ঢাকা ১০:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo রমজানে নিত্যপণ্য সরবরাহ ও যৌক্তিক মূল্য নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার : বাণিজ্যমন্ত্রী Logo আর্লি-৪৫ জাতের শিম চাষে কৃষক ময়েজ উদ্দিনের সাফল্য Logo সাহিত্যে নোবেল পেলেন কানাডার লেখক অ্যান কারসন Logo জেট ফুয়েলের দাম সমন্বয় করেছে সরকার Logo ইলিশ প্রজননের নিষেধাজ্ঞায় পদ্মা-মেঘনা ইলিশ অবতরণ কেন্দ্র ফাঁকা Logo সনদ-ক্রেস্ট বিতরণ ও মা সমাবেশে মুখরিত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ Logo জীবন ও নিরাপত্তার স্বার্থে এখনই পানি ব্যবস্থাপনা জরুরি : এলজিআরডি মন্ত্রী Logo কালিয়ায় বিশ্ব দৃষ্টি দিবস পালিত Logo প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে বৈঠক Logo মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে : রাষ্ট্রপতি

হলুদ-মরিচের গুড়া, চা কেনার শর্তে মিলছে তেলের বোতল

ঢাকার বাজারে এখনো ভোজ্যতেলের সরবরাহ স্বাভাবিক করেনি কোম্পানিগুলো। কিছু দোকানে ভোজ্যতেল মিললেও অলিগলির দোকানে ঘাটতি রয়ে গেছে। যেসব দোকানে তেল মিলছে, তারা অন্য পণ্যের সঙ্গে শর্ত মেনে কোম্পানি থেকে তেল পেয়েছেন বলে জানান।
এ কারণে এখন খুচরা বিক্রেতারাও সয়াবিন তেলের বোতলের সঙ্গে ক্রেতাদের অন্য পণ্য কেনার শর্ত দিচ্ছেন। বিক্রেতারা বলছেন, কোম্পানির পরিবেশকেরাই তাদের এসব পণ্য কিনতে বাধ্য করছেন। তাই ক্রেতাদেরও তেলের সঙ্গে ওইসব পণ্য কেনার শর্ত আরোপ করতে হচ্ছে তাদের।
অনেক দোকানে বেশি পণ্য নেওয়ার পরে সয়াবিন তেল বিক্রি করতে দেখা গেছে। কোথাও কোথাও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে সয়াবিন তেল। বোতলজাত তেলের সরবরাহ সংকটে খোলা তেলও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে বোতলজাত তেলের বোতলে উল্লেখিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) ১৯৫ টাকা প্রতি লিটার। অথচ খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ২০০ থেকে ২২০ টাকা ও পাম তেল ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া যেসব দোকানে বোতলের সয়াবিন তেল রয়েছে, তারাও বোতলের গায়ে লেখা সর্বোচ্চ মূল্য থেকে বেশি দামে বিক্রি করছে।
রাজধানীর খিলগাঁও তালতলা মার্কেটের নোয়াখালী স্টোরের মালিক মিজানুর রহমান বলেন, এখন কোম্পানি তেল দেবে, কিন্তু তাদের মরিচ, হলুদ, মুরগির মসলা এগুলো নিতে হবে। বাজারে তাদের যেসব পণ্য চলে না, সেগুলো কিনতে বাধ্য করছে।
রাশিয়ার জ্বালানি আমদানিতে বাংলাদেশকে ৬০ দিনের ছাড় দিলো যুক্তরাষ্ট্র
বেশিরভাগ সবজির কেজি ৮০ টাকার ওপরে, কমছে মুরগির দাম
আরও কয়েকজন বিক্রেতা জানান, ঈদের আগে থেকেই বাজারে তেলের সংকট। এখন কোম্পানি তেল দেয় না। পরিবেশকেরা সয়াবিন তেলের সঙ্গে গুড়া মসলা, চা, আটা, ময়দা ইত্যাদি কেনা বাধ্যতামূলক করেছে। ফলে তারাও বাধ্য হয়ে ক্রেতাদের তেলের সঙ্গে অন্য পণ্য কেনার শর্ত দিয়েছেন।
এদিকে, পাড়া-মহল্লার বেশিরভাগ দোকানে সয়াবিন তেল নেই। মালিবাগ চৌধুরীপাড়ার দশ-বারোটি দোকান ঘুরে দেখা যায়, হাতে গোনা কয়েকটি দোকানে তেল ছিল। তবে সেসব দোকানে পাঁচ লিটার তেল রয়েছে, আধা লিটার, এক ও দুই লিটারের বোতল নেই।
ফিরোজ সরকার নামের এক মুদি দোকানি বলেন, ২০ দিন হলো আমার দোকানে তেল নেই। আমি সানফ্লাওয়ার ও শর্ষের তেল বিক্রি করছি।
তিনি বলেন, আজকেও কোম্পানির প্রতিনিধিকে ফোন দিয়েছি, তারা বলেছে দু-তিন দিন পরে আসবে। অনেকে ডিলারের কাছ থেকে নিজ খরচে তেল আনছে। তাদের বাড়তি খরচের কারণে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। কিন্তু ক্রেতারা এতে অখুশি হচ্ছে। এসব ঝামেলায় আমি তেল-ই রাখছি না।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রমজানে নিত্যপণ্য সরবরাহ ও যৌক্তিক মূল্য নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার : বাণিজ্যমন্ত্রী

হলুদ-মরিচের গুড়া, চা কেনার শর্তে মিলছে তেলের বোতল

আপডেট সময় ১১:২৭:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকার বাজারে এখনো ভোজ্যতেলের সরবরাহ স্বাভাবিক করেনি কোম্পানিগুলো। কিছু দোকানে ভোজ্যতেল মিললেও অলিগলির দোকানে ঘাটতি রয়ে গেছে। যেসব দোকানে তেল মিলছে, তারা অন্য পণ্যের সঙ্গে শর্ত মেনে কোম্পানি থেকে তেল পেয়েছেন বলে জানান।
এ কারণে এখন খুচরা বিক্রেতারাও সয়াবিন তেলের বোতলের সঙ্গে ক্রেতাদের অন্য পণ্য কেনার শর্ত দিচ্ছেন। বিক্রেতারা বলছেন, কোম্পানির পরিবেশকেরাই তাদের এসব পণ্য কিনতে বাধ্য করছেন। তাই ক্রেতাদেরও তেলের সঙ্গে ওইসব পণ্য কেনার শর্ত আরোপ করতে হচ্ছে তাদের।
অনেক দোকানে বেশি পণ্য নেওয়ার পরে সয়াবিন তেল বিক্রি করতে দেখা গেছে। কোথাও কোথাও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে সয়াবিন তেল। বোতলজাত তেলের সরবরাহ সংকটে খোলা তেলও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে বোতলজাত তেলের বোতলে উল্লেখিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) ১৯৫ টাকা প্রতি লিটার। অথচ খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ২০০ থেকে ২২০ টাকা ও পাম তেল ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া যেসব দোকানে বোতলের সয়াবিন তেল রয়েছে, তারাও বোতলের গায়ে লেখা সর্বোচ্চ মূল্য থেকে বেশি দামে বিক্রি করছে।
রাজধানীর খিলগাঁও তালতলা মার্কেটের নোয়াখালী স্টোরের মালিক মিজানুর রহমান বলেন, এখন কোম্পানি তেল দেবে, কিন্তু তাদের মরিচ, হলুদ, মুরগির মসলা এগুলো নিতে হবে। বাজারে তাদের যেসব পণ্য চলে না, সেগুলো কিনতে বাধ্য করছে।
রাশিয়ার জ্বালানি আমদানিতে বাংলাদেশকে ৬০ দিনের ছাড় দিলো যুক্তরাষ্ট্র
বেশিরভাগ সবজির কেজি ৮০ টাকার ওপরে, কমছে মুরগির দাম
আরও কয়েকজন বিক্রেতা জানান, ঈদের আগে থেকেই বাজারে তেলের সংকট। এখন কোম্পানি তেল দেয় না। পরিবেশকেরা সয়াবিন তেলের সঙ্গে গুড়া মসলা, চা, আটা, ময়দা ইত্যাদি কেনা বাধ্যতামূলক করেছে। ফলে তারাও বাধ্য হয়ে ক্রেতাদের তেলের সঙ্গে অন্য পণ্য কেনার শর্ত দিয়েছেন।
এদিকে, পাড়া-মহল্লার বেশিরভাগ দোকানে সয়াবিন তেল নেই। মালিবাগ চৌধুরীপাড়ার দশ-বারোটি দোকান ঘুরে দেখা যায়, হাতে গোনা কয়েকটি দোকানে তেল ছিল। তবে সেসব দোকানে পাঁচ লিটার তেল রয়েছে, আধা লিটার, এক ও দুই লিটারের বোতল নেই।
ফিরোজ সরকার নামের এক মুদি দোকানি বলেন, ২০ দিন হলো আমার দোকানে তেল নেই। আমি সানফ্লাওয়ার ও শর্ষের তেল বিক্রি করছি।
তিনি বলেন, আজকেও কোম্পানির প্রতিনিধিকে ফোন দিয়েছি, তারা বলেছে দু-তিন দিন পরে আসবে। অনেকে ডিলারের কাছ থেকে নিজ খরচে তেল আনছে। তাদের বাড়তি খরচের কারণে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। কিন্তু ক্রেতারা এতে অখুশি হচ্ছে। এসব ঝামেলায় আমি তেল-ই রাখছি না।