ঢাকা ১০:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সাহিত্য সংস্কৃতির চর্চা ছাড়া মননশীল রাজনৈতিক কর্মী ও নেতা তৈরি হয় না:এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের Logo বোয়ালমারী প্রাণিসম্পদ দপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ; প্রশ্নের মুখে উন্নয়ন বরাদ্দ ও মাঠসেবা Logo ঈশ্বরগঞ্জে গভীর রাতে কৃষি ব্যাংকে ডাকাতির চেষ্টা-যুবক গ্রেফতার Logo সাংবাদিক আলিফ হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন Logo বালাগঞ্জ-ওসমানীনগর উপজেলা কল্যাণ সমিতি, সিলেটের নতুন কমিটি গঠন Logo সুনামগঞ্জের ৪৪৪টি পূজামন্ডপে সম্পন্ন হলো শারদীয় দুর্গাপূজা, প্রতিমা বির্সজনে সমাপ্ত Logo স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর প্রচেষ্টায় সেই জলকদর খালে এবার নির্মিত হবে পাকা সেতু Logo রাউজান কদলপুরে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রাক্তন ছাত্র সমিতির বই বিতরণ Logo মতলবে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৬৪ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জগন্নাথকাঠীতে রাতের অন্ধকারে সন্ত্রাসী কায়দায় প্রতিষ্ঠানে তালা!

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি হলেন ড. খলিলুর রহমান

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। মঙ্গলবার (২ জুন) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের প্রার্থীকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন তিনি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা যায়, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদের নির্বাচনে সর্বমোট ১৯০টি দেশ অংশ নেয়। এর মধ্যে ড. খলিলুর রহমান পেয়েছেন ৯৯টি দেশের ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিস পেয়েছেন ৯১টি দেশের সমর্থন।
এ নির্বাচনে ড. খলিলুর রহমানকে জয়ী করতে নিরলস কাজ করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টরা। নির্বাচনে দেশে-দেশে কূটনৈতিকভাবে ড. খলিলুর রহমানের পাশাপাশি যোগাযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।
জাতিসংঘের প্রচলিত আঞ্চলিক রোটেশন পদ্ধতি অনুযায়ী ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির পদটি এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের জন্য নির্ধারিত ছিল। এ পদে বাংলাদেশের প্রার্থী হিসেবে ড. খলিলুর রহমান এবং সাইপ্রাসের প্রার্থী হিসেবে আন্দ্রেয়াস এস. কাকৌরিস প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
এই বিজয়ের মাধ্যমে প্রায় চার দশক পর আবারও বাংলাদেশের একজন প্রতিনিধি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেলেন। এর আগে ১৯৮৬-৮৭ সালে বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন।
ইউএনজিএ ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির পদে নির্বাচিত হতে প্রায় চার বছর আগে থেকেই কূটনৈতিক প্রচার শুরু করেছিল বাংলাদেশ। এ পদে প্রথমে ফিলিস্তিন প্রার্থিতা ঘোষণা করলেও পরে তারা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেয়। ফলে চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় বাংলাদেশ ও সাইপ্রাসের মধ্যে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি প্রতি বছর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ভোটে নির্বাচিত হন। এ নির্বাচনে জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রত্যেকটির একটি করে ভোটাধিকার থাকে। সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী প্রার্থী সভাপতি নির্বাচিত হন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাহিত্য সংস্কৃতির চর্চা ছাড়া মননশীল রাজনৈতিক কর্মী ও নেতা তৈরি হয় না:এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি হলেন ড. খলিলুর রহমান

আপডেট সময় ১০:১০:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। মঙ্গলবার (২ জুন) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের প্রার্থীকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন তিনি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা যায়, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদের নির্বাচনে সর্বমোট ১৯০টি দেশ অংশ নেয়। এর মধ্যে ড. খলিলুর রহমান পেয়েছেন ৯৯টি দেশের ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিস পেয়েছেন ৯১টি দেশের সমর্থন।
এ নির্বাচনে ড. খলিলুর রহমানকে জয়ী করতে নিরলস কাজ করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টরা। নির্বাচনে দেশে-দেশে কূটনৈতিকভাবে ড. খলিলুর রহমানের পাশাপাশি যোগাযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।
জাতিসংঘের প্রচলিত আঞ্চলিক রোটেশন পদ্ধতি অনুযায়ী ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির পদটি এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের জন্য নির্ধারিত ছিল। এ পদে বাংলাদেশের প্রার্থী হিসেবে ড. খলিলুর রহমান এবং সাইপ্রাসের প্রার্থী হিসেবে আন্দ্রেয়াস এস. কাকৌরিস প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
এই বিজয়ের মাধ্যমে প্রায় চার দশক পর আবারও বাংলাদেশের একজন প্রতিনিধি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেলেন। এর আগে ১৯৮৬-৮৭ সালে বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন।
ইউএনজিএ ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির পদে নির্বাচিত হতে প্রায় চার বছর আগে থেকেই কূটনৈতিক প্রচার শুরু করেছিল বাংলাদেশ। এ পদে প্রথমে ফিলিস্তিন প্রার্থিতা ঘোষণা করলেও পরে তারা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেয়। ফলে চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় বাংলাদেশ ও সাইপ্রাসের মধ্যে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি প্রতি বছর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ভোটে নির্বাচিত হন। এ নির্বাচনে জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রত্যেকটির একটি করে ভোটাধিকার থাকে। সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী প্রার্থী সভাপতি নির্বাচিত হন।