ঢাকা ০৮:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কালীগঞ্জ পৌর এলাকার ১০ কিলোমিটার মহাসড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি, বেপরোয়া বাস ও অবৈধ পার্কিংয়ে আতঙ্ক Logo আবুল কালাম এম.পির আন্তরিক প্রচেষ্টায় লাকসামে উন্নয়নের বিপ্লব: ৭ মাসে সাড়ে ৩৩ কোটি টাকায় ৪৯ প্রকল্প বাস্তবায়ন Logo বদলগাছীতে সহোদর দুই বোনকে বিয়ে করলেন টিকটকার মাসুদ Logo চাঁদপুরের প্রতিটি ইউনিয়নে গড়ে তোলা হবে একটি করে পাঠাগার-জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান Logo গ্রাম্য আদালতকে উপেক্ষা করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ Logo কলমাকান্দায় কাঠের সেতু সংস্কার, উদ্বোধন করল শিক্ষার্থীরা Logo রাষ্ট্র কাঠামো পরিবর্তন না হলে তারেক রহমানও শেখ হাসিনার পথে হাঁটবেন-আহবায়ক নাহিদ ইসলাম Logo গণ-অধিকার পরিষদের ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য রেলি ও আলোচনা সভা Logo লালমোহনে স্পিকারের অনুদানের চেক পেলেন ১৯০টি অসহায় ও দুস্থ পরিবার Logo মাতামুহুরীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের মহোৎসব: ভারী ট্রাকে পিষ্ট হয়ে ভেঙে চৌচির ১৫ কিমি সড়ক হুমকিতে বেতুয়াবাজার ব্রিজ ও নদীর গাইড ওয়াল, প্রশাসনের কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি

কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা, পণ্য বৈচিত্র্য, উদ্ভাবন ও গবেষণায় অগ্রাধিকার সরকারের : মাহদী আমিন

গতকাল রোববার রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাগত শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন উপলক্ষে ‘কৃষিই কৃষ্টি - কৃষিই সমৃদ্ধি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মাহদী আমিন। ছবি : সংগৃহীত

কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা, পণ্য বৈচিত্র্য এবং গবেষণা ও উদ্ভাবনকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা ও আগ্রহ অনুযায়ী এগিয়ে যাওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করতে চায় সরকার।
গতকাল রোববার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) নবাগত শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন উপলক্ষে ‘কৃষিই কৃষ্টি-কৃষিই সমৃদ্ধি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে মাহদী আমিন এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, কেউ যদি গবেষণা ও উদ্ভাবনে নিজেকে নিবেদিত করতে চান, তবে তার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, উপকরণ ও আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। এছাড়া কেউ যদি কৃষিভিত্তিক বা অন্য কোনো খাতে উদ্যোক্তা হতে চান, সেই উদ্যোগ সফল করতেও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আর্থিক সহায়তা দেবে সরকার।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশজুড়ে ‘কৃষক কার্ড’ বাস্তবায়নের কার্যক্রমও ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে নগদ অর্থ ও ঋণ সুবিধা প্রদানে বিএনপি সরকারের পূর্ববর্তী অর্জনের ধারাবাহিকতাকেই এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলের কৃষি অগ্রযাত্রার সূচনা এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে কৃষিখাতকে শক্তিশালী ও রপ্তানিমুখী করার অভিজ্ঞতা ও সাফল্যকে ধারণ করেই বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
মাহদী আমিন বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে দেশের সকল কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষিঋণ মওকুফের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে বর্তমান গণতান্ত্রিক ও নির্বাচিত সরকার। কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে খাদ্যে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার যে লক্ষ্য নিয়ে সরকার এগিয়ে যাচ্ছে, সেই যাত্রায় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলেও দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন মাহদী আমিন।
বর্তমান সরকারের মেয়াদ ও ধারাবাহিকতার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র পাঁচ মাস পূর্ণ হয়েছে। অর্থাৎ এই শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সূচনা হয়েছে এই সরকারের আমলে। চার বছর পর যখন তারা স্নাতক সম্পন্ন করবেন, তখনও এই সরকারের ধারাবাহিকতার মধ্য দিয়েই তাদের শিক্ষাজীবন পরিপূর্ণ হবে। তাই সরকারের বিভিন্ন নীতিমালা, পরিকল্পনা ও প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন-ভাবনা শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে বাস্তবে প্রতিফলিত হয়ে দেশ গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।
কৃষকদের জীবনমান উন্নয়ন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে তাদের কাছে সহজ ও সুলভ শর্তে ঋণ পৌঁছে দেওয়া এবং সেচ, বীজ, সার ও কৃষিযন্ত্রের মতো প্রয়োজনীয় উপকরণসমূহ আরও সাশ্রয়ী মূল্যে এবং সহজলভ্য করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
বাংলাদেশকে খাদ্যে আরও বেশি স্বয়ংসম্পূর্ণ করার পাশাপাশি তরুণদের মাধ্যমে কৃষি উদ্যোক্তার সংখ্যা বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র।
তিনি বলেন, শুধু কৃষির উৎপাদনশীলতা ও বহুমুখীকরণ বৃদ্ধি করাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য নয়। একই সঙ্গে সেচ, বীজ, সার, কীটনাশক ও কৃষিযন্ত্রের মতো কৃষির প্রয়োজনীয় সব উপকরণ কৃষকদের জন্য সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী মূল্যে নিশ্চিত করার উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
কৃষিপণ্যের সাপ্লাই চেইন ও মূল্যশৃঙ্খল গড়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, বর্তমানে অনেক কৃষিপণ্য পর্যাপ্ত উৎপাদিত হলেও উৎপাদন এলাকা থেকে ভোক্তার কাছে পৌঁছাতে দাম কয়েক গুণ বেড়ে যায় এবং সংরক্ষণের অভাবে একটি অংশ নষ্ট হয়। এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে স্থানীয় পর্যায়ে সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণ জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরি ও আধুনিক কৃষিবাজার গড়ে তোলার মাধ্যমে কৃষিপণ্যের সঠিক মূল্য নিশ্চিত ও অপচয় রোধ করা সম্ভব হবে।
কৃষিপণ্যের অপচয় রোধ, সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং রপ্তানিমুখী কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলতে ভ্যালু অ্যাডিশন (মূল্য সংযোজন) ও ডাইভার্সিফিকেশনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন মাহদী আমিন।
তিনি বলেন, কৃষিপণ্যের সাপ্লাই চেইন আরও কার্যকর করা, সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়ানো এবং পণ্যে ভ্যালু অ্যাডিশন করা এখন সময়ের অন্যতম বড় দাবি।
উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, আম থেকে চাটনি বা জুস এবং টমেটো থেকে সস বা অন্যান্য প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য তৈরি করা সম্ভব। এভাবে কৃষিপণ্যে ভ্যালু অ্যাড করতে পারলে একদিকে যেমন অপচয় কমবে, অন্যদিকে সাপ্লাই চেইন শক্তিশালী হবে এবং দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগে পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখা যাবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কালীগঞ্জ পৌর এলাকার ১০ কিলোমিটার মহাসড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি, বেপরোয়া বাস ও অবৈধ পার্কিংয়ে আতঙ্ক

কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা, পণ্য বৈচিত্র্য, উদ্ভাবন ও গবেষণায় অগ্রাধিকার সরকারের : মাহদী আমিন

আপডেট সময় ০৬:৩৫:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা, পণ্য বৈচিত্র্য এবং গবেষণা ও উদ্ভাবনকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা ও আগ্রহ অনুযায়ী এগিয়ে যাওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করতে চায় সরকার।
গতকাল রোববার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) নবাগত শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন উপলক্ষে ‘কৃষিই কৃষ্টি-কৃষিই সমৃদ্ধি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে মাহদী আমিন এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, কেউ যদি গবেষণা ও উদ্ভাবনে নিজেকে নিবেদিত করতে চান, তবে তার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, উপকরণ ও আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। এছাড়া কেউ যদি কৃষিভিত্তিক বা অন্য কোনো খাতে উদ্যোক্তা হতে চান, সেই উদ্যোগ সফল করতেও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আর্থিক সহায়তা দেবে সরকার।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশজুড়ে ‘কৃষক কার্ড’ বাস্তবায়নের কার্যক্রমও ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে নগদ অর্থ ও ঋণ সুবিধা প্রদানে বিএনপি সরকারের পূর্ববর্তী অর্জনের ধারাবাহিকতাকেই এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলের কৃষি অগ্রযাত্রার সূচনা এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে কৃষিখাতকে শক্তিশালী ও রপ্তানিমুখী করার অভিজ্ঞতা ও সাফল্যকে ধারণ করেই বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
মাহদী আমিন বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে দেশের সকল কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষিঋণ মওকুফের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে বর্তমান গণতান্ত্রিক ও নির্বাচিত সরকার। কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে খাদ্যে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার যে লক্ষ্য নিয়ে সরকার এগিয়ে যাচ্ছে, সেই যাত্রায় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলেও দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন মাহদী আমিন।
বর্তমান সরকারের মেয়াদ ও ধারাবাহিকতার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র পাঁচ মাস পূর্ণ হয়েছে। অর্থাৎ এই শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সূচনা হয়েছে এই সরকারের আমলে। চার বছর পর যখন তারা স্নাতক সম্পন্ন করবেন, তখনও এই সরকারের ধারাবাহিকতার মধ্য দিয়েই তাদের শিক্ষাজীবন পরিপূর্ণ হবে। তাই সরকারের বিভিন্ন নীতিমালা, পরিকল্পনা ও প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন-ভাবনা শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে বাস্তবে প্রতিফলিত হয়ে দেশ গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।
কৃষকদের জীবনমান উন্নয়ন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে তাদের কাছে সহজ ও সুলভ শর্তে ঋণ পৌঁছে দেওয়া এবং সেচ, বীজ, সার ও কৃষিযন্ত্রের মতো প্রয়োজনীয় উপকরণসমূহ আরও সাশ্রয়ী মূল্যে এবং সহজলভ্য করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
বাংলাদেশকে খাদ্যে আরও বেশি স্বয়ংসম্পূর্ণ করার পাশাপাশি তরুণদের মাধ্যমে কৃষি উদ্যোক্তার সংখ্যা বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র।
তিনি বলেন, শুধু কৃষির উৎপাদনশীলতা ও বহুমুখীকরণ বৃদ্ধি করাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য নয়। একই সঙ্গে সেচ, বীজ, সার, কীটনাশক ও কৃষিযন্ত্রের মতো কৃষির প্রয়োজনীয় সব উপকরণ কৃষকদের জন্য সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী মূল্যে নিশ্চিত করার উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
কৃষিপণ্যের সাপ্লাই চেইন ও মূল্যশৃঙ্খল গড়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, বর্তমানে অনেক কৃষিপণ্য পর্যাপ্ত উৎপাদিত হলেও উৎপাদন এলাকা থেকে ভোক্তার কাছে পৌঁছাতে দাম কয়েক গুণ বেড়ে যায় এবং সংরক্ষণের অভাবে একটি অংশ নষ্ট হয়। এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে স্থানীয় পর্যায়ে সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণ জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরি ও আধুনিক কৃষিবাজার গড়ে তোলার মাধ্যমে কৃষিপণ্যের সঠিক মূল্য নিশ্চিত ও অপচয় রোধ করা সম্ভব হবে।
কৃষিপণ্যের অপচয় রোধ, সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং রপ্তানিমুখী কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলতে ভ্যালু অ্যাডিশন (মূল্য সংযোজন) ও ডাইভার্সিফিকেশনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন মাহদী আমিন।
তিনি বলেন, কৃষিপণ্যের সাপ্লাই চেইন আরও কার্যকর করা, সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়ানো এবং পণ্যে ভ্যালু অ্যাডিশন করা এখন সময়ের অন্যতম বড় দাবি।
উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, আম থেকে চাটনি বা জুস এবং টমেটো থেকে সস বা অন্যান্য প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য তৈরি করা সম্ভব। এভাবে কৃষিপণ্যে ভ্যালু অ্যাড করতে পারলে একদিকে যেমন অপচয় কমবে, অন্যদিকে সাপ্লাই চেইন শক্তিশালী হবে এবং দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগে পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখা যাবে।