ঢাকা ০৬:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুড়িগ্রামের উলিপুরে অনুসন্ধান ও উদ্ধার উপকরণ সামগ্রী বিতরণ Logo রৌমারী রাজিবপুরে পূজামন্ডপ ও বিভিন্ন অফিস পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসন Logo দাগনভূঞার পূর্ব চন্দ্রপুর ইউপিতে বিএনপির মনোনয়ন ঘিরে বহুমুখী হিসাব-নিকাশ, আলোচনায় ১১ নেতা Logo ফটিকছড়িতে সৈয়দ গোলামুর রহমান বাবাভান্ডারীর পবিত্র খোশরোজ শরীফ Logo কলমাকান্দায় ১০ নারী ক্ষমতায়ন ও স্থিতিস্থাপক ভবিষ্যৎ গঠনে অবদানের স্বীকৃতি Logo দুর্গাপূজায় দিনাজপুর সীমান্তে ৪২ বিজিবির কঠোর নিরাপত্তা, নজরদারিতে ৮৬ ম-প Logo গাসিকের উন্নয়ন কর্মকা-ে সক্রিয় অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সুদীপ বসাকঅবকাঠামো নির্মাণ, প্রকল্প তদারকি ও নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্ব Logo পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী রাজশাহীর টি-বাঁধ পরিদর্শন করেছেন Logo সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে সেবার মান বাড়াতে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করলেন ডাঃ সোহাগ Logo নাজিরপুরে অবৈধ সার বিক্রেতার দোকানে কৃষি কর্মকর্তার অভিযানের জেরে ইউনিয়ন উপ-সহকারী কর্মকর্তার উপরে হামলা, থানায় মামলা

স্মার্টফোনসহ সব ধরণের মাল্টিমিডিয়া ডিভাইস নিষিদ্ধ করলো দেওবন্দ

শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং পড়াশোনায় মনোযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্মার্টফোনসহ সব ধরণের মাল্টিমিডিয়া ডিভাইসের ব্যবহারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বিশ্বখ্যাত ইসলামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দ।
প্রতিষ্ঠানটির হোস্টেল ইনচার্জ মুফতি আশরাফ আব্বাসের পক্ষ থেকে জারি করা এক অফিসিয়াল আদেশে জানানো হয়েছে, এখন থেকে কোনো শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের ভেতরে স্মার্টফোন, ট্যাবলেট বা অন্য কোনো মাল্টিমিডিয়া মোবাইল ফোন রাখতে বা ব্যবহার করতে পারবেন না। এই নির্দেশনা অমান্য করলে সরাসরি বহিষ্কারের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করে মুফতি আশরাফ আব্বাস বলেন, শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্তি থেকে দূরে রাখতে এবং পড়াশোনায় পূর্ণ মনোযোগ নিশ্চিত করতেই এই বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘‘শিক্ষার্থীদের সুশৃঙ্খল রাখা এবং শিক্ষার প্রতি তাদের আগ্রহ বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’’
অফিসিয়াল নোটিশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তল্লাশির সময় কারো কাছে মাল্টিমিডিয়া ডিভাইস পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডিভাইস উদ্ধারের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার অজুহাত বা তিল পরিমাণ শিথিলতা প্রদর্শন করা হবে না উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যদি কোনো শিক্ষার্থীর কাছে স্মার্টফোন পাওয়া যায়, তবে তিনি সেটি ব্যবহার করুন বা না করুন—তা তার অপরাধ হিসেবেই গণ্য হবে। স্মার্টফোন রাখার দায়ে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে ‘আখরাজ’ বা প্রতিষ্ঠান থেকে সরাসরি বহিষ্কার করা হবে।
কর্তৃপক্ষের মতে, স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার শিক্ষার্থীদের একাডেমিক পারফরম্যান্সের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং তাদের মূল লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করে।
দারুল উলুম দেওবন্দে এ ধরণের নিষেধাজ্ঞা এবারই প্রথম নয়। গত বছরও একই ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল এবং নিয়ম কার্যকর করতে হস্টেলের কক্ষগুলোতে নিয়মিত তল্লাশি চালানো হয়েছিল।
ডিজিটাল মাধ্যমের বিচ্যুতি এড়িয়ে শিক্ষার্থীরা যাতে পুরোপুরি ধর্মীয় ও একাডেমিক শিক্ষায় মনোনিবেশ করতে পারেন, সেই পরিবেশ তৈরি করতেই এবার আগের চেয়েও কঠোরভাবে এই নিয়ম কার্যকর করার লক্ষ্য নিয়েছে দেওবন্দ কর্তৃপক্ষ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামের উলিপুরে অনুসন্ধান ও উদ্ধার উপকরণ সামগ্রী বিতরণ

স্মার্টফোনসহ সব ধরণের মাল্টিমিডিয়া ডিভাইস নিষিদ্ধ করলো দেওবন্দ

আপডেট সময় ০৭:৫৬:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং পড়াশোনায় মনোযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্মার্টফোনসহ সব ধরণের মাল্টিমিডিয়া ডিভাইসের ব্যবহারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বিশ্বখ্যাত ইসলামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দ।
প্রতিষ্ঠানটির হোস্টেল ইনচার্জ মুফতি আশরাফ আব্বাসের পক্ষ থেকে জারি করা এক অফিসিয়াল আদেশে জানানো হয়েছে, এখন থেকে কোনো শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের ভেতরে স্মার্টফোন, ট্যাবলেট বা অন্য কোনো মাল্টিমিডিয়া মোবাইল ফোন রাখতে বা ব্যবহার করতে পারবেন না। এই নির্দেশনা অমান্য করলে সরাসরি বহিষ্কারের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করে মুফতি আশরাফ আব্বাস বলেন, শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্তি থেকে দূরে রাখতে এবং পড়াশোনায় পূর্ণ মনোযোগ নিশ্চিত করতেই এই বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘‘শিক্ষার্থীদের সুশৃঙ্খল রাখা এবং শিক্ষার প্রতি তাদের আগ্রহ বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’’
অফিসিয়াল নোটিশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তল্লাশির সময় কারো কাছে মাল্টিমিডিয়া ডিভাইস পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডিভাইস উদ্ধারের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার অজুহাত বা তিল পরিমাণ শিথিলতা প্রদর্শন করা হবে না উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যদি কোনো শিক্ষার্থীর কাছে স্মার্টফোন পাওয়া যায়, তবে তিনি সেটি ব্যবহার করুন বা না করুন—তা তার অপরাধ হিসেবেই গণ্য হবে। স্মার্টফোন রাখার দায়ে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে ‘আখরাজ’ বা প্রতিষ্ঠান থেকে সরাসরি বহিষ্কার করা হবে।
কর্তৃপক্ষের মতে, স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার শিক্ষার্থীদের একাডেমিক পারফরম্যান্সের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং তাদের মূল লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করে।
দারুল উলুম দেওবন্দে এ ধরণের নিষেধাজ্ঞা এবারই প্রথম নয়। গত বছরও একই ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল এবং নিয়ম কার্যকর করতে হস্টেলের কক্ষগুলোতে নিয়মিত তল্লাশি চালানো হয়েছিল।
ডিজিটাল মাধ্যমের বিচ্যুতি এড়িয়ে শিক্ষার্থীরা যাতে পুরোপুরি ধর্মীয় ও একাডেমিক শিক্ষায় মনোনিবেশ করতে পারেন, সেই পরিবেশ তৈরি করতেই এবার আগের চেয়েও কঠোরভাবে এই নিয়ম কার্যকর করার লক্ষ্য নিয়েছে দেওবন্দ কর্তৃপক্ষ।