ঢাকা ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo পুঁজিবাজার প্রাতিষ্ঠানিক ও পুরোপুরি কাগজবিহীন করার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর Logo ভিন্নমত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের শক্তি : মাহদী আমিন Logo রাজনৈতিক পরিচয়ে কারো প্রতি বৈষম্য হবে না : ৪৯তম বিসিএস প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo শাপলা এখন শরীয়তপুরের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবিকায়নের অংশ Logo বিনিয়োগ, এলএনজি সরবরাহ ও দক্ষতা উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo সরকার সর্বশক্তি দিয়ে দেশে আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করবে: প্রধানমন্ত্রী Logo দল ছেড়ে ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় রোনালদো Logo কতদিন পরপর ফোন বদলাবেন? Logo মিষ্টি ভালো লাগলেও কম খাবেন যারা Logo ‘দুনিয়াদারি হোক যাই ভেতরে রবের জিকির চাই’, মিশা সওদাগর

কামতা গ্যাসক্ষেত্রে নতুন কূপ খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে বাংলাদেশকে জ্বালানি খাতে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা হবে। আগামী জুনে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। তিনি বুধবার (২০ মে) দুপুরে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার কামতা গ্যাসক্ষেত্রে মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন কূপ খনন কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, “জ্বালানি খাতে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে নিতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।” তিনি জানান, কামতা-২ এবং তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের তিনটিসহ মোট চারটি নতুন কূপ খনন শুরু হয়েছে। এসব কূপ থেকে আগামী বছরের জুনের মধ্যে দৈনিক ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, “নতুন গ্যাস উৎপাদন শুরু হলে গ্যাস সংকটে বন্ধ বা আংশিক চালু থাকা শিল্পকারখানাগুলো পূর্ণোদ্যমে উৎপাদনে ফিরতে পারবে। এতে যেমন শিল্প খাত গতিশীল হবে, তেমনি সৃষ্টি হবে হাজারো মানুষের কর্মসংস্থান।” তিনি বলেন, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়লে বিদেশ থেকে জ্বালানি আমদানির প্রয়োজন কমবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মান্নান, বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. আব্দুল জলিল প্রামাণিক, পেট্রোবাংলার পরিচালক (অর্থ) এ কে এম মিজানুর রহমান এবং প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী এ কে এম জসীম উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। কামতা গ্যাসক্ষেত্রে নতুন কূপ খনন কার্যক্রম দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, শিল্পখাতে গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পুঁজিবাজার প্রাতিষ্ঠানিক ও পুরোপুরি কাগজবিহীন করার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর

কামতা গ্যাসক্ষেত্রে নতুন কূপ খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন

আপডেট সময় ০৩:১৩:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে বাংলাদেশকে জ্বালানি খাতে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা হবে। আগামী জুনে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। তিনি বুধবার (২০ মে) দুপুরে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার কামতা গ্যাসক্ষেত্রে মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন কূপ খনন কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, “জ্বালানি খাতে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে নিতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।” তিনি জানান, কামতা-২ এবং তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের তিনটিসহ মোট চারটি নতুন কূপ খনন শুরু হয়েছে। এসব কূপ থেকে আগামী বছরের জুনের মধ্যে দৈনিক ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, “নতুন গ্যাস উৎপাদন শুরু হলে গ্যাস সংকটে বন্ধ বা আংশিক চালু থাকা শিল্পকারখানাগুলো পূর্ণোদ্যমে উৎপাদনে ফিরতে পারবে। এতে যেমন শিল্প খাত গতিশীল হবে, তেমনি সৃষ্টি হবে হাজারো মানুষের কর্মসংস্থান।” তিনি বলেন, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়লে বিদেশ থেকে জ্বালানি আমদানির প্রয়োজন কমবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মান্নান, বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. আব্দুল জলিল প্রামাণিক, পেট্রোবাংলার পরিচালক (অর্থ) এ কে এম মিজানুর রহমান এবং প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী এ কে এম জসীম উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। কামতা গ্যাসক্ষেত্রে নতুন কূপ খনন কার্যক্রম দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, শিল্পখাতে গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।