ঢাকা ১০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুনামগঞ্জের শাল্লায় এমপি নাছির চৌধুরীর উদ্যোগে শহীদ মিনার নির্মাণ

২০২৫ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারিতে শাল্লা উপজেলার মাহমুদনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার না থাকায় বেঞ্চ দিয়ে অস্থায়ী শহীদ মিনার তৈরি করে স্কুলের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। ঘটনাটি এলাকায় বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর পরই বিষয়টি দিরাই শাল্লা থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য নাছির উদ্দীন চৌধুরীর নজরে আসে। এরপরই ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে নাছির উদ্দীন চৌধুরীর উদ্যোগে ওই স্কুলে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার একটি টিআর বরাদ্দ দেওয়া হয়। এরপর স্থানীয় সমাজকর্মী জহিরুযল ইসলামের তত্ত্বাবধানে কাজটি বাস্তবায়ন করা হয়। এমপিকে ধন্যবাদ জানিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম বলেন, আমাদের এই স্কুলটিতে প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই কোন শহীদ মিনার ছিল না। শহীদ মিনার তৈরির জন্য, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই আমাদের নেতা নাছির উদ্দীন চৌধুরীর নিকট আবেদন জানিয়েছিলাম। আবেদনটি আমলে নিয়ে সংসদ সদস্য নাছির উদ্দীন চৌধুরীর উদ্যোগে একটি শহীদ মিনার নির্মাণ করা সম্ভব হয়েছে। সে জন্য এই এলাকার মানুষ এমপি সাহেবের কাছে কৃতজ্ঞ থাকবে। মাহমুদ নগর গ্রামের সাইফুর রহমান বলেন, এই স্কুলটিতে শহীদ মিনার না থাকায় স্কুলের বেঞ্চ দিয়ে অস্থায়ী শহীদ মিনার তৈরি করে আমরা এতোদিন ফুল দিয়েছি। আমাদের নেতা নাছির উদ্দীন চৌধুরী নির্বাচিত হওয়ার পর পরই বিষয়টি তার নজরে দেওয়া হয়। তারপরই শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য একটি বরাদ্দ আসে। এলাকাবাসী এমপি মহোদয়ের প্রশংসা করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বলে জানান তিনি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনমথ কান্তি চৌধুরী বলেন, প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে স্কুলে শহীদ মিনার নেই। কিন্তু এমপি মহোদয়ের উদ্যোেগে শহীদ মিনার হওয়ায় স্কুলের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা অত্যন্ত আনন্দিত। এখন থেকে আমরা শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে পারবো, এটা ভাবলে মনে অনেক আনন্দ জাগে। তিনি বলেন, স্কুল কতৃর্পক্ষ এমপি সাহেবের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। শাল্লা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (অ.দা) মির্জা মো. আবু সাইদ বলেন, এমপি মহোদয়ের উদ্যোগে টিআর বরাদ্দের মাধ্যমে মাহমুদনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে শহীদ মিনারটি নির্মাণ করা হয়েছে। সংসদ সদস্য নাছির উদ্দীন চৌধুরীর দিকনির্দেশনায় এভাবে এমপি বরাদ্দের প্রত্যেকটি কাজ বাস্তবায়ন করে দৃশ্যমান করা হবে বলে জানান তিনি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সুনামগঞ্জের শাল্লায় এমপি নাছির চৌধুরীর উদ্যোগে শহীদ মিনার নির্মাণ

আপডেট সময় ০২:১৩:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

২০২৫ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারিতে শাল্লা উপজেলার মাহমুদনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার না থাকায় বেঞ্চ দিয়ে অস্থায়ী শহীদ মিনার তৈরি করে স্কুলের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। ঘটনাটি এলাকায় বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর পরই বিষয়টি দিরাই শাল্লা থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য নাছির উদ্দীন চৌধুরীর নজরে আসে। এরপরই ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে নাছির উদ্দীন চৌধুরীর উদ্যোগে ওই স্কুলে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার একটি টিআর বরাদ্দ দেওয়া হয়। এরপর স্থানীয় সমাজকর্মী জহিরুযল ইসলামের তত্ত্বাবধানে কাজটি বাস্তবায়ন করা হয়। এমপিকে ধন্যবাদ জানিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম বলেন, আমাদের এই স্কুলটিতে প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই কোন শহীদ মিনার ছিল না। শহীদ মিনার তৈরির জন্য, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই আমাদের নেতা নাছির উদ্দীন চৌধুরীর নিকট আবেদন জানিয়েছিলাম। আবেদনটি আমলে নিয়ে সংসদ সদস্য নাছির উদ্দীন চৌধুরীর উদ্যোগে একটি শহীদ মিনার নির্মাণ করা সম্ভব হয়েছে। সে জন্য এই এলাকার মানুষ এমপি সাহেবের কাছে কৃতজ্ঞ থাকবে। মাহমুদ নগর গ্রামের সাইফুর রহমান বলেন, এই স্কুলটিতে শহীদ মিনার না থাকায় স্কুলের বেঞ্চ দিয়ে অস্থায়ী শহীদ মিনার তৈরি করে আমরা এতোদিন ফুল দিয়েছি। আমাদের নেতা নাছির উদ্দীন চৌধুরী নির্বাচিত হওয়ার পর পরই বিষয়টি তার নজরে দেওয়া হয়। তারপরই শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য একটি বরাদ্দ আসে। এলাকাবাসী এমপি মহোদয়ের প্রশংসা করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বলে জানান তিনি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনমথ কান্তি চৌধুরী বলেন, প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে স্কুলে শহীদ মিনার নেই। কিন্তু এমপি মহোদয়ের উদ্যোেগে শহীদ মিনার হওয়ায় স্কুলের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা অত্যন্ত আনন্দিত। এখন থেকে আমরা শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে পারবো, এটা ভাবলে মনে অনেক আনন্দ জাগে। তিনি বলেন, স্কুল কতৃর্পক্ষ এমপি সাহেবের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। শাল্লা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (অ.দা) মির্জা মো. আবু সাইদ বলেন, এমপি মহোদয়ের উদ্যোগে টিআর বরাদ্দের মাধ্যমে মাহমুদনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে শহীদ মিনারটি নির্মাণ করা হয়েছে। সংসদ সদস্য নাছির উদ্দীন চৌধুরীর দিকনির্দেশনায় এভাবে এমপি বরাদ্দের প্রত্যেকটি কাজ বাস্তবায়ন করে দৃশ্যমান করা হবে বলে জানান তিনি।