ঢাকা ০৯:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সাহিত্য সংস্কৃতির চর্চা ছাড়া মননশীল রাজনৈতিক কর্মী ও নেতা তৈরি হয় না:এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের Logo বোয়ালমারী প্রাণিসম্পদ দপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ; প্রশ্নের মুখে উন্নয়ন বরাদ্দ ও মাঠসেবা Logo ঈশ্বরগঞ্জে গভীর রাতে কৃষি ব্যাংকে ডাকাতির চেষ্টা-যুবক গ্রেফতার Logo সাংবাদিক আলিফ হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন Logo বালাগঞ্জ-ওসমানীনগর উপজেলা কল্যাণ সমিতি, সিলেটের নতুন কমিটি গঠন Logo সুনামগঞ্জের ৪৪৪টি পূজামন্ডপে সম্পন্ন হলো শারদীয় দুর্গাপূজা, প্রতিমা বির্সজনে সমাপ্ত Logo স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর প্রচেষ্টায় সেই জলকদর খালে এবার নির্মিত হবে পাকা সেতু Logo রাউজান কদলপুরে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রাক্তন ছাত্র সমিতির বই বিতরণ Logo মতলবে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৬৪ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জগন্নাথকাঠীতে রাতের অন্ধকারে সন্ত্রাসী কায়দায় প্রতিষ্ঠানে তালা!

স্মার্টফোনসহ সব ধরণের মাল্টিমিডিয়া ডিভাইস নিষিদ্ধ করলো দেওবন্দ

শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং পড়াশোনায় মনোযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্মার্টফোনসহ সব ধরণের মাল্টিমিডিয়া ডিভাইসের ব্যবহারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বিশ্বখ্যাত ইসলামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দ।
প্রতিষ্ঠানটির হোস্টেল ইনচার্জ মুফতি আশরাফ আব্বাসের পক্ষ থেকে জারি করা এক অফিসিয়াল আদেশে জানানো হয়েছে, এখন থেকে কোনো শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের ভেতরে স্মার্টফোন, ট্যাবলেট বা অন্য কোনো মাল্টিমিডিয়া মোবাইল ফোন রাখতে বা ব্যবহার করতে পারবেন না। এই নির্দেশনা অমান্য করলে সরাসরি বহিষ্কারের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করে মুফতি আশরাফ আব্বাস বলেন, শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্তি থেকে দূরে রাখতে এবং পড়াশোনায় পূর্ণ মনোযোগ নিশ্চিত করতেই এই বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘‘শিক্ষার্থীদের সুশৃঙ্খল রাখা এবং শিক্ষার প্রতি তাদের আগ্রহ বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’’
অফিসিয়াল নোটিশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তল্লাশির সময় কারো কাছে মাল্টিমিডিয়া ডিভাইস পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডিভাইস উদ্ধারের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার অজুহাত বা তিল পরিমাণ শিথিলতা প্রদর্শন করা হবে না উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যদি কোনো শিক্ষার্থীর কাছে স্মার্টফোন পাওয়া যায়, তবে তিনি সেটি ব্যবহার করুন বা না করুন—তা তার অপরাধ হিসেবেই গণ্য হবে। স্মার্টফোন রাখার দায়ে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে ‘আখরাজ’ বা প্রতিষ্ঠান থেকে সরাসরি বহিষ্কার করা হবে।
কর্তৃপক্ষের মতে, স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার শিক্ষার্থীদের একাডেমিক পারফরম্যান্সের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং তাদের মূল লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করে।
দারুল উলুম দেওবন্দে এ ধরণের নিষেধাজ্ঞা এবারই প্রথম নয়। গত বছরও একই ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল এবং নিয়ম কার্যকর করতে হস্টেলের কক্ষগুলোতে নিয়মিত তল্লাশি চালানো হয়েছিল।
ডিজিটাল মাধ্যমের বিচ্যুতি এড়িয়ে শিক্ষার্থীরা যাতে পুরোপুরি ধর্মীয় ও একাডেমিক শিক্ষায় মনোনিবেশ করতে পারেন, সেই পরিবেশ তৈরি করতেই এবার আগের চেয়েও কঠোরভাবে এই নিয়ম কার্যকর করার লক্ষ্য নিয়েছে দেওবন্দ কর্তৃপক্ষ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাহিত্য সংস্কৃতির চর্চা ছাড়া মননশীল রাজনৈতিক কর্মী ও নেতা তৈরি হয় না:এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের

স্মার্টফোনসহ সব ধরণের মাল্টিমিডিয়া ডিভাইস নিষিদ্ধ করলো দেওবন্দ

আপডেট সময় ০৭:৫৬:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং পড়াশোনায় মনোযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্মার্টফোনসহ সব ধরণের মাল্টিমিডিয়া ডিভাইসের ব্যবহারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বিশ্বখ্যাত ইসলামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দ।
প্রতিষ্ঠানটির হোস্টেল ইনচার্জ মুফতি আশরাফ আব্বাসের পক্ষ থেকে জারি করা এক অফিসিয়াল আদেশে জানানো হয়েছে, এখন থেকে কোনো শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের ভেতরে স্মার্টফোন, ট্যাবলেট বা অন্য কোনো মাল্টিমিডিয়া মোবাইল ফোন রাখতে বা ব্যবহার করতে পারবেন না। এই নির্দেশনা অমান্য করলে সরাসরি বহিষ্কারের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করে মুফতি আশরাফ আব্বাস বলেন, শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্তি থেকে দূরে রাখতে এবং পড়াশোনায় পূর্ণ মনোযোগ নিশ্চিত করতেই এই বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘‘শিক্ষার্থীদের সুশৃঙ্খল রাখা এবং শিক্ষার প্রতি তাদের আগ্রহ বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’’
অফিসিয়াল নোটিশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তল্লাশির সময় কারো কাছে মাল্টিমিডিয়া ডিভাইস পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডিভাইস উদ্ধারের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার অজুহাত বা তিল পরিমাণ শিথিলতা প্রদর্শন করা হবে না উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যদি কোনো শিক্ষার্থীর কাছে স্মার্টফোন পাওয়া যায়, তবে তিনি সেটি ব্যবহার করুন বা না করুন—তা তার অপরাধ হিসেবেই গণ্য হবে। স্মার্টফোন রাখার দায়ে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে ‘আখরাজ’ বা প্রতিষ্ঠান থেকে সরাসরি বহিষ্কার করা হবে।
কর্তৃপক্ষের মতে, স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার শিক্ষার্থীদের একাডেমিক পারফরম্যান্সের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং তাদের মূল লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করে।
দারুল উলুম দেওবন্দে এ ধরণের নিষেধাজ্ঞা এবারই প্রথম নয়। গত বছরও একই ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল এবং নিয়ম কার্যকর করতে হস্টেলের কক্ষগুলোতে নিয়মিত তল্লাশি চালানো হয়েছিল।
ডিজিটাল মাধ্যমের বিচ্যুতি এড়িয়ে শিক্ষার্থীরা যাতে পুরোপুরি ধর্মীয় ও একাডেমিক শিক্ষায় মনোনিবেশ করতে পারেন, সেই পরিবেশ তৈরি করতেই এবার আগের চেয়েও কঠোরভাবে এই নিয়ম কার্যকর করার লক্ষ্য নিয়েছে দেওবন্দ কর্তৃপক্ষ।