ঢাকা ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo জগন্নাথপুরে বাঁশের সাঁকোর বদলে ব্রিজ নির্মাণের দাবি, কয়ছর আহমদ এমপির সহযোগিতা কামনা এলাকাবাসীর Logo গজারিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা Logo লালমোহনে এসএসসির বৃত্তির ফলাফলে হা-মীমের শিক্ষার্থীদের চমক Logo ক্যান্সার সচেতনতামূলক সংলাপ ও পথশিশুদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ Logo উপকুলের লবনাক্ত আবহাওয়া মাটিতে সাবেক ব্যাংকার জিয়াউদ্দিনের মাল্টা চাষে সফলতা Logo টঙ্গী পাইলট স্কুল অ্যান্ড গার্লস কলেজে নতুন এডহক কমিটি, সভাপতি সরকার জাবেদ আহমেদ Logo শিবগঞ্জে ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা Logo লোহাগাড়ায় ১০০ মিটারের মধ্যে ৯টি অবৈধ করাতকল গিলে খাচ্ছে সংরক্ষিত বনাঞ্চল Logo চৌদ্দগ্রামে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার Logo জামালপুরে ৫ম উপজেলা কাব ক্যাম্পুরীর মহা তাবু জলসা ও সমাপনী
লোকসভায় ভোটে বড় পরাজয় মোদির

পাস হলো না সংবিধান সংশোধনী বিল

ভারতের লোকসভায় পাস হতে ব্যর্থ হলো নারী আসন সংরক্ষণ ও লোকসভার আসন সংখ্যা বৃদ্ধির সংশোধনী বিল। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) লোকসভায় বিলটির পক্ষে পর্যাপ্ত ভোট না পড়ায় এটি বাতিল হয়ে যায়। দেশটির সংসদীয় ইতিহাসে একে নরেন্দ্র মোদি সরকারের বড় পরাজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভারতের সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু এ খবর জানিয়েছে।
বিলের পক্ষে ২৯৮ জন সদস্য ভোট দিলেও বিপক্ষে ভোট পড়ে ২৩০টি। বিলটি পাসের জন্য ৩৫২টি ভোটের প্রয়োজন ছিল, যা উপস্থিত ৫২৮ জনের দুই-তৃতীয়াংশ। ফলে ৫৪ ভোটের ঘাটতিতে বিলটি পাস হয়নি। বিলটি ২০২৯ সাল থেকে আইনসভায় নারী কোটা কার্যকর করা এবং লোকসভার আসন সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রস্তাব করা হয়েছিল। এই বিলটির পরাজয়ের পর সংশ্লিষ্ট আরও দুটি বিল থেকেও সরে আসার ঘোষণা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।
বিলটি খারিজ হওয়ার পর কেন্দ্রীয় সরকার জানায়, তারা এই সংক্রান্ত অন্য দুটি বিল নিয়েও আর এগোবে না। সরকারের মতে, বিষয়গুলো আলাদাভাবে বিবেচনা করা সম্ভব নয়। বিলটি পাস না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করে সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, গুরুত্বপূর্ণ একটি সংস্কারে ঐকমত্য গড়ে তোলার সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে।
এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিতর্কের জবাবে জানান, ভোটার ও সংসদ সদস্যদের অনুপাতের ভারসাম্যহীনতা সীমানা পুনর্র্নিধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঠিক করা সম্ভব। তিনি অভিযোগ করেন, কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকাকালে জনগণকে সীমানা পুনর্র্নিধারণ থেকে বঞ্চিত করেছিল এবং এখনও একই অবস্থান বজায় রেখেছে।
বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী লোকসভায় তার বক্তব্যে সরকারের এই বিলের তীব্র বিরোধিতা করেন। তিনি দাবি করেন, এই বিলটির সঙ্গে নারী সংরক্ষণের কোনও সম্পর্ক নেই। বরং এটি দেশের নির্বাচনী মানচিত্র বদলের একটি প্রচেষ্টা।
রাহুল গান্ধী বলেন, দক্ষিণ ভারত, উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং ছোট রাজ্যগুলোর প্রতিনিধিত্ব কেড়ে নেওয়ার এই চেষ্টা একটি ‘দেশবিরোধী কর্মকা-’ ছাড়া আর কিছুই নয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জগন্নাথপুরে বাঁশের সাঁকোর বদলে ব্রিজ নির্মাণের দাবি, কয়ছর আহমদ এমপির সহযোগিতা কামনা এলাকাবাসীর

লোকসভায় ভোটে বড় পরাজয় মোদির

পাস হলো না সংবিধান সংশোধনী বিল

আপডেট সময় ০৮:০২:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

ভারতের লোকসভায় পাস হতে ব্যর্থ হলো নারী আসন সংরক্ষণ ও লোকসভার আসন সংখ্যা বৃদ্ধির সংশোধনী বিল। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) লোকসভায় বিলটির পক্ষে পর্যাপ্ত ভোট না পড়ায় এটি বাতিল হয়ে যায়। দেশটির সংসদীয় ইতিহাসে একে নরেন্দ্র মোদি সরকারের বড় পরাজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভারতের সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু এ খবর জানিয়েছে।
বিলের পক্ষে ২৯৮ জন সদস্য ভোট দিলেও বিপক্ষে ভোট পড়ে ২৩০টি। বিলটি পাসের জন্য ৩৫২টি ভোটের প্রয়োজন ছিল, যা উপস্থিত ৫২৮ জনের দুই-তৃতীয়াংশ। ফলে ৫৪ ভোটের ঘাটতিতে বিলটি পাস হয়নি। বিলটি ২০২৯ সাল থেকে আইনসভায় নারী কোটা কার্যকর করা এবং লোকসভার আসন সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রস্তাব করা হয়েছিল। এই বিলটির পরাজয়ের পর সংশ্লিষ্ট আরও দুটি বিল থেকেও সরে আসার ঘোষণা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।
বিলটি খারিজ হওয়ার পর কেন্দ্রীয় সরকার জানায়, তারা এই সংক্রান্ত অন্য দুটি বিল নিয়েও আর এগোবে না। সরকারের মতে, বিষয়গুলো আলাদাভাবে বিবেচনা করা সম্ভব নয়। বিলটি পাস না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করে সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, গুরুত্বপূর্ণ একটি সংস্কারে ঐকমত্য গড়ে তোলার সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে।
এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিতর্কের জবাবে জানান, ভোটার ও সংসদ সদস্যদের অনুপাতের ভারসাম্যহীনতা সীমানা পুনর্র্নিধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঠিক করা সম্ভব। তিনি অভিযোগ করেন, কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকাকালে জনগণকে সীমানা পুনর্র্নিধারণ থেকে বঞ্চিত করেছিল এবং এখনও একই অবস্থান বজায় রেখেছে।
বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী লোকসভায় তার বক্তব্যে সরকারের এই বিলের তীব্র বিরোধিতা করেন। তিনি দাবি করেন, এই বিলটির সঙ্গে নারী সংরক্ষণের কোনও সম্পর্ক নেই। বরং এটি দেশের নির্বাচনী মানচিত্র বদলের একটি প্রচেষ্টা।
রাহুল গান্ধী বলেন, দক্ষিণ ভারত, উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং ছোট রাজ্যগুলোর প্রতিনিধিত্ব কেড়ে নেওয়ার এই চেষ্টা একটি ‘দেশবিরোধী কর্মকা-’ ছাড়া আর কিছুই নয়।