ঢাকা ১০:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভালোবাসার টানে বাংলাদেশে, ইসলাম গ্রহণের পর কসবায় চীনা যুবকের বিয়ে

প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে চীন থেকে বাংলাদেশে এসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার এক তরুণীকে বিয়ে করেছেন সোহান চাও(৩৮) নামে এক চীনা নাগরিক। বিয়ের পর তিনি স্ত্রীকে নিয়ে কসবার গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করছেন। তার আগমনের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, সোহান চাও চীনের হেনান প্রদেশের নানইয়াং শহরের বাসিন্দা। তিনি সংফু ফ্যাংয়ের ছেলে। তার সঙ্গে বিয়ে হয়েছে কসবা উপজেলার কুটি ইউনিয়নের বাইসার গ্রামের আবদুল আলিমের মেয়ে আয়েশা সুলতানার(২১)। পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় তিন মাস আগে একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে সোহান চাও ও আয়েশা সুলতানার পরিচয় হয়। এরপর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্পর্কের একপর্যায়ে গত ১২ জুন সোহান চাও বাংলাদেশে আসেন। ঢাকায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর পরিবারের সম্মতিতে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ধর্মান্তরের পর তার নাম রাখা হয় মোহাম্মদ। পরে ইসলামী শরিয়াহ ও আইনানুগ প্রক্রিয়ায় তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। আয়েশা সুলতানা বলেন, পরিবারের সম্মতিতেই আমাদের বিয়ে হয়েছে। ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর তার নাম রাখা হয়েছে মোহাম্মদ। কয়েকদিন ঢাকায় থাকার পর আমরা গ্রামের বাড়িতে এসেছি। আয়েশার বাবা আবদুল আলিম বলেন, ছেলেটির বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েই মেয়ের সঙ্গে তার বিয়ে দিয়েছি। সে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে। এখন মেয়ের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুতের কাজ চলছে। এরপর তারা চীনে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। শনিবার বিকেলে চীনা নাগরিকের উপস্থিতির খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দেয়। অনেকেই একনজর দেখতে আয়েশাদের বাড়িতে ভিড় করেন। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এ বিষয়ে কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলী মোহাম্মদ রাশেদ বলেন, বিষয়টি আমাদের জানা ছিল না। খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজন হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভালোবাসার টানে বাংলাদেশে, ইসলাম গ্রহণের পর কসবায় চীনা যুবকের বিয়ে

আপডেট সময় ০৫:৩২:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে চীন থেকে বাংলাদেশে এসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার এক তরুণীকে বিয়ে করেছেন সোহান চাও(৩৮) নামে এক চীনা নাগরিক। বিয়ের পর তিনি স্ত্রীকে নিয়ে কসবার গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করছেন। তার আগমনের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, সোহান চাও চীনের হেনান প্রদেশের নানইয়াং শহরের বাসিন্দা। তিনি সংফু ফ্যাংয়ের ছেলে। তার সঙ্গে বিয়ে হয়েছে কসবা উপজেলার কুটি ইউনিয়নের বাইসার গ্রামের আবদুল আলিমের মেয়ে আয়েশা সুলতানার(২১)। পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় তিন মাস আগে একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে সোহান চাও ও আয়েশা সুলতানার পরিচয় হয়। এরপর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্পর্কের একপর্যায়ে গত ১২ জুন সোহান চাও বাংলাদেশে আসেন। ঢাকায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর পরিবারের সম্মতিতে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ধর্মান্তরের পর তার নাম রাখা হয় মোহাম্মদ। পরে ইসলামী শরিয়াহ ও আইনানুগ প্রক্রিয়ায় তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। আয়েশা সুলতানা বলেন, পরিবারের সম্মতিতেই আমাদের বিয়ে হয়েছে। ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর তার নাম রাখা হয়েছে মোহাম্মদ। কয়েকদিন ঢাকায় থাকার পর আমরা গ্রামের বাড়িতে এসেছি। আয়েশার বাবা আবদুল আলিম বলেন, ছেলেটির বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েই মেয়ের সঙ্গে তার বিয়ে দিয়েছি। সে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে। এখন মেয়ের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুতের কাজ চলছে। এরপর তারা চীনে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। শনিবার বিকেলে চীনা নাগরিকের উপস্থিতির খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দেয়। অনেকেই একনজর দেখতে আয়েশাদের বাড়িতে ভিড় করেন। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এ বিষয়ে কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলী মোহাম্মদ রাশেদ বলেন, বিষয়টি আমাদের জানা ছিল না। খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজন হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।