ঢাকা ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo দৌলতখানে গ্রামীণ সড়কের কোর নেটওয়ার্ক ও তথ্য যাচাই বিষয়ক কর্মশালা Logo মানিকগঞ্জে বাইচ প্রতিযোগিতায় মায়ের দোয়া নৌকা চ্যাম্পিয়ন Logo কুমিল্লায় অবৈধ ভাবে ইউনানী ঔষধ উৎপাদন কারখানা গড়ে উঠার অভিযোগ Logo কালীগঞ্জে চাকরিজীবী ছয় ভাইরাভাইয়ের ছয় বিঘার ফলবাগান Logo ফেসবুকে কর্নেল অলিকে হত্যার হুমকি, কিশোরগঞ্জে জাহানের গ্রেফতার দাবি Logo মাদক না ছাড়লে বাড়িতে টাঙানো হবে ‘এখানে সুলভ মূল্যে মাদক বিক্রি হয়’ ব্যানার Logo সুনামগঞ্জে আনারস চাষ সম্প্রসারণে কৃষকদের সাথে মতবিনিময় Logo রায়পুরায় ম্যারাথন প্রতিযোগিতা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা Logo শ্রীমঙ্গলে ক্রিকেট একাডেমি ও খেলোয়াড়দের জন্য নবনির্মিত ড্রেসিং রুম উদ্বোধন Logo টুঙ্গিপাড়া সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে কেমন হচ্ছে পাঠদান

কুমিল্লায় অবৈধ ভাবে ইউনানী ঔষধ উৎপাদন কারখানা গড়ে উঠার অভিযোগ

কুমিল্লা সদরের ভুবনঘর (আবাসিক) গ্রামে অবৈধ ভাবে ইউনানী ঔষধ উৎপাদন কারখানা গড়ে ওঠার আভিযোগ উঠছে। সরেজমিনে খোজ নিয়ে জানা যায়, সদর উপজেলার ৪ নং আমড়তিলী ইউপির ভুবনঘর গ্রামেরআব্দুল ওয়াহেদের ছেলে শরীফ হোসেন ও তার সহযোগী একই এলাকার মাঝিগাছা গ্রামের আকবর ও আ: ছালামসহ আরো নামে বে-নামে কয়জন মিলে এই ভাবে ইউনানী ঔষধ উৎপাদন করে। এসব ওষধ নিজ জেলার বিভিন্ন গ্রাম অঞ্চলে ও দেশেরে বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন উপজেলার গ্রামের পাড়া-মহল্লায় নিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিক্্ির করে আসছে। এসব ওষধ দেশের বিভিন জেলায় পুলিশ আটক করে থাকে অভিযোগ রয়েছে। এসব ফ্যাক্টরী বা কারখানা স্থাপন করতে হয় শিল্প এরাকায় বা ইন্ডাষ্ট্রিস এলাকায় সরকারের নীতি মালা রয়েছে। আবাসিক এলাকায় কোন ভাবেই করা যাবেনা। আবশ্যই পরিবেশ ছাড় পত্র থাকতে হবে। তাদের পরিবেশ ছাড়পত্্র নেই পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কৃর্তপক্ষের নিবন্ধন লাগবে তাও নেই। এ ধরনের কারখানা বা ফ্যাক্টরী স্থাপন করতে হলে কলকারখানা লাইসেন্স ও লেআইটি প্ল্যান অনুমোদন লাগবে তাও নেই। ওষধ উৎপাদন প্রক্্িরয়া অভিজ্ঞ ইউনানী বিশেষজ্ঞ র্ফামাস্টি বা যোগ্যতা সম্পন্ন টেকনিক্যাল ব্যাক্তি, সক্্িরয় ূপরিচ্ছন্নতা পর্যাপ্ত আলো বাতাস এবং কন্টামিশন এক উপাদান থেকে অন্য উপাদান মিশে যাওয়া রোধ করার উপযুক্ত ব্যবস্থা থাকতে হবে। এমন ব্যবস্থাও নেই। যোগ্যতাসম্পন্ন কারিগর বা অভিজ্ঞ হেকিম থাকতে হবে। তাও নেই। স্থানীয় ট্রেড লাইসেন্স থাকতে হবে। ফায়ার সার্ভিস ছাড়পত্র থাকতে হবে। ল্যাবরেটরি স্থাপন করতে হলে সরকারের যে সকল নিয়ম-নীতি প্রয়োজন তার কোন হদিস পাওয়া যায়নি। কুমিল্লা পরিবেশ কর্মকর্তা ফায়ার সার্ভিস ও কলকারখানা কর্মকর্তা ও স্থানীয় ট্রেড লাইসেন্স কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে এ সব তথ্য জানা যায়। তেঁতুলের ময়লা ও এসিডের পানি কৃষি জমিতে দিয়ে কৃষকের মারাত্মকক্ষতি হয় এমন অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে জানার জন্য কুমিল্লার ড্রাগ সুপারকে অফিসে একাধিক বার গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। মোবাইলে কথা বললে তিনি বলেন এ ব্যাপারে আমি কিছুই বলতে পারবোনা। ডিজি সাহেবের সাথে যোগাযোগ করেন বলে ফোন কেটে দেয়। এবিষয়ে কারখারান মালিক শরীফ হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আমার কাগজপত্র না থাকলে আমাকে কর্তৃপক্ষ ইউ-৩১৭নং উৎপাদন লাইসেন্স কিভাবে দেন। স্থানীয় কৃষক ও ভুক্তভোগী গ্রামবাসী সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট সরেজমিনে তদন্ত করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে জোড় দাবী জানান। ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক (ডিজি) দপ্তরে যোগাযোগ করা হলে তিনি দেশের বাহিরে রয়েছেন বলে জানা যায়। তার পিএস স্যার দেশে আসলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

দৌলতখানে গ্রামীণ সড়কের কোর নেটওয়ার্ক ও তথ্য যাচাই বিষয়ক কর্মশালা

কুমিল্লায় অবৈধ ভাবে ইউনানী ঔষধ উৎপাদন কারখানা গড়ে উঠার অভিযোগ

আপডেট সময় ০১:২০:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

কুমিল্লা সদরের ভুবনঘর (আবাসিক) গ্রামে অবৈধ ভাবে ইউনানী ঔষধ উৎপাদন কারখানা গড়ে ওঠার আভিযোগ উঠছে। সরেজমিনে খোজ নিয়ে জানা যায়, সদর উপজেলার ৪ নং আমড়তিলী ইউপির ভুবনঘর গ্রামেরআব্দুল ওয়াহেদের ছেলে শরীফ হোসেন ও তার সহযোগী একই এলাকার মাঝিগাছা গ্রামের আকবর ও আ: ছালামসহ আরো নামে বে-নামে কয়জন মিলে এই ভাবে ইউনানী ঔষধ উৎপাদন করে। এসব ওষধ নিজ জেলার বিভিন্ন গ্রাম অঞ্চলে ও দেশেরে বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন উপজেলার গ্রামের পাড়া-মহল্লায় নিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিক্্ির করে আসছে। এসব ওষধ দেশের বিভিন জেলায় পুলিশ আটক করে থাকে অভিযোগ রয়েছে। এসব ফ্যাক্টরী বা কারখানা স্থাপন করতে হয় শিল্প এরাকায় বা ইন্ডাষ্ট্রিস এলাকায় সরকারের নীতি মালা রয়েছে। আবাসিক এলাকায় কোন ভাবেই করা যাবেনা। আবশ্যই পরিবেশ ছাড় পত্র থাকতে হবে। তাদের পরিবেশ ছাড়পত্্র নেই পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কৃর্তপক্ষের নিবন্ধন লাগবে তাও নেই। এ ধরনের কারখানা বা ফ্যাক্টরী স্থাপন করতে হলে কলকারখানা লাইসেন্স ও লেআইটি প্ল্যান অনুমোদন লাগবে তাও নেই। ওষধ উৎপাদন প্রক্্িরয়া অভিজ্ঞ ইউনানী বিশেষজ্ঞ র্ফামাস্টি বা যোগ্যতা সম্পন্ন টেকনিক্যাল ব্যাক্তি, সক্্িরয় ূপরিচ্ছন্নতা পর্যাপ্ত আলো বাতাস এবং কন্টামিশন এক উপাদান থেকে অন্য উপাদান মিশে যাওয়া রোধ করার উপযুক্ত ব্যবস্থা থাকতে হবে। এমন ব্যবস্থাও নেই। যোগ্যতাসম্পন্ন কারিগর বা অভিজ্ঞ হেকিম থাকতে হবে। তাও নেই। স্থানীয় ট্রেড লাইসেন্স থাকতে হবে। ফায়ার সার্ভিস ছাড়পত্র থাকতে হবে। ল্যাবরেটরি স্থাপন করতে হলে সরকারের যে সকল নিয়ম-নীতি প্রয়োজন তার কোন হদিস পাওয়া যায়নি। কুমিল্লা পরিবেশ কর্মকর্তা ফায়ার সার্ভিস ও কলকারখানা কর্মকর্তা ও স্থানীয় ট্রেড লাইসেন্স কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে এ সব তথ্য জানা যায়। তেঁতুলের ময়লা ও এসিডের পানি কৃষি জমিতে দিয়ে কৃষকের মারাত্মকক্ষতি হয় এমন অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে জানার জন্য কুমিল্লার ড্রাগ সুপারকে অফিসে একাধিক বার গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। মোবাইলে কথা বললে তিনি বলেন এ ব্যাপারে আমি কিছুই বলতে পারবোনা। ডিজি সাহেবের সাথে যোগাযোগ করেন বলে ফোন কেটে দেয়। এবিষয়ে কারখারান মালিক শরীফ হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আমার কাগজপত্র না থাকলে আমাকে কর্তৃপক্ষ ইউ-৩১৭নং উৎপাদন লাইসেন্স কিভাবে দেন। স্থানীয় কৃষক ও ভুক্তভোগী গ্রামবাসী সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট সরেজমিনে তদন্ত করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে জোড় দাবী জানান। ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক (ডিজি) দপ্তরে যোগাযোগ করা হলে তিনি দেশের বাহিরে রয়েছেন বলে জানা যায়। তার পিএস স্যার দেশে আসলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।