ঢাকা ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo জগন্নাথপুরে বাঁশের সাঁকোর বদলে ব্রিজ নির্মাণের দাবি, কয়ছর আহমদ এমপির সহযোগিতা কামনা এলাকাবাসীর Logo গজারিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা Logo লালমোহনে এসএসসির বৃত্তির ফলাফলে হা-মীমের শিক্ষার্থীদের চমক Logo ক্যান্সার সচেতনতামূলক সংলাপ ও পথশিশুদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ Logo উপকুলের লবনাক্ত আবহাওয়া মাটিতে সাবেক ব্যাংকার জিয়াউদ্দিনের মাল্টা চাষে সফলতা Logo টঙ্গী পাইলট স্কুল অ্যান্ড গার্লস কলেজে নতুন এডহক কমিটি, সভাপতি সরকার জাবেদ আহমেদ Logo শিবগঞ্জে ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা Logo লোহাগাড়ায় ১০০ মিটারের মধ্যে ৯টি অবৈধ করাতকল গিলে খাচ্ছে সংরক্ষিত বনাঞ্চল Logo চৌদ্দগ্রামে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার Logo জামালপুরে ৫ম উপজেলা কাব ক্যাম্পুরীর মহা তাবু জলসা ও সমাপনী

কয়রায় জমি বিরোধে সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, আহত বেশ কয়েকজন

খুলনার কয়রা উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এক সাংবাদিকের পৈতৃক বাড়িতে দফায় দফায় হামলা, ভাঙচুর ও গাছপালা কেটে সাবাড় করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের শিমলারআইট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলায় সাংবাদিকের ভাইসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আক্রান্ত সাংবাদিক মো. আবদুল হালিম জাতীয় দৈনিক ‘জনতা’র চিফ ফটো সাংবাদিক ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাবেক নির্বাহী সদস্য। এছাড়া তিনি খুলনা বিভাগীয় সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকার দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। স্থানীয় ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, শিমলারআইট গ্রামের একটি জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে সাংবাদিক আবদুল হালিমের পরিবারের সঙ্গে প্রতিপক্ষ সিরাজুল সরদার গংদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। গত ৩১ মে (রোববার) ওই জমিতে উভয় পক্ষ অবস্থান নিলে একপর্যায়ে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এরই জেরে প্রতিপক্ষ সিরাজুল সরদারের নেতৃত্বে একদল লোক সাংবাদিক আবদুল হালিমের বাড়িতে আকস্মিক হামলা চালায়।
হামলাকারীরা বসতঘর ভাঙচুর করে এবং বাড়িতে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা কেটে সাবাড় করে দেয়। হামলা ঠেকাতে গিয়ে সাংবাদিকের ভাই আবুল কাশেমসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তবে দুজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদেরকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, হামলার রেশ কাটতে না কাটতে পরের দিন (১ জুন) প্রতিপক্ষরা আবারো তাদের বাড়ির মাটি কেটে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় নিরুপায় হয়ে আইনি প্রতিকার চেয়ে সাংবাদিক আবদুল হালিমের ভাই আবুল কাশেম বাদী হয়ে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি, তদন্ত) মো. শাহ আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি জানার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ আমরা পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জগন্নাথপুরে বাঁশের সাঁকোর বদলে ব্রিজ নির্মাণের দাবি, কয়ছর আহমদ এমপির সহযোগিতা কামনা এলাকাবাসীর

কয়রায় জমি বিরোধে সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, আহত বেশ কয়েকজন

আপডেট সময় ১২:২৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

খুলনার কয়রা উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এক সাংবাদিকের পৈতৃক বাড়িতে দফায় দফায় হামলা, ভাঙচুর ও গাছপালা কেটে সাবাড় করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের শিমলারআইট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলায় সাংবাদিকের ভাইসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আক্রান্ত সাংবাদিক মো. আবদুল হালিম জাতীয় দৈনিক ‘জনতা’র চিফ ফটো সাংবাদিক ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাবেক নির্বাহী সদস্য। এছাড়া তিনি খুলনা বিভাগীয় সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকার দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। স্থানীয় ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, শিমলারআইট গ্রামের একটি জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে সাংবাদিক আবদুল হালিমের পরিবারের সঙ্গে প্রতিপক্ষ সিরাজুল সরদার গংদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। গত ৩১ মে (রোববার) ওই জমিতে উভয় পক্ষ অবস্থান নিলে একপর্যায়ে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এরই জেরে প্রতিপক্ষ সিরাজুল সরদারের নেতৃত্বে একদল লোক সাংবাদিক আবদুল হালিমের বাড়িতে আকস্মিক হামলা চালায়।
হামলাকারীরা বসতঘর ভাঙচুর করে এবং বাড়িতে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা কেটে সাবাড় করে দেয়। হামলা ঠেকাতে গিয়ে সাংবাদিকের ভাই আবুল কাশেমসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তবে দুজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদেরকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, হামলার রেশ কাটতে না কাটতে পরের দিন (১ জুন) প্রতিপক্ষরা আবারো তাদের বাড়ির মাটি কেটে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় নিরুপায় হয়ে আইনি প্রতিকার চেয়ে সাংবাদিক আবদুল হালিমের ভাই আবুল কাশেম বাদী হয়ে কয়রা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি, তদন্ত) মো. শাহ আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি জানার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ আমরা পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।