ঢাকা ০৫:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo গিয়াস কামাল চৌধুরীর ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে আজ Logo বিক্ষোভে উত্তাল ইতালি, মিলানে সেনা মোতায়েন Logo ‘মা ভালো’: ১৭ বছরের সেবাযত্ন অচেতন পুত্রবধূকে জাগিয়ে তুললেন চীনা নারী Logo বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস উত্তোলনে সুইডিশ কোম্পানিকে স্পিকারের আমন্ত্রণ Logo ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে সেন্ট মার্টিন Logo আমরা যুবসমাজের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: ডা. শফিকুর রহমান এমপি Logo অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের জন্মদিন আজ Logo সারা দেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত প্রবারণা পূর্ণিমা Logo জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫৪৮ ছাত্রীকে বাইসাইকেল দিলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম Logo টেক্সটাইল শিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণায় গুরুত্ব আরোপ রাষ্ট্রপতির

চিতলমারীতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৪৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার কালশিরা রাজেন্দ্র স্মৃতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিধান চন্দ্র ব্রহ্মের বিরুদ্ধে ৪৫ লাখ টাকা আত্মসাতের সত্যতা মিলেছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আল মুরাদের দাখিল করা অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদনটি চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা আক্তারের দপ্তরে জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক বিধান চন্দ্র ব্রহ্ম উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক। অভিযোগকারী শিক্ষকদের দাবি, ২০১৬ সালে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদানের পর থেকেই বিধান চন্দ্র ব্রহ্ম রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিদ্যালয়ের বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেন। এসব অনিয়মের প্রতিবাদ করায় কয়েকজন সহকারী শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন হয়রানি ও চাপের মুখে রয়েছেন বলেও তারা অভিযোগ করেন। এদিকে, ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা থাকলেও বাস্তবে সেটি জমা দিতে সময় লেগেছে প্রায় সাত মাস। তদন্ত প্রক্রিয়ার এই দীর্ঘসূত্রিতা নিয়ে স্থানীয়দের মনে নানা প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগকারী শিক্ষক প্রভাত কুমার মজুমদার বলেন, “প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিদ্যালয়ের প্রায় ৪৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। নিরপেক্ষ তদন্তে সেই অভিযোগের সত্যতা উঠে এসেছে। এছাড়া স্থানীয় প্রভাবশালী কিছু লোকজন নিয়ে এসেও আমাদের বিভিন্ন হুমকি-ধামকি দেওয়া হয়েছে।” এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আল মুরাদ জানান, তদন্তে বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিটির হিসাব সঠিক বলে প্রতীয়মান হয়েছে। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা আক্তার জানান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার তদন্ত প্রতিবেদনটি পাওয়া গেছে। এটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে প্রধান শিক্ষক বিধান চন্দ্র ব্রহ্মের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানান।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

গিয়াস কামাল চৌধুরীর ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে আজ

চিতলমারীতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৪৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৩:২৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার কালশিরা রাজেন্দ্র স্মৃতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিধান চন্দ্র ব্রহ্মের বিরুদ্ধে ৪৫ লাখ টাকা আত্মসাতের সত্যতা মিলেছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আল মুরাদের দাখিল করা অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদনটি চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা আক্তারের দপ্তরে জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক বিধান চন্দ্র ব্রহ্ম উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক। অভিযোগকারী শিক্ষকদের দাবি, ২০১৬ সালে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদানের পর থেকেই বিধান চন্দ্র ব্রহ্ম রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিদ্যালয়ের বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেন। এসব অনিয়মের প্রতিবাদ করায় কয়েকজন সহকারী শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন হয়রানি ও চাপের মুখে রয়েছেন বলেও তারা অভিযোগ করেন। এদিকে, ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা থাকলেও বাস্তবে সেটি জমা দিতে সময় লেগেছে প্রায় সাত মাস। তদন্ত প্রক্রিয়ার এই দীর্ঘসূত্রিতা নিয়ে স্থানীয়দের মনে নানা প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগকারী শিক্ষক প্রভাত কুমার মজুমদার বলেন, “প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিদ্যালয়ের প্রায় ৪৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। নিরপেক্ষ তদন্তে সেই অভিযোগের সত্যতা উঠে এসেছে। এছাড়া স্থানীয় প্রভাবশালী কিছু লোকজন নিয়ে এসেও আমাদের বিভিন্ন হুমকি-ধামকি দেওয়া হয়েছে।” এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আল মুরাদ জানান, তদন্তে বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিটির হিসাব সঠিক বলে প্রতীয়মান হয়েছে। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা আক্তার জানান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার তদন্ত প্রতিবেদনটি পাওয়া গেছে। এটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে প্রধান শিক্ষক বিধান চন্দ্র ব্রহ্মের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানান।