ঢাকা ১০:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ভারতে বিক্ষোভকারীদের ওপর ‘অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ’ বন্ধের আহ্বান জাতিসংঘের Logo ফুটপাত পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার Logo সাড়ে ৬ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ হাজার ৯৬৩ শিশু নিহত Logo দুর্নীতি বন্ধ করতে হলে আগে রাজনৈতিক নেতাদের দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে: আইনমন্ত্রী Logo নরসিংদীতে জনপ্রিয় মালয়েশিয়ার রুটি চানাই Logo সকল ধর্মের মানুষের সমান নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতে জাতীয় কমিটি গঠনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo চট্টগ্রামে নেতাকর্মীদের ‘নতুন বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী Logo দক্ষিণ আমেরিকায় রপ্তানি বাড়াতে উদ্যোগ, তিন মাসে আয় ১৯ কোটি ৫২ লাখ ডলার Logo ম্যাকগ্রার রেকর্ড ভেঙে স্টার্কের ইতিহাস, নিলেন ৪৫০ উইকেট Logo সিসি ক্যামেরা নাকি আইপি ক্যামেরা, নিরাপত্তায় কোনটি সেরা?

সরকারিভাবে ধান-চাল কৃষকের কাছ থেকে সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন

কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলায় শুরু হয়েছে সরকারিভাবে ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম। কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে এবং খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে এই কার্যক্রম শুরু হয়। সোমবার উপজেলা খাদ্যগুদাম প্রাঙ্গণে কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান ক্রয়ের মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় কৃষক, খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখেন, এ এফ এম শামিম, বলেন কৃষকের ঘাম ঝরানো ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান ও চাল সংগ্রহ করছে। এতে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসলের সঠিক মূল্য পাবেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি সায়েকুল হাসান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তৌফিক আল জুবায়ের উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুর রশীদ, খাদ্য পরিদর্শক আজমত আলীসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে সরকার নির্ধারিত মূল্যে রাজিবপুর উপজেলায় কৃষকদের কাছ থেকে ৩৬ টাকা কেজি দরে ২১২ মেট্রিক টন ধান এবং ৪৯ টাকা কেজি দরে ৩৭৯ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ করা হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এই কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বক্তারা বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারি খাদ্যগুদামে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারের এ উদ্যোগের ফলে কৃষকরা যেমন আর্থিকভাবে লাভবান হবেন, তেমনি দেশের খাদ্য মজুত ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী হবে। সরকারের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকরাও। তারা জানান, খোলা বাজারে অনেক সময় ধানের ন্যায্যমূল্য পাওয়া যায় না। সরকারিভাবে ধান বিক্রির সুযোগ পেয়ে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতে বিক্ষোভকারীদের ওপর ‘অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ’ বন্ধের আহ্বান জাতিসংঘের

সরকারিভাবে ধান-চাল কৃষকের কাছ থেকে সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন

আপডেট সময় ০১:১৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলায় শুরু হয়েছে সরকারিভাবে ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম। কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে এবং খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে এই কার্যক্রম শুরু হয়। সোমবার উপজেলা খাদ্যগুদাম প্রাঙ্গণে কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান ক্রয়ের মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় কৃষক, খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখেন, এ এফ এম শামিম, বলেন কৃষকের ঘাম ঝরানো ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান ও চাল সংগ্রহ করছে। এতে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসলের সঠিক মূল্য পাবেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি সায়েকুল হাসান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তৌফিক আল জুবায়ের উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুর রশীদ, খাদ্য পরিদর্শক আজমত আলীসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে সরকার নির্ধারিত মূল্যে রাজিবপুর উপজেলায় কৃষকদের কাছ থেকে ৩৬ টাকা কেজি দরে ২১২ মেট্রিক টন ধান এবং ৪৯ টাকা কেজি দরে ৩৭৯ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ করা হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এই কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বক্তারা বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারি খাদ্যগুদামে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারের এ উদ্যোগের ফলে কৃষকরা যেমন আর্থিকভাবে লাভবান হবেন, তেমনি দেশের খাদ্য মজুত ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী হবে। সরকারের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকরাও। তারা জানান, খোলা বাজারে অনেক সময় ধানের ন্যায্যমূল্য পাওয়া যায় না। সরকারিভাবে ধান বিক্রির সুযোগ পেয়ে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।