শনে ব্যবহৃত হয়। মধুপুর প্রেসক্লাবের ভবন নির্মাণের স্বপ্ন অনেকদিনের পুরোনো, কোন ক্রমেই যেন বাস্তবায়িত হচ্ছিল না। বর্তমান কর্মবীরখ্যাত ইউ এন ও মোহাম্মদ জুবায়ের হোসেন সাহেবের সরাসরি সার্বিক অনুদান-অবদানে এবং বর্তমান কমিটির সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের প্রচেষ্টায় দৃশ্যমান একটা ভবন আমরা মধুপুরবাসী পেয়েছি। ইউ.এন.ও.মহোদয় এব্যপারে বেশ কিছু ঝুঁকি নিজের কাঁধেই নিয়েছিলেন। আমরা তাঁর প্রতি চির কৃতজ্ঞ থাকব। আমরা একসময় কেউই থাকবোনা,উনিও হয়তো বৃহত্তর দায়িত্ব নিয়ে অন্য কোন কর্মস্থলে চলে যাবেন। কিন্তু তাঁর অবদানটুকু মধুপুরবাসী শ্রদ্ধাভরে মনে রাখবে। কিন্তু দু:খজনকভাবে দু’একজন ঈর্ষাপরায়ণ অকৃতজ্ঞ ব্যক্তি কিছু কথা বলার চেষ্টা করছেন, যা প্রত্যাশিত নয়।আশা করি, তাঁরা শীঘ্রই তাঁদের ভূল বুঝতে পেরে সংশোধন হয়ে যাবেন।