ঢাকা ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo নোয়াখালীতে নতুন কূপের সন্ধান, দৈনিক মিলবে ১০ মিলিয়ন ঘনফুট Logo সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে নানা ষড়যন্ত্র চলছে : রিজভী Logo মির্জা ফয়সল আমীন ও এলিজা জামানের শপথ মঙ্গলবার Logo বিএনপি সব সময় ইসলামের পথে থাকে-আমান উল্লাহ আমান Logo জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখতে কৌশলগত নেতৃত্ব তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo তারাকান্দায় জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা Logo চিফ হুইপের সঙ্গে ইইউ রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo এমপি নুরুলের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করলো সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি Logo উত্তরের নদ-নদীতে ধরা পড়ছে ইলিশ Logo কালীগঞ্জে দারিদ্র্যতা হার মানাতে পারেনি রুকাইয়াকে গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েও উচ্চশিক্ষা নিয়ে দুশ্চিন্তা

মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের বাঁধ ও নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শনে এমপি ড. জালাল উদ্দিন, স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস

চাঁদপুরের মতলব উত্তরের দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের আওতাধীন বন্যা নিয়ন্ত্রণ ৬৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ এবং মেঘনা নদীর তীরভাঙন কবলিত এলাকা ও মতলব ব্রীজ এর এপ্রোচ ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছেন চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব ড. মো. জালাল উদ্দিন। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে উপজেলার আমিরাবাদ এলাকায় তিনি নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে ভাঙনের ভয়াবহতা, বেড়িবাঁধের ঝুঁকি এবং তাদের দুর্ভোগ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। চাঁদপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি খায়রুল হাসান বেনু বলেন, মেঘনা নদীর ভাঙনে মতলবের মানুষ বছরের পর বছর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এটি শুধু একটি এলাকার সমস্যা নয়, হাজারো মানুষের জীবন-জীবিকার প্রশ্ন। আমরা চাই, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে নদীভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করা হোক। এ বিষয়ে আমাদের সংসদ সদস্য ড. মো. জালাল উদ্দিন জাতীয় সংসদে বিষয়টি তুলে ধরেছেন এবং জনগণের দাবির পক্ষে কাজ করে যাচ্ছেন। পরিদর্শনকালে ড. মো. জালাল উদ্দিন বলেন, মেঘনা নদীর ভয়াবহ ভাঙন শুধু মানুষের ঘরবাড়িই নয়, কৃষিজমি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে হুমকির মুখে ফেলেছে। বিষয়টি আমি জাতীয় সংসদে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেছি। এই অঞ্চলের মানুষকে রক্ষা করতে স্থায়ী ও টেকসই নদীশাসন এবং বেড়িবাঁধ সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। আমি চাই, দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যাতে মানুষ নিরাপদে বসবাস করতে পারে। তিনি আরও বলেন, নদীভাঙন একটি জাতীয় সমস্যা। এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং সরকারের সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। আমি এলাকাবাসীর পাশে আছি এবং তাদের স্বার্থ রক্ষায় সব ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। স্থানীয়রা জানান, প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে মেঘনার তীব্র ভাঙনে বসতভিটা, ফসলি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে আরও বিস্তীর্ণ এলাকা ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়বে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনি, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম ইশমাম, মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামরুল হাসান, চাঁদপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি খায়রুল হাসান বেনু, স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে নতুন কূপের সন্ধান, দৈনিক মিলবে ১০ মিলিয়ন ঘনফুট

মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের বাঁধ ও নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শনে এমপি ড. জালাল উদ্দিন, স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস

আপডেট সময় ০২:৩৯:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

চাঁদপুরের মতলব উত্তরের দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের আওতাধীন বন্যা নিয়ন্ত্রণ ৬৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ এবং মেঘনা নদীর তীরভাঙন কবলিত এলাকা ও মতলব ব্রীজ এর এপ্রোচ ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছেন চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব ড. মো. জালাল উদ্দিন। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে উপজেলার আমিরাবাদ এলাকায় তিনি নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে ভাঙনের ভয়াবহতা, বেড়িবাঁধের ঝুঁকি এবং তাদের দুর্ভোগ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। চাঁদপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি খায়রুল হাসান বেনু বলেন, মেঘনা নদীর ভাঙনে মতলবের মানুষ বছরের পর বছর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এটি শুধু একটি এলাকার সমস্যা নয়, হাজারো মানুষের জীবন-জীবিকার প্রশ্ন। আমরা চাই, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে নদীভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করা হোক। এ বিষয়ে আমাদের সংসদ সদস্য ড. মো. জালাল উদ্দিন জাতীয় সংসদে বিষয়টি তুলে ধরেছেন এবং জনগণের দাবির পক্ষে কাজ করে যাচ্ছেন। পরিদর্শনকালে ড. মো. জালাল উদ্দিন বলেন, মেঘনা নদীর ভয়াবহ ভাঙন শুধু মানুষের ঘরবাড়িই নয়, কৃষিজমি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে হুমকির মুখে ফেলেছে। বিষয়টি আমি জাতীয় সংসদে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেছি। এই অঞ্চলের মানুষকে রক্ষা করতে স্থায়ী ও টেকসই নদীশাসন এবং বেড়িবাঁধ সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। আমি চাই, দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যাতে মানুষ নিরাপদে বসবাস করতে পারে। তিনি আরও বলেন, নদীভাঙন একটি জাতীয় সমস্যা। এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং সরকারের সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। আমি এলাকাবাসীর পাশে আছি এবং তাদের স্বার্থ রক্ষায় সব ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। স্থানীয়রা জানান, প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে মেঘনার তীব্র ভাঙনে বসতভিটা, ফসলি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে আরও বিস্তীর্ণ এলাকা ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়বে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনি, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম ইশমাম, মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামরুল হাসান, চাঁদপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি খায়রুল হাসান বেনু, স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।