ঢাকা ০৭:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo জনতা ব্যাংকে অ্যাসেট-লায়াবিলিটি ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভা অনুষ্ঠিত Logo সাভারে ১১৬তম “নামা বাজার উপশাখা” উদ্বোধন করলো যমুনা ব্যাংক Logo শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এবং আমরার্ক লিমিটেডের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত Logo বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ও মাস্টারকার্ডের মধ্যে লাইসেন্স হস্তান্তর Logo কালীগঞ্জ পৌর এলাকার ১০ কিলোমিটার মহাসড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি, বেপরোয়া বাস ও অবৈধ পার্কিংয়ে আতঙ্ক Logo আবুল কালাম এম.পির আন্তরিক প্রচেষ্টায় লাকসামে উন্নয়নের বিপ্লব: ৭ মাসে সাড়ে ৩৩ কোটি টাকায় ৪৯ প্রকল্প বাস্তবায়ন Logo বদলগাছীতে সহোদর দুই বোনকে বিয়ে করলেন টিকটকার মাসুদ Logo চাঁদপুরের প্রতিটি ইউনিয়নে গড়ে তোলা হবে একটি করে পাঠাগার-জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান Logo গ্রাম্য আদালতকে উপেক্ষা করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ Logo কলমাকান্দায় কাঠের সেতু সংস্কার, উদ্বোধন করল শিক্ষার্থীরা

খুলনায় ‘‘ভূমি ব্যবহার, আবাসন ও উম্মুক্ত স্থান’’ বিষয়ক পরামর্শ কর্মশালা

খুলনা মহানগরীর জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা কৌশল প্রণয়নের লক্ষ্যে ‘‘ভূমি ব্যবহার, আবাসন ও উম্মুক্ত স্থান’’ বিষয়ক পরামর্শ কর্মশালায় সভাপতির বক্তৃতা করেন কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। খুলনা মহানগরীর জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা কৌশল প্রণয়নের লক্ষ্যে ‘‘ভূমি ব্যবহার, আবাসন ও উম্মুক্ত স্থান’’ বিষয়ক পরামর্শ কর্মশালা মঙ্গলবার সকালে নগরীর সিএসএস আভা সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেডিএর চেয়ারম্যান এসএম শফিকুল আলম। কেসিসি, কেডিএ, কেএফডব্লিউ ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ সরকার ও জার্মান উন্নয়ন ব্যাংকের (কেএফডব্লিউ) যৌথ অর্থায়নে খুলনা মহানগরীতে বাস্তবায়নাধীন “কাইমেট চেঞ্জ অ্যাডাপ্টেড আরবান ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (সিসিএইউডি) ফেজ-২’’ প্রকল্পের আওতায় দিনব্যাপী এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। সভাপতির বক্তৃতায় কেসিসি প্রশাসক বলেন, কেসিসি ও কেডিএ নগরীর উন্নয়নের জন্য কাজ করছে। আর উন্নয়নের জন্য ভূমির সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অপরিকল্পিত উন্নয়ন আমাদের সকলের জন্য ক্ষতিকর। সে কারণে বাস্তবতার নিরিখে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি বলেন, নগরীতে সরকারি বিভিন্ন সংস্থার মালিকানাধীন অনেক জায়গা অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে যেখানে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ তৈরী হয়ে আছে। রাজধানীর হাতির ঝিলের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন অব্যবহৃত জায়গাগুলি সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে ব্যবহারের আওতায় আনা গেলে শহরে নান্দনিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা সম্ভব। উল্লেখ্য, সিসিএইউডি প্রকল্পের আওতায় নগরীতে জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণে কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা দেয়া হচ্ছে। এছাড়া প্রকল্পের আওতায় দৌলতপুর ও মহেশ্বরপাশা শ্মশানঘাট এলাকায় নদী ভাঙন ও বন্যা রোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ, শহরের ৪টি গুরুত্বপূর্ণ প্রধান খাল পুনঃখনন এবং খালের দুই পাড় বাঁধাই ও সৌন্দর্যবর্ধন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ঠিক রাখতে শহরের প্রায় ১৭ থেকে ২৩টি সরকারি পুকুর পুন:খনন ও সংস্কার, সোনাডাঙ্গা বাইপাস সড়ক এবং রূপসা নদী সংলগ্ন ড্রেনেজ নেটওয়ার্কের উন্নয়ন ও নতুন পাম্পিং স্টেশন স্থাপন এবং নগরীর বাস্তুহারায় দৃষ্টিনন্দন ও জলবায়ু সহনশীল পার্ক নির্মাণ করা হচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রশাসক আরো বলেন, শহরের সংযোগ সড়কগুলি দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু সবগুলি সংযোগ সড়কের অবস্থা খুবই নাজুক। তিনি শহরের সীমানা সংলগ্্্ন খালের ওপর ছোট ছোট ব্রীজ নির্মাণ এবং আবাসন প্রকল্পসহ যে কোন সড়ক নির্মাণের সাথে ড্রেন নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। নগরীর উন্নয়ন কোন একক সংস্থার নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, উন্নয়ন সংস্থাগুলি একে অপরের প্রতিপক্ষ নয় সম্পূরক মাত্র। এমন বোঝাপড়া নিয়ে সকলে মিলে কাজ করলে এ শহরে নান্দনিক পরিবেশ তৈরী হওয়া কঠিন কিছু নয়। সম্মানিত অতিথির বক্তৃতায় কেডিএ চেয়রম্যান এসএম শফিকুল আলম বলেন, নগরীর আবাসন সংকট দূর করার জন্য কেডিএ দশটি আবাসিক এলাকার মাধ্যমে এ পর্যন্ত প্রায় ৪ হাজার প্লট বরাদ্দ দিয়েছে। পাশাপাশি সংস্থাটি নির্ধারিত নীতিমালার আলোকে বাড়ির নক্শার অনুমোদন দিয়ে থাকে। সম্প্রতি নক্শা অনুমোদনের ক্ষেত্রে প্রতিটি বাড়িতে সোলার সিস্টেম রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নিরালা দিঘীর পাড় বাঁধাই ও চারপাশে ওয়াকওয়ে নির্মাণ এবং দৌলতপুরের কল্পতরু মার্কেট ভেঙ্গে একটি মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান। আগামী প্রজন্মের জন্য মহানগরীকে বাসযোগ্য করতে হলে দখল হওয়া প্রাকৃতিক খাল পুনরুদ্ধারের কোন বিকল্প নেই উল্লেখ করে তিনি এ বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনকে উদ্যোগী হতে এবং জেলা প্রশাসনককে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের আহবান জানান। কেসিসি ও কেডিএ যৌথভাবে কাজ করলে এ শহরকে একটি বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করা সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, কেসিসি’র প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, কেডিএ’র প্রধান প্রকৌশলী কাজী সাবিরুল আলম ও কেএফডব্লিউ’র আরবান সেক্টর স্পেশালিস্ট শেখ তৌহিদুর রহমান। কর্মশালার বিষয়বস্তুর উপর বক্তৃতা করেন সিসিএইউডি প্রকল্পের আন্তর্জাতিক টীম লিডার শেখ মোহাম্মদ মেহেদী আহসান এবং স্বাগত বক্তৃতা করেন প্রকল্প পরিচালক ও কেসিসি’র চীফ প্লানিং অফিসার আবির উল জব্বার।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জনতা ব্যাংকে অ্যাসেট-লায়াবিলিটি ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

খুলনায় ‘‘ভূমি ব্যবহার, আবাসন ও উম্মুক্ত স্থান’’ বিষয়ক পরামর্শ কর্মশালা

আপডেট সময় ০২:৩৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

খুলনা মহানগরীর জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা কৌশল প্রণয়নের লক্ষ্যে ‘‘ভূমি ব্যবহার, আবাসন ও উম্মুক্ত স্থান’’ বিষয়ক পরামর্শ কর্মশালায় সভাপতির বক্তৃতা করেন কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। খুলনা মহানগরীর জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা কৌশল প্রণয়নের লক্ষ্যে ‘‘ভূমি ব্যবহার, আবাসন ও উম্মুক্ত স্থান’’ বিষয়ক পরামর্শ কর্মশালা মঙ্গলবার সকালে নগরীর সিএসএস আভা সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেডিএর চেয়ারম্যান এসএম শফিকুল আলম। কেসিসি, কেডিএ, কেএফডব্লিউ ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ সরকার ও জার্মান উন্নয়ন ব্যাংকের (কেএফডব্লিউ) যৌথ অর্থায়নে খুলনা মহানগরীতে বাস্তবায়নাধীন “কাইমেট চেঞ্জ অ্যাডাপ্টেড আরবান ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (সিসিএইউডি) ফেজ-২’’ প্রকল্পের আওতায় দিনব্যাপী এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। সভাপতির বক্তৃতায় কেসিসি প্রশাসক বলেন, কেসিসি ও কেডিএ নগরীর উন্নয়নের জন্য কাজ করছে। আর উন্নয়নের জন্য ভূমির সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অপরিকল্পিত উন্নয়ন আমাদের সকলের জন্য ক্ষতিকর। সে কারণে বাস্তবতার নিরিখে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি বলেন, নগরীতে সরকারি বিভিন্ন সংস্থার মালিকানাধীন অনেক জায়গা অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে যেখানে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ তৈরী হয়ে আছে। রাজধানীর হাতির ঝিলের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন অব্যবহৃত জায়গাগুলি সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে ব্যবহারের আওতায় আনা গেলে শহরে নান্দনিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা সম্ভব। উল্লেখ্য, সিসিএইউডি প্রকল্পের আওতায় নগরীতে জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণে কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা দেয়া হচ্ছে। এছাড়া প্রকল্পের আওতায় দৌলতপুর ও মহেশ্বরপাশা শ্মশানঘাট এলাকায় নদী ভাঙন ও বন্যা রোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ, শহরের ৪টি গুরুত্বপূর্ণ প্রধান খাল পুনঃখনন এবং খালের দুই পাড় বাঁধাই ও সৌন্দর্যবর্ধন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ঠিক রাখতে শহরের প্রায় ১৭ থেকে ২৩টি সরকারি পুকুর পুন:খনন ও সংস্কার, সোনাডাঙ্গা বাইপাস সড়ক এবং রূপসা নদী সংলগ্ন ড্রেনেজ নেটওয়ার্কের উন্নয়ন ও নতুন পাম্পিং স্টেশন স্থাপন এবং নগরীর বাস্তুহারায় দৃষ্টিনন্দন ও জলবায়ু সহনশীল পার্ক নির্মাণ করা হচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রশাসক আরো বলেন, শহরের সংযোগ সড়কগুলি দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু সবগুলি সংযোগ সড়কের অবস্থা খুবই নাজুক। তিনি শহরের সীমানা সংলগ্্্ন খালের ওপর ছোট ছোট ব্রীজ নির্মাণ এবং আবাসন প্রকল্পসহ যে কোন সড়ক নির্মাণের সাথে ড্রেন নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। নগরীর উন্নয়ন কোন একক সংস্থার নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, উন্নয়ন সংস্থাগুলি একে অপরের প্রতিপক্ষ নয় সম্পূরক মাত্র। এমন বোঝাপড়া নিয়ে সকলে মিলে কাজ করলে এ শহরে নান্দনিক পরিবেশ তৈরী হওয়া কঠিন কিছু নয়। সম্মানিত অতিথির বক্তৃতায় কেডিএ চেয়রম্যান এসএম শফিকুল আলম বলেন, নগরীর আবাসন সংকট দূর করার জন্য কেডিএ দশটি আবাসিক এলাকার মাধ্যমে এ পর্যন্ত প্রায় ৪ হাজার প্লট বরাদ্দ দিয়েছে। পাশাপাশি সংস্থাটি নির্ধারিত নীতিমালার আলোকে বাড়ির নক্শার অনুমোদন দিয়ে থাকে। সম্প্রতি নক্শা অনুমোদনের ক্ষেত্রে প্রতিটি বাড়িতে সোলার সিস্টেম রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নিরালা দিঘীর পাড় বাঁধাই ও চারপাশে ওয়াকওয়ে নির্মাণ এবং দৌলতপুরের কল্পতরু মার্কেট ভেঙ্গে একটি মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান। আগামী প্রজন্মের জন্য মহানগরীকে বাসযোগ্য করতে হলে দখল হওয়া প্রাকৃতিক খাল পুনরুদ্ধারের কোন বিকল্প নেই উল্লেখ করে তিনি এ বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনকে উদ্যোগী হতে এবং জেলা প্রশাসনককে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের আহবান জানান। কেসিসি ও কেডিএ যৌথভাবে কাজ করলে এ শহরকে একটি বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করা সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, কেসিসি’র প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, কেডিএ’র প্রধান প্রকৌশলী কাজী সাবিরুল আলম ও কেএফডব্লিউ’র আরবান সেক্টর স্পেশালিস্ট শেখ তৌহিদুর রহমান। কর্মশালার বিষয়বস্তুর উপর বক্তৃতা করেন সিসিএইউডি প্রকল্পের আন্তর্জাতিক টীম লিডার শেখ মোহাম্মদ মেহেদী আহসান এবং স্বাগত বক্তৃতা করেন প্রকল্প পরিচালক ও কেসিসি’র চীফ প্লানিং অফিসার আবির উল জব্বার।