ঢাকা ০১:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo পুঁজিবাজার প্রাতিষ্ঠানিক ও পুরোপুরি কাগজবিহীন করার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর Logo ভিন্নমত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের শক্তি : মাহদী আমিন Logo রাজনৈতিক পরিচয়ে কারো প্রতি বৈষম্য হবে না : ৪৯তম বিসিএস প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo শাপলা এখন শরীয়তপুরের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবিকায়নের অংশ Logo বিনিয়োগ, এলএনজি সরবরাহ ও দক্ষতা উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo সরকার সর্বশক্তি দিয়ে দেশে আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করবে: প্রধানমন্ত্রী Logo দল ছেড়ে ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় রোনালদো Logo কতদিন পরপর ফোন বদলাবেন? Logo মিষ্টি ভালো লাগলেও কম খাবেন যারা Logo ‘দুনিয়াদারি হোক যাই ভেতরে রবের জিকির চাই’, মিশা সওদাগর

হলুদ-মরিচের গুড়া, চা কেনার শর্তে মিলছে তেলের বোতল

ঢাকার বাজারে এখনো ভোজ্যতেলের সরবরাহ স্বাভাবিক করেনি কোম্পানিগুলো। কিছু দোকানে ভোজ্যতেল মিললেও অলিগলির দোকানে ঘাটতি রয়ে গেছে। যেসব দোকানে তেল মিলছে, তারা অন্য পণ্যের সঙ্গে শর্ত মেনে কোম্পানি থেকে তেল পেয়েছেন বলে জানান।
এ কারণে এখন খুচরা বিক্রেতারাও সয়াবিন তেলের বোতলের সঙ্গে ক্রেতাদের অন্য পণ্য কেনার শর্ত দিচ্ছেন। বিক্রেতারা বলছেন, কোম্পানির পরিবেশকেরাই তাদের এসব পণ্য কিনতে বাধ্য করছেন। তাই ক্রেতাদেরও তেলের সঙ্গে ওইসব পণ্য কেনার শর্ত আরোপ করতে হচ্ছে তাদের।
অনেক দোকানে বেশি পণ্য নেওয়ার পরে সয়াবিন তেল বিক্রি করতে দেখা গেছে। কোথাও কোথাও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে সয়াবিন তেল। বোতলজাত তেলের সরবরাহ সংকটে খোলা তেলও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে বোতলজাত তেলের বোতলে উল্লেখিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) ১৯৫ টাকা প্রতি লিটার। অথচ খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ২০০ থেকে ২২০ টাকা ও পাম তেল ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া যেসব দোকানে বোতলের সয়াবিন তেল রয়েছে, তারাও বোতলের গায়ে লেখা সর্বোচ্চ মূল্য থেকে বেশি দামে বিক্রি করছে।
রাজধানীর খিলগাঁও তালতলা মার্কেটের নোয়াখালী স্টোরের মালিক মিজানুর রহমান বলেন, এখন কোম্পানি তেল দেবে, কিন্তু তাদের মরিচ, হলুদ, মুরগির মসলা এগুলো নিতে হবে। বাজারে তাদের যেসব পণ্য চলে না, সেগুলো কিনতে বাধ্য করছে।
রাশিয়ার জ্বালানি আমদানিতে বাংলাদেশকে ৬০ দিনের ছাড় দিলো যুক্তরাষ্ট্র
বেশিরভাগ সবজির কেজি ৮০ টাকার ওপরে, কমছে মুরগির দাম
আরও কয়েকজন বিক্রেতা জানান, ঈদের আগে থেকেই বাজারে তেলের সংকট। এখন কোম্পানি তেল দেয় না। পরিবেশকেরা সয়াবিন তেলের সঙ্গে গুড়া মসলা, চা, আটা, ময়দা ইত্যাদি কেনা বাধ্যতামূলক করেছে। ফলে তারাও বাধ্য হয়ে ক্রেতাদের তেলের সঙ্গে অন্য পণ্য কেনার শর্ত দিয়েছেন।
এদিকে, পাড়া-মহল্লার বেশিরভাগ দোকানে সয়াবিন তেল নেই। মালিবাগ চৌধুরীপাড়ার দশ-বারোটি দোকান ঘুরে দেখা যায়, হাতে গোনা কয়েকটি দোকানে তেল ছিল। তবে সেসব দোকানে পাঁচ লিটার তেল রয়েছে, আধা লিটার, এক ও দুই লিটারের বোতল নেই।
ফিরোজ সরকার নামের এক মুদি দোকানি বলেন, ২০ দিন হলো আমার দোকানে তেল নেই। আমি সানফ্লাওয়ার ও শর্ষের তেল বিক্রি করছি।
তিনি বলেন, আজকেও কোম্পানির প্রতিনিধিকে ফোন দিয়েছি, তারা বলেছে দু-তিন দিন পরে আসবে। অনেকে ডিলারের কাছ থেকে নিজ খরচে তেল আনছে। তাদের বাড়তি খরচের কারণে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। কিন্তু ক্রেতারা এতে অখুশি হচ্ছে। এসব ঝামেলায় আমি তেল-ই রাখছি না।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পুঁজিবাজার প্রাতিষ্ঠানিক ও পুরোপুরি কাগজবিহীন করার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর

হলুদ-মরিচের গুড়া, চা কেনার শর্তে মিলছে তেলের বোতল

আপডেট সময় ১১:২৭:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকার বাজারে এখনো ভোজ্যতেলের সরবরাহ স্বাভাবিক করেনি কোম্পানিগুলো। কিছু দোকানে ভোজ্যতেল মিললেও অলিগলির দোকানে ঘাটতি রয়ে গেছে। যেসব দোকানে তেল মিলছে, তারা অন্য পণ্যের সঙ্গে শর্ত মেনে কোম্পানি থেকে তেল পেয়েছেন বলে জানান।
এ কারণে এখন খুচরা বিক্রেতারাও সয়াবিন তেলের বোতলের সঙ্গে ক্রেতাদের অন্য পণ্য কেনার শর্ত দিচ্ছেন। বিক্রেতারা বলছেন, কোম্পানির পরিবেশকেরাই তাদের এসব পণ্য কিনতে বাধ্য করছেন। তাই ক্রেতাদেরও তেলের সঙ্গে ওইসব পণ্য কেনার শর্ত আরোপ করতে হচ্ছে তাদের।
অনেক দোকানে বেশি পণ্য নেওয়ার পরে সয়াবিন তেল বিক্রি করতে দেখা গেছে। কোথাও কোথাও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে সয়াবিন তেল। বোতলজাত তেলের সরবরাহ সংকটে খোলা তেলও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে বোতলজাত তেলের বোতলে উল্লেখিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) ১৯৫ টাকা প্রতি লিটার। অথচ খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ২০০ থেকে ২২০ টাকা ও পাম তেল ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া যেসব দোকানে বোতলের সয়াবিন তেল রয়েছে, তারাও বোতলের গায়ে লেখা সর্বোচ্চ মূল্য থেকে বেশি দামে বিক্রি করছে।
রাজধানীর খিলগাঁও তালতলা মার্কেটের নোয়াখালী স্টোরের মালিক মিজানুর রহমান বলেন, এখন কোম্পানি তেল দেবে, কিন্তু তাদের মরিচ, হলুদ, মুরগির মসলা এগুলো নিতে হবে। বাজারে তাদের যেসব পণ্য চলে না, সেগুলো কিনতে বাধ্য করছে।
রাশিয়ার জ্বালানি আমদানিতে বাংলাদেশকে ৬০ দিনের ছাড় দিলো যুক্তরাষ্ট্র
বেশিরভাগ সবজির কেজি ৮০ টাকার ওপরে, কমছে মুরগির দাম
আরও কয়েকজন বিক্রেতা জানান, ঈদের আগে থেকেই বাজারে তেলের সংকট। এখন কোম্পানি তেল দেয় না। পরিবেশকেরা সয়াবিন তেলের সঙ্গে গুড়া মসলা, চা, আটা, ময়দা ইত্যাদি কেনা বাধ্যতামূলক করেছে। ফলে তারাও বাধ্য হয়ে ক্রেতাদের তেলের সঙ্গে অন্য পণ্য কেনার শর্ত দিয়েছেন।
এদিকে, পাড়া-মহল্লার বেশিরভাগ দোকানে সয়াবিন তেল নেই। মালিবাগ চৌধুরীপাড়ার দশ-বারোটি দোকান ঘুরে দেখা যায়, হাতে গোনা কয়েকটি দোকানে তেল ছিল। তবে সেসব দোকানে পাঁচ লিটার তেল রয়েছে, আধা লিটার, এক ও দুই লিটারের বোতল নেই।
ফিরোজ সরকার নামের এক মুদি দোকানি বলেন, ২০ দিন হলো আমার দোকানে তেল নেই। আমি সানফ্লাওয়ার ও শর্ষের তেল বিক্রি করছি।
তিনি বলেন, আজকেও কোম্পানির প্রতিনিধিকে ফোন দিয়েছি, তারা বলেছে দু-তিন দিন পরে আসবে। অনেকে ডিলারের কাছ থেকে নিজ খরচে তেল আনছে। তাদের বাড়তি খরচের কারণে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। কিন্তু ক্রেতারা এতে অখুশি হচ্ছে। এসব ঝামেলায় আমি তেল-ই রাখছি না।