ঢাকা ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo নেত্রকোনা হাওরাঞ্চলের হাটবাজারে ধানের চারা ব্যাপক চাহিদা Logo জামালপুরে প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ বঞ্চিত ৫১ জন আমরণ অনশনে Logo খাল খনন নামে ৩০ লাখ টাকার বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ Logo অফিস বন্ধ করে সদস্যদের তিন কোটি টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছেন সমিতির সভাপতি Logo টুঙ্গিপাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান গাঁজা সেবনে ১ মাস, ইয়াবা সেবনে ৩ মাসের কারাদন্ড Logo গাইবান্ধায় প্রধান শিক্ষকের স্বেচ্ছাচারিতার প্রতিবাদে মানববন্ধন Logo কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে ফ্রেন্ডশিপের ভেড়া বিতরণ Logo তাড়াশে অতিরিক্ত টাকা দিলেই মিলছে গুদামজাত সার Logo ধনবাড়ীতে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর বৃক্ষরোপণ অভিযান Logo ৯ প্রতারক গ্রেফতার, উদ্ধার নগদ টাকা-২০ সিম-১১ মোবাইল

তাড়াশে অতিরিক্ত টাকা দিলেই মিলছে গুদামজাত সার

সিরাজগঞ্জের শস্যভান্ডার হিসেবে খ্যাত তাড়াশ উপজেলায় রোপা আমন ধানের মৌসুমে সারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ডিলাররা সিন্ডিকেট করে সারের কৃত্তিম সংকট তৈরি করে রেখেছেন বলে অভিযোগ এ উপজেলার কৃষকদের। এদিকে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শর্মিষ্ঠাসেন গুপ্তা জানিয়েছেন, ডিলারদের ঘরে কোনো সার নেই। অথচ, সরকারি মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে পাওয়া যাচ্ছে ডিলারের ঘরেই গুদামজাত সার। বারুহাস ইউনিয়নের পেঙ্গুয়ারি গ্রামের বেলাত মন্ডল নামে একজন কৃষক বলেন, তিনি পাঁচ বিঘা জমিতে রোপা আপন ধানের আবাদ করেছেন। সরকারি নির্ধারিত মূল্যের কোনো সার পায় নি। এক হাজার আটশো আশি টাকা বস্তা হিসেবে বিশ কেজি টি এস পি, ষোলোশো পঞ্চাশ টাকা দরে বিশ কেজি ইউরিয়া, পনেরশো টাকা বস্তা হিসেবে পটাস সার কিনেছেন। তার বাড়িতে আগের কেনা কিছু সার ছিলো। সব মিলে প্রাথমিক সংকট কাটিয়ে উঠেছেন। বেলাত মন্ডল ক্ষোভ প্রকাশ করেন, রাজতৈনিক নেতারা সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার পেয়েছেন, সাধারণ কৃষক পায় নি। পৌর এলাকার আসান বাড়ী গ্রামের কৃষক মো. মাসুদ মন্ডল বলেন, চল্লিশ বিঘা জমিতে আবাদ করেছি আমি। এখনো এক মুঠো সার দিতে পারিনি ধানে। কোথাও সার পাচ্ছি না। নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে এত টাকা বেশি দিয়ে সার কেনা সম্ভব না। এবারে ধানের আবাদ নিয়ে রীতিমত চিন্তিত তিনি। এ গ্রামের ছানা উল্লাহ নামে এক প্রান্তিক কৃষককে এক বস্তা সার মাথায় করে নিয়ে যেতে দেখা যায়। তিনি বলেন, উনিশশো টাকায় এক বস্তা টি এস পি কিনেছেন। কিন্তু ডিলারের নাম বলতে পারবো না। আমাকে বলা হয়েছে, কারো কাছে ডিলারের নাম প্রকাশ করলে ঐ কৃষক অতিরিক্ত দামেও সার পাবে না। তাড়াশ পৌর শহরের খান পাড়ার বাসিন্দা আবু তালেব খান বলেন, একশো বিঘার বেশি জমি আবাদ করি আমি। সরকার নিধারিত মূল্যে কোনো সার পাই নি। এখনো অনেক সার লাগবে জমিতে। সারের সিন্ডিকেটে ডিলারের কাছে জিম্মি কৃষক। কৃষকরা জানিয়েছেন, তাড়াশ উপজেলার উর্বর মাটিতে বছরে তিন ফসলের আবাদ হয়। প্রতি বছর বোরো মৌসুম, রোপা আমনের মৌসুম ও সরিষা আবাদের সময় সারের কৃত্তিম সংকট তৈরি করেন ডিলাররা। দুই হাজার থেকে বাইশশো টাকা পর্যন্ত সার কিনতে হয়। বিসিআইসি ও বিআরডিসি’র সব ডিলার অসদুপায়ে ভিন্ন-ভিন্ন কৌশলে সরকারি মূল্যের চেয়ে মাত্রাতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করেন। কৃষকের বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নেয়। জিম্মিদশা থেকে মুক্তি চায় তারা। রাজতৈনিক নেতারা সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার পেয়েছেন, সাধারণ কৃষক পায় নি কৃষকের এমন মন্তব্যে তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির উপদেষ্টা খন্দকার সেলিম জাহাঙ্গীর বলেন, উপজেলা পর্যায়ে সার বিতরণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ কমিটি রয়েছে। তারা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করলে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে এহেন অভিযোগ ওঠার কথা না। অপরদিকে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)’র তাড়াশ উপজেলা শাখার আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক রাজু গুদামজাত সার জব্দ করে সরকারি মূল্যে সাধারণ কৃষকদের মাঝে বিক্রি করে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষ করে এহেন অপরাধে ডিলারের লাইসেন্স বাতিলের জোর দাবি জানিয়েছেন এই নাগরিক আন্দোলনের নেতা। সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার বিনসাড়া বাজারে বিসিআইসি সার ডিলার বি. এস কনস্ট্রাকশনের সত্বাধিকারী মো. শিহাব উদ্দীন সরকারের ছেলে জাহিদ হাসান গুদামজাত সার বিক্রি করছেন। টি এস পি উনিশশো, ইউরিয়া ষোলোশো পঞ্চাশ ও পটাশ পনেরশো টাকা প্রতি বস্তা। তার গুদামে প্রায় হাজার বস্তা সার মজুত করে রাখা হয়েছে। অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করছেন কেন এমন প্রশ্নের জবাবে জাহিদ হাসান বলেন, এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শর্মিষ্ঠাসেন গুপ্তার সাথে কথা বলেন। তাড়াশ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মো. হযরত আলী বলেন, চলতি মৌসুমে এক হাজার পাঁচ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের আবাদ করা হচ্ছে। সারের সরকারি মূল্য টি এস পি তেরশো পঞ্চাশ, ইউরিয়া তেরশো পঞ্চাশ ও পটাশ এক হাজার টাকা। তাড়াশে বিসিআইসি ডিলার রয়েছেন বারোজন। বিআরডিসি ডিলার রয়েছেন সতেরজন।
এছাড়া প্রতি ইউনিয়নে নয়জন করে বাহাত্তুরজন সাব ডিলার রয়েছেন। মুল ডিলার ও সাব ডিলারের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে কৃষকের কাছে সার বিক্রি করা হয়। ডিলার ও সাব ডিলারের বাইরে কারো সার বিক্রি করার সুযোগ নেই। বিসিআইসির পরিবেশকদের সংগঠন বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএ) তাড়াশ উপজেলার সভাপতি মো. আমিরুজ্জামান বলেন, সরকারি বাণিজ্যিক কৃষি পণ্য সার। সরকারের বাইরে সারের কোনো মোকাম নেই। ডিলারের গুদামে সার থাকলে সরকারি মূল্যেই বিক্রি করতে হবে। কৃষকের চাহিদার বিপরীতে সার গুদামজাত করা ও অতিরিক্ত দামে বিক্রি করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সিরাজগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এ. কে. এম. মনজুরে মাওলা বলেন, সার মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির যাবতীয় তথ্য আমাকে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠান। এ প্রসঙ্গে সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম দৈনিক খবরপত্রকে বলেন, ডিডিএলজি সিরাজগঞ্জ ও তাড়াশের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহানকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলে দিয়েছি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোনা হাওরাঞ্চলের হাটবাজারে ধানের চারা ব্যাপক চাহিদা

তাড়াশে অতিরিক্ত টাকা দিলেই মিলছে গুদামজাত সার

আপডেট সময় ০২:৩৩:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিরাজগঞ্জের শস্যভান্ডার হিসেবে খ্যাত তাড়াশ উপজেলায় রোপা আমন ধানের মৌসুমে সারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ডিলাররা সিন্ডিকেট করে সারের কৃত্তিম সংকট তৈরি করে রেখেছেন বলে অভিযোগ এ উপজেলার কৃষকদের। এদিকে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শর্মিষ্ঠাসেন গুপ্তা জানিয়েছেন, ডিলারদের ঘরে কোনো সার নেই। অথচ, সরকারি মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে পাওয়া যাচ্ছে ডিলারের ঘরেই গুদামজাত সার। বারুহাস ইউনিয়নের পেঙ্গুয়ারি গ্রামের বেলাত মন্ডল নামে একজন কৃষক বলেন, তিনি পাঁচ বিঘা জমিতে রোপা আপন ধানের আবাদ করেছেন। সরকারি নির্ধারিত মূল্যের কোনো সার পায় নি। এক হাজার আটশো আশি টাকা বস্তা হিসেবে বিশ কেজি টি এস পি, ষোলোশো পঞ্চাশ টাকা দরে বিশ কেজি ইউরিয়া, পনেরশো টাকা বস্তা হিসেবে পটাস সার কিনেছেন। তার বাড়িতে আগের কেনা কিছু সার ছিলো। সব মিলে প্রাথমিক সংকট কাটিয়ে উঠেছেন। বেলাত মন্ডল ক্ষোভ প্রকাশ করেন, রাজতৈনিক নেতারা সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার পেয়েছেন, সাধারণ কৃষক পায় নি। পৌর এলাকার আসান বাড়ী গ্রামের কৃষক মো. মাসুদ মন্ডল বলেন, চল্লিশ বিঘা জমিতে আবাদ করেছি আমি। এখনো এক মুঠো সার দিতে পারিনি ধানে। কোথাও সার পাচ্ছি না। নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে এত টাকা বেশি দিয়ে সার কেনা সম্ভব না। এবারে ধানের আবাদ নিয়ে রীতিমত চিন্তিত তিনি। এ গ্রামের ছানা উল্লাহ নামে এক প্রান্তিক কৃষককে এক বস্তা সার মাথায় করে নিয়ে যেতে দেখা যায়। তিনি বলেন, উনিশশো টাকায় এক বস্তা টি এস পি কিনেছেন। কিন্তু ডিলারের নাম বলতে পারবো না। আমাকে বলা হয়েছে, কারো কাছে ডিলারের নাম প্রকাশ করলে ঐ কৃষক অতিরিক্ত দামেও সার পাবে না। তাড়াশ পৌর শহরের খান পাড়ার বাসিন্দা আবু তালেব খান বলেন, একশো বিঘার বেশি জমি আবাদ করি আমি। সরকার নিধারিত মূল্যে কোনো সার পাই নি। এখনো অনেক সার লাগবে জমিতে। সারের সিন্ডিকেটে ডিলারের কাছে জিম্মি কৃষক। কৃষকরা জানিয়েছেন, তাড়াশ উপজেলার উর্বর মাটিতে বছরে তিন ফসলের আবাদ হয়। প্রতি বছর বোরো মৌসুম, রোপা আমনের মৌসুম ও সরিষা আবাদের সময় সারের কৃত্তিম সংকট তৈরি করেন ডিলাররা। দুই হাজার থেকে বাইশশো টাকা পর্যন্ত সার কিনতে হয়। বিসিআইসি ও বিআরডিসি’র সব ডিলার অসদুপায়ে ভিন্ন-ভিন্ন কৌশলে সরকারি মূল্যের চেয়ে মাত্রাতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করেন। কৃষকের বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নেয়। জিম্মিদশা থেকে মুক্তি চায় তারা। রাজতৈনিক নেতারা সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার পেয়েছেন, সাধারণ কৃষক পায় নি কৃষকের এমন মন্তব্যে তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির উপদেষ্টা খন্দকার সেলিম জাহাঙ্গীর বলেন, উপজেলা পর্যায়ে সার বিতরণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ কমিটি রয়েছে। তারা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করলে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে এহেন অভিযোগ ওঠার কথা না। অপরদিকে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)’র তাড়াশ উপজেলা শাখার আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক রাজু গুদামজাত সার জব্দ করে সরকারি মূল্যে সাধারণ কৃষকদের মাঝে বিক্রি করে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষ করে এহেন অপরাধে ডিলারের লাইসেন্স বাতিলের জোর দাবি জানিয়েছেন এই নাগরিক আন্দোলনের নেতা। সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার বিনসাড়া বাজারে বিসিআইসি সার ডিলার বি. এস কনস্ট্রাকশনের সত্বাধিকারী মো. শিহাব উদ্দীন সরকারের ছেলে জাহিদ হাসান গুদামজাত সার বিক্রি করছেন। টি এস পি উনিশশো, ইউরিয়া ষোলোশো পঞ্চাশ ও পটাশ পনেরশো টাকা প্রতি বস্তা। তার গুদামে প্রায় হাজার বস্তা সার মজুত করে রাখা হয়েছে। অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করছেন কেন এমন প্রশ্নের জবাবে জাহিদ হাসান বলেন, এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শর্মিষ্ঠাসেন গুপ্তার সাথে কথা বলেন। তাড়াশ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মো. হযরত আলী বলেন, চলতি মৌসুমে এক হাজার পাঁচ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের আবাদ করা হচ্ছে। সারের সরকারি মূল্য টি এস পি তেরশো পঞ্চাশ, ইউরিয়া তেরশো পঞ্চাশ ও পটাশ এক হাজার টাকা। তাড়াশে বিসিআইসি ডিলার রয়েছেন বারোজন। বিআরডিসি ডিলার রয়েছেন সতেরজন।
এছাড়া প্রতি ইউনিয়নে নয়জন করে বাহাত্তুরজন সাব ডিলার রয়েছেন। মুল ডিলার ও সাব ডিলারের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে কৃষকের কাছে সার বিক্রি করা হয়। ডিলার ও সাব ডিলারের বাইরে কারো সার বিক্রি করার সুযোগ নেই। বিসিআইসির পরিবেশকদের সংগঠন বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএ) তাড়াশ উপজেলার সভাপতি মো. আমিরুজ্জামান বলেন, সরকারি বাণিজ্যিক কৃষি পণ্য সার। সরকারের বাইরে সারের কোনো মোকাম নেই। ডিলারের গুদামে সার থাকলে সরকারি মূল্যেই বিক্রি করতে হবে। কৃষকের চাহিদার বিপরীতে সার গুদামজাত করা ও অতিরিক্ত দামে বিক্রি করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সিরাজগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এ. কে. এম. মনজুরে মাওলা বলেন, সার মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির যাবতীয় তথ্য আমাকে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠান। এ প্রসঙ্গে সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম দৈনিক খবরপত্রকে বলেন, ডিডিএলজি সিরাজগঞ্জ ও তাড়াশের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহানকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলে দিয়েছি।