ঢাকা ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অপসোসেলাইনের স্যালাইনে ‘শ্যাওলা-ময়লা’! রোগীর জীবনের ঝুঁকির অভিযোগ

বাজারে থাকা একটি স্যালাইনের বোতলের ভেতরে শ্যাওলা ও ময়লার মতো পদার্থ দেখা যাওয়ায় চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ। অভিযোগ উঠেছে, কোম্পানির উৎপাদিত একটি স্যালাইনের বোতলে এমন দৃশ্য দেখা গেছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, স্যালাইনটির উৎপাদনের তারিখ অক্টোবর ২০২৫ এবং মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ অক্টোবর ২০২৮ উল্লেখ রয়েছে। তবে বোতলের ভেতরে দৃশ্যমান শ্যাওলা ও ময়লার মতো পদার্থ দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ভুক্তভোগীরা। তাদের দাবি, “যে স্যালাইন মানুষের জীবন বাঁচানোর কথা, সেটিই যদি দূষিত হয় তাহলে রোগীরা কোথায় নিরাপত্তা পাবে?” স্বাস্থ্যসচেতন মহল বলছে, ইনজেকশন বা ইনফিউশন জাতীয় স্যালাইনে সামান্য দূষণও রোগীর শরীরে মারাত্মক সংক্রমণ, রক্তদূষণ কিংবা প্রাণহানির কারণ হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন পণ্য বাজারে আসা ও হাসপাতাল কিংবা ফার্মেসিতে পৌঁছানো স্বাস্থ্যখাতের তদারকির দুর্বলতাকে সামনে নিয়ে এসেছে। বাংলাদেশে স্যালাইনের নিরাপত্তা ও উৎপাদন মান নিয়ে আগেও উদ্বেগ দেখা গেছে। সম্প্রতি দেশে সরকারি পর্যায়ে আইভি স্যালাইন উৎপাদন বন্ধ থাকায় বেসরকারি কোম্পানির ওপর নির্ভরতা বেড়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এ ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং বাজারে থাকা সংশ্লিষ্ট ব্যাচের স্যালাইন পরীক্ষা করার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা। পাশাপাশি ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপও কামনা করেছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

অপসোসেলাইনের স্যালাইনে ‘শ্যাওলা-ময়লা’! রোগীর জীবনের ঝুঁকির অভিযোগ

আপডেট সময় ০২:৪৭:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

বাজারে থাকা একটি স্যালাইনের বোতলের ভেতরে শ্যাওলা ও ময়লার মতো পদার্থ দেখা যাওয়ায় চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ। অভিযোগ উঠেছে, কোম্পানির উৎপাদিত একটি স্যালাইনের বোতলে এমন দৃশ্য দেখা গেছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, স্যালাইনটির উৎপাদনের তারিখ অক্টোবর ২০২৫ এবং মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ অক্টোবর ২০২৮ উল্লেখ রয়েছে। তবে বোতলের ভেতরে দৃশ্যমান শ্যাওলা ও ময়লার মতো পদার্থ দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ভুক্তভোগীরা। তাদের দাবি, “যে স্যালাইন মানুষের জীবন বাঁচানোর কথা, সেটিই যদি দূষিত হয় তাহলে রোগীরা কোথায় নিরাপত্তা পাবে?” স্বাস্থ্যসচেতন মহল বলছে, ইনজেকশন বা ইনফিউশন জাতীয় স্যালাইনে সামান্য দূষণও রোগীর শরীরে মারাত্মক সংক্রমণ, রক্তদূষণ কিংবা প্রাণহানির কারণ হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন পণ্য বাজারে আসা ও হাসপাতাল কিংবা ফার্মেসিতে পৌঁছানো স্বাস্থ্যখাতের তদারকির দুর্বলতাকে সামনে নিয়ে এসেছে। বাংলাদেশে স্যালাইনের নিরাপত্তা ও উৎপাদন মান নিয়ে আগেও উদ্বেগ দেখা গেছে। সম্প্রতি দেশে সরকারি পর্যায়ে আইভি স্যালাইন উৎপাদন বন্ধ থাকায় বেসরকারি কোম্পানির ওপর নির্ভরতা বেড়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এ ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং বাজারে থাকা সংশ্লিষ্ট ব্যাচের স্যালাইন পরীক্ষা করার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা। পাশাপাশি ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপও কামনা করেছেন।