ঢাকা ১০:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুড়িগ্রামের উলিপুরে অনুসন্ধান ও উদ্ধার উপকরণ সামগ্রী বিতরণ Logo রৌমারী রাজিবপুরে পূজামন্ডপ ও বিভিন্ন অফিস পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসন Logo দাগনভূঞার পূর্ব চন্দ্রপুর ইউপিতে বিএনপির মনোনয়ন ঘিরে বহুমুখী হিসাব-নিকাশ, আলোচনায় ১১ নেতা Logo ফটিকছড়িতে সৈয়দ গোলামুর রহমান বাবাভান্ডারীর পবিত্র খোশরোজ শরীফ Logo কলমাকান্দায় ১০ নারী ক্ষমতায়ন ও স্থিতিস্থাপক ভবিষ্যৎ গঠনে অবদানের স্বীকৃতি Logo দুর্গাপূজায় দিনাজপুর সীমান্তে ৪২ বিজিবির কঠোর নিরাপত্তা, নজরদারিতে ৮৬ ম-প Logo গাসিকের উন্নয়ন কর্মকা-ে সক্রিয় অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সুদীপ বসাকঅবকাঠামো নির্মাণ, প্রকল্প তদারকি ও নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্ব Logo পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী রাজশাহীর টি-বাঁধ পরিদর্শন করেছেন Logo সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে সেবার মান বাড়াতে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করলেন ডাঃ সোহাগ Logo নাজিরপুরে অবৈধ সার বিক্রেতার দোকানে কৃষি কর্মকর্তার অভিযানের জেরে ইউনিয়ন উপ-সহকারী কর্মকর্তার উপরে হামলা, থানায় মামলা

সিলেট টেস্ট: পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করলো বাংলাদেশ

গতকাল বুধবার মিরপুরের পর সিলেটেও দাপট ধরে রেখে ইতিহাস গড়লো বাংলাদেশ। দুই ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে ঘরের মাটিতে প্রথমবারের মতো দলটিকে হোয়াইটওয়াশ করার গৌরব অর্জন করলো টাইগাররা। ৪৩৭ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ম্যাচের পঞ্চম দিনে ৩৫৮ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান।
চতুর্থ দিন শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল ৭ উইকেটে ৩১৬ রান। জয়ের জন্য শেষ দিনে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ১২১ রান, আর বাংলাদেশের দরকার ছিল ৩ উইকেট। দিনের শুরুতে নাহিদ রানার বলে মোহাম্মদ রিজওয়ানের ক্যাচ স্লিপে মিস করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। জীবন পেয়ে সাজিদ খানকে সাথে নিয়ে অষ্টম উইকেটে ৫৪ রানের বিপজ্জনক জুটি গড়েন রিজওয়ান। অবশেষে ম্যাচের ৯৬তম ওভারে সাজিদ খানকে (২৮) স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর ক্যাচ বানিয়ে ব্রেকথ্রু এনে দেন বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। এই উইকেটের মাধ্যমে টেস্টে নিজের ১৮তম ফাইফার পূর্ণ করেন তিনি। পরের ওভারেই পেসার শরীফুল ইসলাম প্রথম বলে আঘাত হানেন। সেঞ্চুরির দোড়গোড়ায় থাকা মোহাম্মদ রিজওয়ানকে (৯৪) গালিতে মিরাজের ক্যাচে পরিণত করেন তিনি। শেষ উইকেট হিসেবে খুররম শাহজাদকে তানজিদ হাসানের ক্যাচ বানিয়ে পাকিস্তানের ইনিংস গুটিয়ে দেন তাইজুল। দ্বিতীয় ইনিংসে ১২০ রানে ৬ উইকেট নেন এই স্পিনার।
এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে লিটন দাসের ১২৬ রানের ওপর ভর করে ২৭৮ রান তোলে বাংলাদেশ। জবাবে ২৩২ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। ৪৬ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩৯০ রানের পাহাড় দাঁড় করায় বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় ইনিংসে ২৩৩ বলে ১৩৭ রানের মহাকাব্যিক ইনিংস খেলেন মুশফিকুর রহিম। এই শতকের মাধ্যমে টেস্টে ১৪টি সেঞ্চুরি নিয়ে মুমিনুল হককে টপকে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বো”চ টেস্ট সেঞ্চুরির একক রেকর্ড গড়েন তিনি। একই সাথে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৬ হাজার রানের মাইলফলকও স্পর্শ করেন মুশফিক।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামের উলিপুরে অনুসন্ধান ও উদ্ধার উপকরণ সামগ্রী বিতরণ

সিলেট টেস্ট: পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করলো বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৯:৩১:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

গতকাল বুধবার মিরপুরের পর সিলেটেও দাপট ধরে রেখে ইতিহাস গড়লো বাংলাদেশ। দুই ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে ঘরের মাটিতে প্রথমবারের মতো দলটিকে হোয়াইটওয়াশ করার গৌরব অর্জন করলো টাইগাররা। ৪৩৭ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ম্যাচের পঞ্চম দিনে ৩৫৮ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান।
চতুর্থ দিন শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল ৭ উইকেটে ৩১৬ রান। জয়ের জন্য শেষ দিনে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ১২১ রান, আর বাংলাদেশের দরকার ছিল ৩ উইকেট। দিনের শুরুতে নাহিদ রানার বলে মোহাম্মদ রিজওয়ানের ক্যাচ স্লিপে মিস করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। জীবন পেয়ে সাজিদ খানকে সাথে নিয়ে অষ্টম উইকেটে ৫৪ রানের বিপজ্জনক জুটি গড়েন রিজওয়ান। অবশেষে ম্যাচের ৯৬তম ওভারে সাজিদ খানকে (২৮) স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর ক্যাচ বানিয়ে ব্রেকথ্রু এনে দেন বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। এই উইকেটের মাধ্যমে টেস্টে নিজের ১৮তম ফাইফার পূর্ণ করেন তিনি। পরের ওভারেই পেসার শরীফুল ইসলাম প্রথম বলে আঘাত হানেন। সেঞ্চুরির দোড়গোড়ায় থাকা মোহাম্মদ রিজওয়ানকে (৯৪) গালিতে মিরাজের ক্যাচে পরিণত করেন তিনি। শেষ উইকেট হিসেবে খুররম শাহজাদকে তানজিদ হাসানের ক্যাচ বানিয়ে পাকিস্তানের ইনিংস গুটিয়ে দেন তাইজুল। দ্বিতীয় ইনিংসে ১২০ রানে ৬ উইকেট নেন এই স্পিনার।
এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে লিটন দাসের ১২৬ রানের ওপর ভর করে ২৭৮ রান তোলে বাংলাদেশ। জবাবে ২৩২ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। ৪৬ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩৯০ রানের পাহাড় দাঁড় করায় বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় ইনিংসে ২৩৩ বলে ১৩৭ রানের মহাকাব্যিক ইনিংস খেলেন মুশফিকুর রহিম। এই শতকের মাধ্যমে টেস্টে ১৪টি সেঞ্চুরি নিয়ে মুমিনুল হককে টপকে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বো”চ টেস্ট সেঞ্চুরির একক রেকর্ড গড়েন তিনি। একই সাথে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৬ হাজার রানের মাইলফলকও স্পর্শ করেন মুশফিক।