ঢাকা ১১:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা বাদীকে হত্যার হুমকি, বিচার দাবিতে মানববন্ধন Logo বোয়ালমারী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৫ শতাধিক ছাত্রীর জন্য শিক্ষক মাত্র ৩ জন: ১২ পদের ৯টিই শূন্য Logo বদলগাছীতে জাতীয় কবি “ নজরুল বর্ষের “ সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ Logo কয়রায় আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও র‌্যালি Logo ঘাটাইলে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি Logo আগৈলঝাড়ায় র‌্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উদযাপিত Logo মানবিক বিবেচনায় ছাড় না দিলে কঠোর কর্মসূচি আগামীতে Logo শতবর্ষী কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির একাডেমিক ভবনঘেঁষে ময়লার ভাগাড়, ছয় মাস ধরে বন্ধ শ্রেণিকক্ষে পাঠদান Logo কালীগঞ্জে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসে র‌্যালি-আলোচনা Logo প্রবীণরা বোঝা নয় তারা আমাদের শিকড়-আবুজার ইজাজুল হক

বলদিয়ায় বাল্যবিবাহ দেওয়ার অভিযোগ

সমাজ সেবার নামে নোংরা রাজনীতি করে চরম বিতর্কিত হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ উঠেছে বলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধি মোঃ সোহাগ মৃধার বিরুদ্ধে। পাশাপাশি নারী সংরক্ষিত ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি শিউলী মেম্বারপ খল নায়িকা হিসেবে অপরাধী হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, বিগত সময়ে সরকারি নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে বেআইনী কাজকর্ম করে চরম নিন্দিত ও বিতর্কিত সোহাগ মৃধা। নারী ও শিশু কিশোর বিবাহ আইনের ধারা উপেক্ষা করে বলদিয়া ইউনিয়নের মধ্যে কম বয়সী কিশোরীদের বিবাহ দিয়ে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। মেয়ে ও ছেলের পরিবার থেকে পৃথকভাবে মোটা অংকের টাকা নিয়ে চরম নিন্দিত উভয়ই জনপ্রতিনিধি। বিগত আওয়ামী লীগের সময়ে সোহাগ মৃধা ছিল নম্বর ওয়ান। আওয়ামী লীগের ক্ষমতা প্রয়োগ করে রাজাবাড়ি সহ সমগ্র এলাকায় একচ্ছত্র আধিপত্য ছিলো। বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার বন্দনায় মত্ত ছিল। অথচ আওয়ামী লীগের পূর্বে বিএনপির রাজনীতির মাঠে সম্পৃক্ত ছিল বলে এলাকার বাসিন্দারা গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন। বহুরুপি সোহাগ মেম্বার আসলেই জিলাপি প্যাচের মনমানসিকতার স্বভাবে নিহিত। নইলে সব সময় প্রতিটি কাজের মধ্যে নেগেটিভ চিন্তা ভাবনা নিয়ে চরম বিতর্কিত হওয়ার শতভাগ সত্যতা রয়েছে। এব্যাপারে এলাকার বাসিন্দারা নাম না প্রকাশের শর্তে গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, বহুরুপী এবং কূটকৌশলী মেম্বার হিসেবে ঝুড়ি মেলা ভার। এছাড়াও সোহাগ মেম্বার বিগত সময়ে নানান অনিয়মের গডফাদারও বলা যায় নিঃসন্দেহে। সরেজমিনে যাওয়া গণ মাধ্যম কর্মীরা ইউনিয়নের মধ্যে বিভিন্ন ওয়ার্ডের খোঁজ খবর নেয়।সাধারণ মানুষ ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। তবে অনেকেই সাহসী উচ্চারণ করে বলেন,বাল্য বিবাহে আমাদের বলদিয়া ইউনিয়ন শীর্ষে। সোহাগ মেম্বারের মত জনপ্রতিনিধি থাকলে সরকারও ভয় পায়। আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে বাল্য বিবাহ দিচ্ছে হরহামেশাই। রাষ্ট্রের আইন কানুন মানতে নারাজ সোহাগ মেম্বার ও শিউলি মেম্বার। রাষ্ট্রের আইন ১৮ মেয়েদের এবং ছেলেদের ২২ এর আগে বিয়ে নয়। অথচ মোটা অংকের বিনিয়োগ এ-ই দুই জনপ্রতিনিধি বাল্য বিবাহ দিয়ে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার সত্যতা রয়েছে। রাষ্ট্রের আইন কানুনের প্রয়োগ নেই বলদিয়া ইউনিয়নে। আওয়ামী লীগের সময়ে যাখুশি তাই করেছেন। বর্তমান সময়েও আবারও বেপরোয়া স্বভাবের হয়ে দারুণ বিতর্কিত। বর্তমান সময়ে বিএনপি সরকারের বদনাম করার জন্য সোহাগ মেম্বার ও শিউলি মেম্বারই যথেষ্ট। নইলে অল্প বয়সে কোমলমতি শিশুদের বিয়ে দিয়ে একটা নজির স্থাপন করেছেন। সবাই বলে, বিয়ে দিতে চান। চলে আসুন শিউলি মেম্বার ও সোহাগ মেম্বারের কাছে। সব সমস্যা সমাধান করে দিবেন নিমিষেই। পুলিশ প্রশাসনের লোকজন সোহাগ মেম্বারের কব্জায়। আর কিছু কিছু লোভী এবং নীতি ভ্রষ্ট গণমাধ্যম কর্মীদের কিনে নেওয়ার জন্য দারুণ পারদর্শী। বলদিয়া ইউনিয়নে প্রবাদ আছে, মন্দ ও বিতর্কিত লোকজনের বড় বন্ধু সোহাগ মেম্বার। আর সেই কারনে সমাজের মধ্যে সবচেয়ে বিতর্কিত এবং খারাপ কাজের গডফাদার সোহাগ মৃধা মেম্বার। গ্রামের বাসিন্দা কদম আলী সহ লিয়াকত ও ফাতেমারা রাগে এবং দুঃখের সাথে বলেন, শিউলি মেম্বার ও সোহাগ মেম্বারের কারনে আমার মেয়ে নিঃস্ব। অল্প বয়সে বিয়ে না দিলে আমাদের মেয়ে অকালে চলে যেতো না। কম বয়সে মা হওয়ার কারনে আমার মেয়ে পরপারে চলে গেলেন। বাল্য বিবাহ বন্ধ হোক। সোহাগ মেম্বার ও শিউলি মেম্বারদের কঠিন শাস্তি হোক। পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসনের কিছু কিছু লোকজনের কঠিন শাস্তি হোক। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী কথা হয় বলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধি মোঃ সোহাগ মৃধার সাথে। তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের সন্মানে বলেন, আমার কি দোষ? পুলিশ প্রশাসনের লোকজনই বাল্য বিবাহ বন্ধ করতে সক্ষম। আমরা চেষ্টা করলেই বিবাহ বন্ধ হয়না। মেয়ে পরিবার ও ছেলে পরিবার আমাদের কাছে আসে। আমি সঠিক পরামর্শ দেওয়া হলেও কাজে আসে না। বরং মোটা অংকের বিনিময়ে বাল্য বিবাহ হচ্ছে। প্রশাসনের লোকজন আসা মাত্রই টাকা দেওয়া হয়। স্থানীয় নেতাদের অর্থ কড়ি দেওয়া হয়।সর্বশেষ আসে গণমাধ্যম কর্মীরা। আমাদের উপজেলার মধ্যে ৯৫% সাংবাদিকরা অন্যায়ের কাছে মাথা নত করে মোটা অংকের টাকা নিয়ে চলে যায়। তবে একজন সাংবাদিক আছেন বড্ড তেড়া। টাকা দিয়ে কাবু করা যায় না। নীতি আদর্শের সৈনিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে সব সময় কাজকর্ম করেন। তিনি আরও বলেন আমাদের দুই জনের কাছে ছুটে আসে আর আমরা মানবতার জন্য সেবা করি। মজার বিষয় কাজীরা মূল দলিলে নাম অন্তভূক্ত করেন না। গোঁজামিল থাকে আমাদের কাজে কর্মে। তিনি অকপটে গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, আসলে বাল্য বিবাহ ভালো না। এটা চিরতরে বন্ধ হোক। এদিকে নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, বাল্য বিবাহ বন্ধ করতে হলে সবার আগে গণসচেতনতা তৈরী করতে হবে। আইনের যথাযথ প্রয়োগ হতে হবে। সবার আগে মা বাবা-মাদের এগিয়ে আসতে হবে, আমাদের ছেলে মেয়েদের বাল্য বিবাহ দিবো না। তাহলে আইনের প্রয়োজন হয়না।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা বাদীকে হত্যার হুমকি, বিচার দাবিতে মানববন্ধন

বলদিয়ায় বাল্যবিবাহ দেওয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় ০৯:০৪:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

সমাজ সেবার নামে নোংরা রাজনীতি করে চরম বিতর্কিত হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ উঠেছে বলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধি মোঃ সোহাগ মৃধার বিরুদ্ধে। পাশাপাশি নারী সংরক্ষিত ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি শিউলী মেম্বারপ খল নায়িকা হিসেবে অপরাধী হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, বিগত সময়ে সরকারি নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে বেআইনী কাজকর্ম করে চরম নিন্দিত ও বিতর্কিত সোহাগ মৃধা। নারী ও শিশু কিশোর বিবাহ আইনের ধারা উপেক্ষা করে বলদিয়া ইউনিয়নের মধ্যে কম বয়সী কিশোরীদের বিবাহ দিয়ে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। মেয়ে ও ছেলের পরিবার থেকে পৃথকভাবে মোটা অংকের টাকা নিয়ে চরম নিন্দিত উভয়ই জনপ্রতিনিধি। বিগত আওয়ামী লীগের সময়ে সোহাগ মৃধা ছিল নম্বর ওয়ান। আওয়ামী লীগের ক্ষমতা প্রয়োগ করে রাজাবাড়ি সহ সমগ্র এলাকায় একচ্ছত্র আধিপত্য ছিলো। বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার বন্দনায় মত্ত ছিল। অথচ আওয়ামী লীগের পূর্বে বিএনপির রাজনীতির মাঠে সম্পৃক্ত ছিল বলে এলাকার বাসিন্দারা গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন। বহুরুপি সোহাগ মেম্বার আসলেই জিলাপি প্যাচের মনমানসিকতার স্বভাবে নিহিত। নইলে সব সময় প্রতিটি কাজের মধ্যে নেগেটিভ চিন্তা ভাবনা নিয়ে চরম বিতর্কিত হওয়ার শতভাগ সত্যতা রয়েছে। এব্যাপারে এলাকার বাসিন্দারা নাম না প্রকাশের শর্তে গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, বহুরুপী এবং কূটকৌশলী মেম্বার হিসেবে ঝুড়ি মেলা ভার। এছাড়াও সোহাগ মেম্বার বিগত সময়ে নানান অনিয়মের গডফাদারও বলা যায় নিঃসন্দেহে। সরেজমিনে যাওয়া গণ মাধ্যম কর্মীরা ইউনিয়নের মধ্যে বিভিন্ন ওয়ার্ডের খোঁজ খবর নেয়।সাধারণ মানুষ ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। তবে অনেকেই সাহসী উচ্চারণ করে বলেন,বাল্য বিবাহে আমাদের বলদিয়া ইউনিয়ন শীর্ষে। সোহাগ মেম্বারের মত জনপ্রতিনিধি থাকলে সরকারও ভয় পায়। আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে বাল্য বিবাহ দিচ্ছে হরহামেশাই। রাষ্ট্রের আইন কানুন মানতে নারাজ সোহাগ মেম্বার ও শিউলি মেম্বার। রাষ্ট্রের আইন ১৮ মেয়েদের এবং ছেলেদের ২২ এর আগে বিয়ে নয়। অথচ মোটা অংকের বিনিয়োগ এ-ই দুই জনপ্রতিনিধি বাল্য বিবাহ দিয়ে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার সত্যতা রয়েছে। রাষ্ট্রের আইন কানুনের প্রয়োগ নেই বলদিয়া ইউনিয়নে। আওয়ামী লীগের সময়ে যাখুশি তাই করেছেন। বর্তমান সময়েও আবারও বেপরোয়া স্বভাবের হয়ে দারুণ বিতর্কিত। বর্তমান সময়ে বিএনপি সরকারের বদনাম করার জন্য সোহাগ মেম্বার ও শিউলি মেম্বারই যথেষ্ট। নইলে অল্প বয়সে কোমলমতি শিশুদের বিয়ে দিয়ে একটা নজির স্থাপন করেছেন। সবাই বলে, বিয়ে দিতে চান। চলে আসুন শিউলি মেম্বার ও সোহাগ মেম্বারের কাছে। সব সমস্যা সমাধান করে দিবেন নিমিষেই। পুলিশ প্রশাসনের লোকজন সোহাগ মেম্বারের কব্জায়। আর কিছু কিছু লোভী এবং নীতি ভ্রষ্ট গণমাধ্যম কর্মীদের কিনে নেওয়ার জন্য দারুণ পারদর্শী। বলদিয়া ইউনিয়নে প্রবাদ আছে, মন্দ ও বিতর্কিত লোকজনের বড় বন্ধু সোহাগ মেম্বার। আর সেই কারনে সমাজের মধ্যে সবচেয়ে বিতর্কিত এবং খারাপ কাজের গডফাদার সোহাগ মৃধা মেম্বার। গ্রামের বাসিন্দা কদম আলী সহ লিয়াকত ও ফাতেমারা রাগে এবং দুঃখের সাথে বলেন, শিউলি মেম্বার ও সোহাগ মেম্বারের কারনে আমার মেয়ে নিঃস্ব। অল্প বয়সে বিয়ে না দিলে আমাদের মেয়ে অকালে চলে যেতো না। কম বয়সে মা হওয়ার কারনে আমার মেয়ে পরপারে চলে গেলেন। বাল্য বিবাহ বন্ধ হোক। সোহাগ মেম্বার ও শিউলি মেম্বারদের কঠিন শাস্তি হোক। পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসনের কিছু কিছু লোকজনের কঠিন শাস্তি হোক। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী কথা হয় বলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধি মোঃ সোহাগ মৃধার সাথে। তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের সন্মানে বলেন, আমার কি দোষ? পুলিশ প্রশাসনের লোকজনই বাল্য বিবাহ বন্ধ করতে সক্ষম। আমরা চেষ্টা করলেই বিবাহ বন্ধ হয়না। মেয়ে পরিবার ও ছেলে পরিবার আমাদের কাছে আসে। আমি সঠিক পরামর্শ দেওয়া হলেও কাজে আসে না। বরং মোটা অংকের বিনিময়ে বাল্য বিবাহ হচ্ছে। প্রশাসনের লোকজন আসা মাত্রই টাকা দেওয়া হয়। স্থানীয় নেতাদের অর্থ কড়ি দেওয়া হয়।সর্বশেষ আসে গণমাধ্যম কর্মীরা। আমাদের উপজেলার মধ্যে ৯৫% সাংবাদিকরা অন্যায়ের কাছে মাথা নত করে মোটা অংকের টাকা নিয়ে চলে যায়। তবে একজন সাংবাদিক আছেন বড্ড তেড়া। টাকা দিয়ে কাবু করা যায় না। নীতি আদর্শের সৈনিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে সব সময় কাজকর্ম করেন। তিনি আরও বলেন আমাদের দুই জনের কাছে ছুটে আসে আর আমরা মানবতার জন্য সেবা করি। মজার বিষয় কাজীরা মূল দলিলে নাম অন্তভূক্ত করেন না। গোঁজামিল থাকে আমাদের কাজে কর্মে। তিনি অকপটে গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, আসলে বাল্য বিবাহ ভালো না। এটা চিরতরে বন্ধ হোক। এদিকে নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, বাল্য বিবাহ বন্ধ করতে হলে সবার আগে গণসচেতনতা তৈরী করতে হবে। আইনের যথাযথ প্রয়োগ হতে হবে। সবার আগে মা বাবা-মাদের এগিয়ে আসতে হবে, আমাদের ছেলে মেয়েদের বাল্য বিবাহ দিবো না। তাহলে আইনের প্রয়োজন হয়না।