মাতামুহুরী ড্রেজার দিয়ে বালু লুট
বসতবাড়ির পাশ ঘেঁষে শক্তিশালী ড্রেজার দিয়ে ৮০ফুট গভীর করে বালু লুট উত্তোলন করে পাইপ দিয়ে চালান করছে ওপারের পেকুয়া উপজেলার পুর্ব মেহেরনামার সাবেক আওয়ামিলীগ নেতা মহিউদ্দিন কোম্পানি। বালু উত্তোলনের তিন দিন যেতেই নদীর পাড় ভাঙ্গনে একে একে আব্দুল কাদেরের বাড়ী। আব্দুল কাদেরের বড় কন্যা দশম শ্রেনীতে পড়ে। তিন কন্যা দুই পুত্র নিয়ে স্বস্ত্রীক বসবাস করেন এই গৃহকর্তা। নদীর এ পাড়ে বসবাসকারী কোনাখালীর আব্দুল কাদের বলেন, “নদীর এ পাড়ে “দিবারাত্রি উচ্চ ক্ষমতার ড্রেজারের গর্জন ও বালু উত্তোলনে একে একে নদীতে তলিয়ে গেছে রান্না ঘর, লেট্রীন ও টিউবওয়েল সহ বাড়ীর অর্ধেক অংশ। বাকী ঘরও কখন ভেঙ্গে পড়ে এই আতঙ্কে রাত জেগে পাহারা দিয়ে ঘুমাই সাথে বন্ধ হয়ে গেছে সন্তানদের পড়ালেখাও। সরকারি শতকোটি টাকার রাবারডেমের উপরের অংশের নদীর এপার থেকে ওপারে বালু লুটের ফলে ঝুুকিতে রয়েছে অনেক ঘরবাড়ি সহ রাবারডেম। প্রসঙ্গত: মাতামুহুরীর এপার থেকে এই বালু লুটকারী পেকুয়া উপজেলার পুর্ব মেহের নামার বাসিন্দা মহিউদ্দিন পার্বত্য লামা উপজেলার ইটভাটা মালিক ও পাহাড়খেকো আওয়ামিলীগ নেতা পেকুয়ায় ২০২৬ এর স্বঘোষিত বিএনপি নেতা দাবী করলেও পার্বত্য লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং ফাইতংয়ের ভোটার এবং ৫ আগষ্টের আগে পর্যন্ত সে ছিল আওয়মীলীগের সুবিধাভোগী। ফাইতংয়ে দুইটা ইটভাটারও মালিক। এদিকে ড্রেজারের মালিক সারওয়ার জানান, মহিউদ্দিন কোম্পানি নামক এক ব্যক্তি আমার ড্রেজারটা ভাড়া করেছে। সে বলেছে জেলা প্রশাসনের অনুমতি আছে তাই ভাড়া দিয়েছি। এ ব্যাপারে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মাতামুহুরী উপজেলার অতিরিক্ত দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত শাহীন দেলোয়ারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পরিবেশের ক্ষতি না করার শর্তে মাতামুহুরী নদী থেকে বালু উত্তোলনের জন্য একটি ড্রেজারে বালু উত্তোলনের অনুমতি দেয়া আছে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে। তবে পরিবেশের ক্ষতি করে অথবা ঘরবাড়ির ক্ষতি করে যদি বালু উত্তোলন করা হচ্ছে শুনা যায় তাহলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। এবং আজকেই সরেজমিনে তদন্ত করা হবে বলে জানান।
মনির আহমদ কক্সবাজার 





















