ঢাকা ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo দুর্গাপূজা পালনে সকল নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo বাংলাদেশের পর্যটন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় যুক্তরাজ্য : ব্রিটিশ হাইকমিশনার Logo ক্যালিফোর্নিয়ায় গুগলের সদর দপ্তর পরিদর্শন বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের Logo ১৯ কার্গো এলএনজি আসছে ঘাটতির আশংকা নেই Logo দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo বিএনপি সরকারের উদ্যোগ : তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু Logo বাংলাদেশের বিপক্ষে শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা করল অস্ট্রেলিয়া Logo ফোন নীরবে যে ৪ কাজ করে Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধ ঘর থেকেই শুরু হোক Logo মনের জটিল জট খোলার মতো ১০টি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার সিনেমা

নতুন অর্থবছরে বিদ্যালয় মেরামতের তালিকা চেয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

২০২৬-২৭ অর্থবছরের পরিচালন বাজেটের আওতায় দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর মেরামত ও সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের প্রস্তুতি শুরু করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এ লক্ষ্যে দেশের সব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে অগ্রাধিকারভিত্তিক বিদ্যালয়ের তালিকা চাওয়া হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (অর্থ) মো. মাহবুবুর রহমান বিল্লাহ স্বাক্ষরিত গত মঙ্গলবারের (৭ জুলাই) এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০ মে ২০১৩ তারিখের মেরামত ও সংস্কার সংক্রান্ত নীতিমালা অনুসরণ করে প্রতিটি উপজেলা বা থানা থেকে সর্বোচ্চ ৩০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তালিকা প্রস্তুত করতে হবে।
তালিকা প্রণয়নের ক্ষেত্রে যেসব বিদ্যালয় গত তিন বছরে কোনো খাত থেকে মেরামত বা সংস্কারের অর্থায়ন পায়নি, সেসব বিদ্যালয়কে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
এছাড়া, অধিক ক্ষতিগ্রস্ত, মধ্যম ক্ষতিগ্রস্ত এবং সাধারণ সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে, এমন বিদ্যালয়গুলোও অগ্রাধিকারভিত্তিতে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি বিদ্যালয়ের নাম, ইএমআইএস কোড, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের নাম, প্রয়োজনীয় মেরামতের ধরন (অধিক, মধ্যম, স্বল্প বা সাধারণ সংস্কার) এবং সম্ভাব্য ব্যয়ের পরিমাণ তালিকায় উল্লেখ করতে হবে।
এছাড়া তালিকাটি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা প্রকৌশলী এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) যৌথ স্বাক্ষর ও সরকারি সিলসহ পাঠাতে হবে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারদের আগামী ৩০ জুলাই, ২০২৬ তারিখের মধ্যে তালিকার মূল কপি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানোর জন্য বলা হয়েছে।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বিদ্যালয় মেরামত ও সংস্কার কার্যক্রম যথাযথভাবে বাস্তবায়নের সুবিধার্থে ২০ মে, ২০১৩ সালের সংশ্লিষ্ট নীতিমালার একটি অনুলিপিও নির্দেশনার সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্গাপূজা পালনে সকল নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নতুন অর্থবছরে বিদ্যালয় মেরামতের তালিকা চেয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

আপডেট সময় ০১:০১:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

২০২৬-২৭ অর্থবছরের পরিচালন বাজেটের আওতায় দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর মেরামত ও সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের প্রস্তুতি শুরু করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এ লক্ষ্যে দেশের সব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে অগ্রাধিকারভিত্তিক বিদ্যালয়ের তালিকা চাওয়া হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (অর্থ) মো. মাহবুবুর রহমান বিল্লাহ স্বাক্ষরিত গত মঙ্গলবারের (৭ জুলাই) এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০ মে ২০১৩ তারিখের মেরামত ও সংস্কার সংক্রান্ত নীতিমালা অনুসরণ করে প্রতিটি উপজেলা বা থানা থেকে সর্বোচ্চ ৩০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তালিকা প্রস্তুত করতে হবে।
তালিকা প্রণয়নের ক্ষেত্রে যেসব বিদ্যালয় গত তিন বছরে কোনো খাত থেকে মেরামত বা সংস্কারের অর্থায়ন পায়নি, সেসব বিদ্যালয়কে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
এছাড়া, অধিক ক্ষতিগ্রস্ত, মধ্যম ক্ষতিগ্রস্ত এবং সাধারণ সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে, এমন বিদ্যালয়গুলোও অগ্রাধিকারভিত্তিতে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি বিদ্যালয়ের নাম, ইএমআইএস কোড, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের নাম, প্রয়োজনীয় মেরামতের ধরন (অধিক, মধ্যম, স্বল্প বা সাধারণ সংস্কার) এবং সম্ভাব্য ব্যয়ের পরিমাণ তালিকায় উল্লেখ করতে হবে।
এছাড়া তালিকাটি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা প্রকৌশলী এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) যৌথ স্বাক্ষর ও সরকারি সিলসহ পাঠাতে হবে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারদের আগামী ৩০ জুলাই, ২০২৬ তারিখের মধ্যে তালিকার মূল কপি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানোর জন্য বলা হয়েছে।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বিদ্যালয় মেরামত ও সংস্কার কার্যক্রম যথাযথভাবে বাস্তবায়নের সুবিধার্থে ২০ মে, ২০১৩ সালের সংশ্লিষ্ট নীতিমালার একটি অনুলিপিও নির্দেশনার সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে।