ঢাকা ১২:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo নতুন করে ১ লাখ এতিম শিক্ষার্থীকে সহায়তা দেওয়া হবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী Logo আমার ছেলে সাঁতার জানতো, ঘটনা ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে: তাহসিফ সাউরির বাবা Logo জয়ের পর প্রতিদ্বন্দ্বীর বাড়িতে মির্জা ফয়সল আমিন Logo তিন সংকটের বেড়াজালে পেঁয়াজচাষিরা, লাভের হিসাব কঠিন Logo রূপপুর প্রকল্পে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু Logo জাপানি বিনিয়োগে ৫ বছরে বাংলাদেশে দুই লাখ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা Logo সাগর-নদীতে কাক্সিক্ষত ইলিশ আহরণের প্রত্যাশায় ৫ লক্ষাধিক জেলে Logo কৃষিঋণ মওকুফে স্বস্তিতে ১৪ লাখ কৃষক : চাঙ্গা হচ্ছে গ্রামীণ অর্থনীতি Logo এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশ আরও তিন বছর সময় পেল Logo এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আজ

জাদুকাটা নদীতে লুটেপুটে দে মা চেটেপুটে খাই অবস্থা : এসপি বললেন নদীর পাড়ে একটি পিপড়াও নামতে পারবেনা

“জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নাম ভাঙিয়ে, তাহিরপুর উপজেলার বালুখেকো হায়েনারা, আজ রাতেও প্রস্তুতি নিচ্ছে, উচ্চ আদালত কর্তৃক নিষিদ্ধ, পরিবেশ বিধ্বংসী ড্রেজার (বোমামেশিন) দিয়ে বালু লুটের। পরশুদিনের মতো, আপনারা চাইলে, (সোহালা, গাঘটিয়া পাক্কার মাথা এবং লাউরেরগড়) এর আপামর জনসাধারণ,প্রতিরোধ করা সম্ভব”। মঙ্গলবার (১৬ জুন) দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে এই মুহুর্তে স্থানীয় তাহিরপুর উপজেলার কামড়াবন্দ গ্রামের বাসিন্দা সাজ্জাদ হোসেনের ফেইসবুক পোষ্টের সংবাদ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। কমেন্টে বক্সে এসে শাহজাহান আহমেদ বলেন, ভাতিজা, এখন লাউড়েরগড় পর্যন্ত চলে আসছে। রুকন উদ্দিন বলেন ,ইতিমধ্যে ঘাগটিয়া নাকি পাড়কাটা শুরু হয়েছে। এর আগে সাজ্জাদ হোসেনের ফেইসবুকে উল্লেখ করা হয়,“রূপের নদী জাদুকাটায় চলছে,পরিবেশ বিধ্বংসী বোমা মেশিন দিয়ে বালু লুটের প্রস্ততি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ১৪ জুন রবিবার রাতে সাজ্জাদ হোসেন তার ফেইসবুকে উল্লেখ করেন চলিতেছে, একটু পরেই ভিডিও ফুটেজ আপলোড করা হবে। আমি কথা দিচ্ছি, আপনারা সকলেই যদি আমার পরিবারের সদস্যদের দায়িত্ব নেন,তাহলে আমি জাদুকাটাসহ হাওর অধ্যুষিত ভাটির জনপদ এবং পর্যটন সমৃদ্ধ তাহিরপুর উপজেলার লুটেরাদের নাম ফেসবুক লাইভে বলে দিব। সারোয়ার ইবনে গিয়াস উল্লেখ করেন লুটেপুটে দে মা চেটেপুটে খাই অবস্থা। স্থানীয় লাউড়েরগড় গ্রামের আরেক বাসিন্দা মোবারক হোসেন তার পোস্টে উল্লেখ করেন,“যাদুকাটা নদীতে বিজিবি ক্যাম্পের পাশে ইজারার বাহিরে চলছে অবৈধ বালু খেকোদের তান্ডব। বিজিবি ক্যাম্পের নাকের ডগায় এমন অবৈধ কর্মকান্ড ঘটলে তাদের কোনো ভূমিকা না থাকায় স্থানীয় সচেতনমহল ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। যেখানে কোনো ইজারা নেই সেখান থেকে কিভাবে বালি উত্তোলন করে দিনে ও রাতে। লাউড়েরগড় ফুটবল খেলার মাঠের পাশ থেকে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করছে কিছু সিন্ডিকেট চক্র। বিজিবি কি নাকে তেল দিয়ে ঘুমায় নাকি,উনাদের কাজটা কি”? আমি তাহিরপুর থানা পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এমনিভাবে যার যা ইচ্ছা বলেন, লেখেন কিন্তু কোনকিছুতেই থামছেনা জাদুকাটা নদীর পাড় কাটা। প্রতিরাতে তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের পাটানপাড়া বাজারের সামনে ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়নের মিয়ারচর গ্রামের সামনে ড্রেজার মেশিন দিয়ে ইজারামুক্ত এলাকা হতে নদীর পাড় কেটে বালু উত্তোলনের মহোৎসব চলছে। প্রতিরাতে কমপক্ষে ৮০/৯০টি ড্রেজার মেশিন দ্বারা বালি লুটতরাজ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাবাসী ও স্থানীয় সাংবাদিকরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার,এসিল্যান্ড,তাহিরপুর থানার ওসি,বাদাঘাট ফাড়ি ইনচার্জ কে ঘটনার কথা মোবাইলে অবগত করার জন্য একাধিকবার কল করেও কোন প্রতিকার পাননা। কিন্তু গভীর রাতে সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন পিপিএম অনেকেরই মোবাইল ফোন রিসিভ করেন। তিনি বলেন, ইজারাদাররা আদালতে রিট দায়েরক্রমে ড্রেজার ও শ্যালো মেশিন দ্বারা বালি উত্তোলনের জন্য নির্দেশনা পেয়েছেন বলে শুনা যাচ্ছে। ইজারাদারকে লীজ দিয়েছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। এখানে ড্রেজার ব্যবহার হলে পুলিশ প্রশাসনের কোন কিছু করার থাকেনা। আপনারা নদীর পাড় কাটা হলে পুলিশ প্রশাসনকে বলবেন অন্যথায় এতরাতে কল করবেননা। এছাড়া পুলিশের কন্ট্রোলরুম,ফাড়ি ও থানা ওসিকে আগে বলবেন হুট করে এসপিকে কল করা ঠিকনা। তিনি বলেন,ইজারাস্বত্ত কার কি সমাচার আমরা জানিনা। জানে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। ইজারাদানকারী কর্তৃপক্ষ ও গ্রহনকারী যারা তাদের মধ্যে থেকে জবাবদিহীতা নিশ্চিত করতে হবে। আমরা পুলিশ প্রশাসন তখনই ব্যবস্থা নেব কেউ যদি নদীর পাড় কাটে। আমাদের বক্তব্য স্পষ্ট নদীর পাড় কাটাতো দূরের কথা ,নদীর পাড়ে একটি পিপড়াও নামতে পারবেনা। পুলিশ সুপার বলেন,নদীর পাড় কাটা বন্ধ করার জন্য পুলিশ প্রশাসন ৫১টা মামলায় ২৯৯ জনকে আসামী করেছে। কিন্তু একজনকেও হাজত কাঠানো যায়নি। অপরাধীরা আইনের ফাকফোকড়ে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে অপরাধ করে যাচ্ছে। নদীর পাড় কাটা বন্ধে বিদ্যমান বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ (যার সর্বশেষ সংশোধনী ২০২৩ সালে সম্পন্ন হয়েছে) এর পরিবর্তে মোবাইল কোর্ট করে জেল দিতে হবে। পুলিশ প্রশাসন একা একাজ করতে পারবেনা। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন,বিজিবি,র্যা ব ও পুলিশ প্রশাসনকে নিয়ে সম্মিলিত অভিযান পরিচালনা করতে হবে। এজন্য জেলা প্রশাসনকেই উদ্যোগ নিতে হবে। যাদুকাটা নদীর দুতীরের কোন কোন বাসিন্দারা বলেন, জেলা পুলিশ সুপারের বক্তব্যে বুঝা যায় নদীর পাড় কাটা বন্ধে তিনি আন্তরিক। তার নির্দেশে ১৫ জুন দিবাগত রাতে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা পুলিশ প্রশাসনকে মিয়ারচর ঘাটে পাহারা দিতে দেখা গেছে। কিন্তু জেলা প্রশাসন ঘুনাক্ষরেও রাতের বেলা জাদুকাটা নদীতে কোন অভিযান পরিচালনা করেনা। ফলে পুলিশ প্রশাসন একা আন্তরিক হলেও জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের রহস্যজনক নিরব ভূমিকার কারণে প্রতিরাত ১২টা থেকে ভোর ৭টা পর্যন্ত ড্রেজার মেশিন দ্বারা জাদুকাটা নদীর তীর কেটে বালি লুটতরাজ করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে সরকারের খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন জাদুকাটা নদীর পাড়ের বাসিন্দারা। আয়োজনে : সচেতন সুনামগঞ্জবাসী।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন করে ১ লাখ এতিম শিক্ষার্থীকে সহায়তা দেওয়া হবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

জাদুকাটা নদীতে লুটেপুটে দে মা চেটেপুটে খাই অবস্থা : এসপি বললেন নদীর পাড়ে একটি পিপড়াও নামতে পারবেনা

আপডেট সময় ০৩:৫২:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

“জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নাম ভাঙিয়ে, তাহিরপুর উপজেলার বালুখেকো হায়েনারা, আজ রাতেও প্রস্তুতি নিচ্ছে, উচ্চ আদালত কর্তৃক নিষিদ্ধ, পরিবেশ বিধ্বংসী ড্রেজার (বোমামেশিন) দিয়ে বালু লুটের। পরশুদিনের মতো, আপনারা চাইলে, (সোহালা, গাঘটিয়া পাক্কার মাথা এবং লাউরেরগড়) এর আপামর জনসাধারণ,প্রতিরোধ করা সম্ভব”। মঙ্গলবার (১৬ জুন) দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে এই মুহুর্তে স্থানীয় তাহিরপুর উপজেলার কামড়াবন্দ গ্রামের বাসিন্দা সাজ্জাদ হোসেনের ফেইসবুক পোষ্টের সংবাদ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। কমেন্টে বক্সে এসে শাহজাহান আহমেদ বলেন, ভাতিজা, এখন লাউড়েরগড় পর্যন্ত চলে আসছে। রুকন উদ্দিন বলেন ,ইতিমধ্যে ঘাগটিয়া নাকি পাড়কাটা শুরু হয়েছে। এর আগে সাজ্জাদ হোসেনের ফেইসবুকে উল্লেখ করা হয়,“রূপের নদী জাদুকাটায় চলছে,পরিবেশ বিধ্বংসী বোমা মেশিন দিয়ে বালু লুটের প্রস্ততি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ১৪ জুন রবিবার রাতে সাজ্জাদ হোসেন তার ফেইসবুকে উল্লেখ করেন চলিতেছে, একটু পরেই ভিডিও ফুটেজ আপলোড করা হবে। আমি কথা দিচ্ছি, আপনারা সকলেই যদি আমার পরিবারের সদস্যদের দায়িত্ব নেন,তাহলে আমি জাদুকাটাসহ হাওর অধ্যুষিত ভাটির জনপদ এবং পর্যটন সমৃদ্ধ তাহিরপুর উপজেলার লুটেরাদের নাম ফেসবুক লাইভে বলে দিব। সারোয়ার ইবনে গিয়াস উল্লেখ করেন লুটেপুটে দে মা চেটেপুটে খাই অবস্থা। স্থানীয় লাউড়েরগড় গ্রামের আরেক বাসিন্দা মোবারক হোসেন তার পোস্টে উল্লেখ করেন,“যাদুকাটা নদীতে বিজিবি ক্যাম্পের পাশে ইজারার বাহিরে চলছে অবৈধ বালু খেকোদের তান্ডব। বিজিবি ক্যাম্পের নাকের ডগায় এমন অবৈধ কর্মকান্ড ঘটলে তাদের কোনো ভূমিকা না থাকায় স্থানীয় সচেতনমহল ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। যেখানে কোনো ইজারা নেই সেখান থেকে কিভাবে বালি উত্তোলন করে দিনে ও রাতে। লাউড়েরগড় ফুটবল খেলার মাঠের পাশ থেকে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করছে কিছু সিন্ডিকেট চক্র। বিজিবি কি নাকে তেল দিয়ে ঘুমায় নাকি,উনাদের কাজটা কি”? আমি তাহিরপুর থানা পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এমনিভাবে যার যা ইচ্ছা বলেন, লেখেন কিন্তু কোনকিছুতেই থামছেনা জাদুকাটা নদীর পাড় কাটা। প্রতিরাতে তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের পাটানপাড়া বাজারের সামনে ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়নের মিয়ারচর গ্রামের সামনে ড্রেজার মেশিন দিয়ে ইজারামুক্ত এলাকা হতে নদীর পাড় কেটে বালু উত্তোলনের মহোৎসব চলছে। প্রতিরাতে কমপক্ষে ৮০/৯০টি ড্রেজার মেশিন দ্বারা বালি লুটতরাজ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাবাসী ও স্থানীয় সাংবাদিকরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার,এসিল্যান্ড,তাহিরপুর থানার ওসি,বাদাঘাট ফাড়ি ইনচার্জ কে ঘটনার কথা মোবাইলে অবগত করার জন্য একাধিকবার কল করেও কোন প্রতিকার পাননা। কিন্তু গভীর রাতে সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন পিপিএম অনেকেরই মোবাইল ফোন রিসিভ করেন। তিনি বলেন, ইজারাদাররা আদালতে রিট দায়েরক্রমে ড্রেজার ও শ্যালো মেশিন দ্বারা বালি উত্তোলনের জন্য নির্দেশনা পেয়েছেন বলে শুনা যাচ্ছে। ইজারাদারকে লীজ দিয়েছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। এখানে ড্রেজার ব্যবহার হলে পুলিশ প্রশাসনের কোন কিছু করার থাকেনা। আপনারা নদীর পাড় কাটা হলে পুলিশ প্রশাসনকে বলবেন অন্যথায় এতরাতে কল করবেননা। এছাড়া পুলিশের কন্ট্রোলরুম,ফাড়ি ও থানা ওসিকে আগে বলবেন হুট করে এসপিকে কল করা ঠিকনা। তিনি বলেন,ইজারাস্বত্ত কার কি সমাচার আমরা জানিনা। জানে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। ইজারাদানকারী কর্তৃপক্ষ ও গ্রহনকারী যারা তাদের মধ্যে থেকে জবাবদিহীতা নিশ্চিত করতে হবে। আমরা পুলিশ প্রশাসন তখনই ব্যবস্থা নেব কেউ যদি নদীর পাড় কাটে। আমাদের বক্তব্য স্পষ্ট নদীর পাড় কাটাতো দূরের কথা ,নদীর পাড়ে একটি পিপড়াও নামতে পারবেনা। পুলিশ সুপার বলেন,নদীর পাড় কাটা বন্ধ করার জন্য পুলিশ প্রশাসন ৫১টা মামলায় ২৯৯ জনকে আসামী করেছে। কিন্তু একজনকেও হাজত কাঠানো যায়নি। অপরাধীরা আইনের ফাকফোকড়ে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে অপরাধ করে যাচ্ছে। নদীর পাড় কাটা বন্ধে বিদ্যমান বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ (যার সর্বশেষ সংশোধনী ২০২৩ সালে সম্পন্ন হয়েছে) এর পরিবর্তে মোবাইল কোর্ট করে জেল দিতে হবে। পুলিশ প্রশাসন একা একাজ করতে পারবেনা। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন,বিজিবি,র্যা ব ও পুলিশ প্রশাসনকে নিয়ে সম্মিলিত অভিযান পরিচালনা করতে হবে। এজন্য জেলা প্রশাসনকেই উদ্যোগ নিতে হবে। যাদুকাটা নদীর দুতীরের কোন কোন বাসিন্দারা বলেন, জেলা পুলিশ সুপারের বক্তব্যে বুঝা যায় নদীর পাড় কাটা বন্ধে তিনি আন্তরিক। তার নির্দেশে ১৫ জুন দিবাগত রাতে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা পুলিশ প্রশাসনকে মিয়ারচর ঘাটে পাহারা দিতে দেখা গেছে। কিন্তু জেলা প্রশাসন ঘুনাক্ষরেও রাতের বেলা জাদুকাটা নদীতে কোন অভিযান পরিচালনা করেনা। ফলে পুলিশ প্রশাসন একা আন্তরিক হলেও জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের রহস্যজনক নিরব ভূমিকার কারণে প্রতিরাত ১২টা থেকে ভোর ৭টা পর্যন্ত ড্রেজার মেশিন দ্বারা জাদুকাটা নদীর তীর কেটে বালি লুটতরাজ করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে সরকারের খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন জাদুকাটা নদীর পাড়ের বাসিন্দারা। আয়োজনে : সচেতন সুনামগঞ্জবাসী।