ঢাকা ০৩:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo দুর্গাপূজা পালনে সকল নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo বাংলাদেশের পর্যটন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় যুক্তরাজ্য : ব্রিটিশ হাইকমিশনার Logo ক্যালিফোর্নিয়ায় গুগলের সদর দপ্তর পরিদর্শন বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের Logo ১৯ কার্গো এলএনজি আসছে ঘাটতির আশংকা নেই Logo দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo বিএনপি সরকারের উদ্যোগ : তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু Logo বাংলাদেশের বিপক্ষে শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা করল অস্ট্রেলিয়া Logo ফোন নীরবে যে ৪ কাজ করে Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধ ঘর থেকেই শুরু হোক Logo মনের জটিল জট খোলার মতো ১০টি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার সিনেমা

যমুনায় একদিকে নদী ভাঙন, অন্যদিকে বালু উত্তোলন, বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর মানববন্ধন

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার পিংনা এলাকায় যমুনা নদীতে নদীভাঙন চলছে, অন্যদিকে বেড়েই চলেছে অবৈধ বালু উত্তোলন। এতে হুমকির মুখে পড়ছে নদীতীরবর্তী হাজার হাজার মানুষ। বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছে এলাকাবাসী। গতকাল তারাকান্দি-ভুয়াপুর-ঢাকা মহাসড়কের গোপালগঞ্জ হাট এলাকায় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মানববন্ধন করে। মানববন্ধনে বক্তারা জানান, পিংনা ইউনিয়নটি ভয়াল যমুনা নদীতীরবর্তী। এখানকার মানুষ প্রতিবছর নদী ভাঙনের শিকার হন। বিগত বছরগুলোতে নদীগর্ভে বাড়িঘর ও ফসলি জমি-জমা হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। এরইমধ্যে নদী থেকে প্রতিনিয়ত অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছে। এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, ক্ষমতাসীন দলের নাম ভাঙিয়ে স্থানীয় প্রভাবশালী মহল ইউনিয়নের অন্তত ২০টি স্পটে অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করে বিপুল টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। প্রশাসন কালেভদ্রে অভিযান চালালেও লাভ হচ্ছে না। অথচ নলসোন্ধা ও কাঁঠালতলা এলাকায় নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে। পার্শ্ববর্তী টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার নলিন এলাকার সরিষাবাড়ী-তারাকান্দি-ভুয়াপুর-ঢাকা মহাসড়ক ভেঙে যাচ্ছে। ইতোমধ্যেই সড়কে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে এ ভাঙন বাড়তেই থাকবে। ফলে নদী রক্ষা বাঁধ এবং কবি কায়কোবাদের স্মৃতি বিজড়িত রসপাল জামে মসজিদ, শতবর্ষী পিংনা উচ্চবিদ্যালয়, শামছুন্নাহার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সুজাত আলী কলেজ, পিংনা বাজার, গোপালগঞ্জ গরুর হাট, ইউনিয়ন পরিষদ ভবনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। মানববন্ধনে পিংনা, রসপাল, গোপালগঞ্জ, কাওয়ামারা, নলসোন্ধা, উল্লা, কুমারপাড়াসহ অন্তত ১০টি গ্রামের দুই সহস্রাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করে। তারা বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে বৃহত্তর কর্মসূচির হুশিয়ারি দেন। এসময় বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি বেলাল হোসেন ময়নাল, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মিজানুর রহমান, রসপাল জামে মসজিদের সভাপতি আবু সামা, সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম মুকুল, কুলি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল সবুর প্রমুখ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্গাপূজা পালনে সকল নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যমুনায় একদিকে নদী ভাঙন, অন্যদিকে বালু উত্তোলন, বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর মানববন্ধন

আপডেট সময় ০২:২১:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার পিংনা এলাকায় যমুনা নদীতে নদীভাঙন চলছে, অন্যদিকে বেড়েই চলেছে অবৈধ বালু উত্তোলন। এতে হুমকির মুখে পড়ছে নদীতীরবর্তী হাজার হাজার মানুষ। বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছে এলাকাবাসী। গতকাল তারাকান্দি-ভুয়াপুর-ঢাকা মহাসড়কের গোপালগঞ্জ হাট এলাকায় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মানববন্ধন করে। মানববন্ধনে বক্তারা জানান, পিংনা ইউনিয়নটি ভয়াল যমুনা নদীতীরবর্তী। এখানকার মানুষ প্রতিবছর নদী ভাঙনের শিকার হন। বিগত বছরগুলোতে নদীগর্ভে বাড়িঘর ও ফসলি জমি-জমা হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। এরইমধ্যে নদী থেকে প্রতিনিয়ত অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছে। এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, ক্ষমতাসীন দলের নাম ভাঙিয়ে স্থানীয় প্রভাবশালী মহল ইউনিয়নের অন্তত ২০টি স্পটে অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করে বিপুল টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। প্রশাসন কালেভদ্রে অভিযান চালালেও লাভ হচ্ছে না। অথচ নলসোন্ধা ও কাঁঠালতলা এলাকায় নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে। পার্শ্ববর্তী টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার নলিন এলাকার সরিষাবাড়ী-তারাকান্দি-ভুয়াপুর-ঢাকা মহাসড়ক ভেঙে যাচ্ছে। ইতোমধ্যেই সড়কে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে এ ভাঙন বাড়তেই থাকবে। ফলে নদী রক্ষা বাঁধ এবং কবি কায়কোবাদের স্মৃতি বিজড়িত রসপাল জামে মসজিদ, শতবর্ষী পিংনা উচ্চবিদ্যালয়, শামছুন্নাহার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সুজাত আলী কলেজ, পিংনা বাজার, গোপালগঞ্জ গরুর হাট, ইউনিয়ন পরিষদ ভবনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। মানববন্ধনে পিংনা, রসপাল, গোপালগঞ্জ, কাওয়ামারা, নলসোন্ধা, উল্লা, কুমারপাড়াসহ অন্তত ১০টি গ্রামের দুই সহস্রাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করে। তারা বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে বৃহত্তর কর্মসূচির হুশিয়ারি দেন। এসময় বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি বেলাল হোসেন ময়নাল, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মিজানুর রহমান, রসপাল জামে মসজিদের সভাপতি আবু সামা, সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম মুকুল, কুলি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল সবুর প্রমুখ।