ঢাকা ১১:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কেরানীগঞ্জে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, সেরা দোলেশ্বর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় টপ-ফিফটিন মেধাবী শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করল উপজেলা প্রশাসন Logo কালিয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালন Logo দুর্গাপুরে বিশ্ব হাতধোয়া দিবস পালিত Logo গলাচিপায় (সি-পি-পি) স্বেচ্ছা সেবক দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ Logo উখিয়ায় নলকূপের পাইপ দিয়ে গ্যাস নির্গমনের আগুন জ্বলবে আরো ১ সপ্তাহ, ২০০ মিটারের বাসিন্দাদের সরানোর পরামর্শ বাপেক্সের Logo কালীগঞ্জে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে দুর্ধর্ষ ডাকাতি: লুট হওয়া বৈদ্যুতিক সামগ্রী উদ্ধার, গ্রেফতার ২ Logo স্বরূপকাঠি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে সাবেক সেনা সদস্য সফিকুল ইসলাম Logo ফুলতলায় বরণপাড়া বায়োগ্যাস পল্লী উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বায়োগ্যাস উৎপাদনের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে পারি Logo টঙ্গী পশ্চিম থানা যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য মিছিল Logo মধুপুরের বংশাই নদী জোর কদমে চলছে পুনরুদ্ধারের কাজ

কুমিল্লায় অবৈধ ভাবে ইউনানী ঔষধ উৎপাদন কারখানা গড়ে উঠার অভিযোগ

কুমিল্লা সদরের ভুবনঘর (আবাসিক) গ্রামে অবৈধ ভাবে ইউনানী ঔষধ উৎপাদন কারখানা গড়ে ওঠার আভিযোগ উঠছে। সরেজমিনে খোজ নিয়ে জানা যায়, সদর উপজেলার ৪ নং আমড়তিলী ইউপির ভুবনঘর গ্রামেরআব্দুল ওয়াহেদের ছেলে শরীফ হোসেন ও তার সহযোগী একই এলাকার মাঝিগাছা গ্রামের আকবর ও আ: ছালামসহ আরো নামে বে-নামে কয়জন মিলে এই ভাবে ইউনানী ঔষধ উৎপাদন করে। এসব ওষধ নিজ জেলার বিভিন্ন গ্রাম অঞ্চলে ও দেশেরে বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন উপজেলার গ্রামের পাড়া-মহল্লায় নিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিক্্ির করে আসছে। এসব ওষধ দেশের বিভিন জেলায় পুলিশ আটক করে থাকে অভিযোগ রয়েছে। এসব ফ্যাক্টরী বা কারখানা স্থাপন করতে হয় শিল্প এরাকায় বা ইন্ডাষ্ট্রিস এলাকায় সরকারের নীতি মালা রয়েছে। আবাসিক এলাকায় কোন ভাবেই করা যাবেনা। আবশ্যই পরিবেশ ছাড় পত্র থাকতে হবে। তাদের পরিবেশ ছাড়পত্্র নেই পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কৃর্তপক্ষের নিবন্ধন লাগবে তাও নেই। এ ধরনের কারখানা বা ফ্যাক্টরী স্থাপন করতে হলে কলকারখানা লাইসেন্স ও লেআইটি প্ল্যান অনুমোদন লাগবে তাও নেই। ওষধ উৎপাদন প্রক্্িরয়া অভিজ্ঞ ইউনানী বিশেষজ্ঞ র্ফামাস্টি বা যোগ্যতা সম্পন্ন টেকনিক্যাল ব্যাক্তি, সক্্িরয় ূপরিচ্ছন্নতা পর্যাপ্ত আলো বাতাস এবং কন্টামিশন এক উপাদান থেকে অন্য উপাদান মিশে যাওয়া রোধ করার উপযুক্ত ব্যবস্থা থাকতে হবে। এমন ব্যবস্থাও নেই। যোগ্যতাসম্পন্ন কারিগর বা অভিজ্ঞ হেকিম থাকতে হবে। তাও নেই। স্থানীয় ট্রেড লাইসেন্স থাকতে হবে। ফায়ার সার্ভিস ছাড়পত্র থাকতে হবে। ল্যাবরেটরি স্থাপন করতে হলে সরকারের যে সকল নিয়ম-নীতি প্রয়োজন তার কোন হদিস পাওয়া যায়নি। কুমিল্লা পরিবেশ কর্মকর্তা ফায়ার সার্ভিস ও কলকারখানা কর্মকর্তা ও স্থানীয় ট্রেড লাইসেন্স কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে এ সব তথ্য জানা যায়। তেঁতুলের ময়লা ও এসিডের পানি কৃষি জমিতে দিয়ে কৃষকের মারাত্মকক্ষতি হয় এমন অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে জানার জন্য কুমিল্লার ড্রাগ সুপারকে অফিসে একাধিক বার গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। মোবাইলে কথা বললে তিনি বলেন এ ব্যাপারে আমি কিছুই বলতে পারবোনা। ডিজি সাহেবের সাথে যোগাযোগ করেন বলে ফোন কেটে দেয়। এবিষয়ে কারখারান মালিক শরীফ হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আমার কাগজপত্র না থাকলে আমাকে কর্তৃপক্ষ ইউ-৩১৭নং উৎপাদন লাইসেন্স কিভাবে দেন। স্থানীয় কৃষক ও ভুক্তভোগী গ্রামবাসী সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট সরেজমিনে তদন্ত করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে জোড় দাবী জানান। ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক (ডিজি) দপ্তরে যোগাযোগ করা হলে তিনি দেশের বাহিরে রয়েছেন বলে জানা যায়। তার পিএস স্যার দেশে আসলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কেরানীগঞ্জে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, সেরা দোলেশ্বর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় টপ-ফিফটিন মেধাবী শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করল উপজেলা প্রশাসন

কুমিল্লায় অবৈধ ভাবে ইউনানী ঔষধ উৎপাদন কারখানা গড়ে উঠার অভিযোগ

আপডেট সময় ০১:২০:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

কুমিল্লা সদরের ভুবনঘর (আবাসিক) গ্রামে অবৈধ ভাবে ইউনানী ঔষধ উৎপাদন কারখানা গড়ে ওঠার আভিযোগ উঠছে। সরেজমিনে খোজ নিয়ে জানা যায়, সদর উপজেলার ৪ নং আমড়তিলী ইউপির ভুবনঘর গ্রামেরআব্দুল ওয়াহেদের ছেলে শরীফ হোসেন ও তার সহযোগী একই এলাকার মাঝিগাছা গ্রামের আকবর ও আ: ছালামসহ আরো নামে বে-নামে কয়জন মিলে এই ভাবে ইউনানী ঔষধ উৎপাদন করে। এসব ওষধ নিজ জেলার বিভিন্ন গ্রাম অঞ্চলে ও দেশেরে বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন উপজেলার গ্রামের পাড়া-মহল্লায় নিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিক্্ির করে আসছে। এসব ওষধ দেশের বিভিন জেলায় পুলিশ আটক করে থাকে অভিযোগ রয়েছে। এসব ফ্যাক্টরী বা কারখানা স্থাপন করতে হয় শিল্প এরাকায় বা ইন্ডাষ্ট্রিস এলাকায় সরকারের নীতি মালা রয়েছে। আবাসিক এলাকায় কোন ভাবেই করা যাবেনা। আবশ্যই পরিবেশ ছাড় পত্র থাকতে হবে। তাদের পরিবেশ ছাড়পত্্র নেই পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কৃর্তপক্ষের নিবন্ধন লাগবে তাও নেই। এ ধরনের কারখানা বা ফ্যাক্টরী স্থাপন করতে হলে কলকারখানা লাইসেন্স ও লেআইটি প্ল্যান অনুমোদন লাগবে তাও নেই। ওষধ উৎপাদন প্রক্্িরয়া অভিজ্ঞ ইউনানী বিশেষজ্ঞ র্ফামাস্টি বা যোগ্যতা সম্পন্ন টেকনিক্যাল ব্যাক্তি, সক্্িরয় ূপরিচ্ছন্নতা পর্যাপ্ত আলো বাতাস এবং কন্টামিশন এক উপাদান থেকে অন্য উপাদান মিশে যাওয়া রোধ করার উপযুক্ত ব্যবস্থা থাকতে হবে। এমন ব্যবস্থাও নেই। যোগ্যতাসম্পন্ন কারিগর বা অভিজ্ঞ হেকিম থাকতে হবে। তাও নেই। স্থানীয় ট্রেড লাইসেন্স থাকতে হবে। ফায়ার সার্ভিস ছাড়পত্র থাকতে হবে। ল্যাবরেটরি স্থাপন করতে হলে সরকারের যে সকল নিয়ম-নীতি প্রয়োজন তার কোন হদিস পাওয়া যায়নি। কুমিল্লা পরিবেশ কর্মকর্তা ফায়ার সার্ভিস ও কলকারখানা কর্মকর্তা ও স্থানীয় ট্রেড লাইসেন্স কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে এ সব তথ্য জানা যায়। তেঁতুলের ময়লা ও এসিডের পানি কৃষি জমিতে দিয়ে কৃষকের মারাত্মকক্ষতি হয় এমন অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে জানার জন্য কুমিল্লার ড্রাগ সুপারকে অফিসে একাধিক বার গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। মোবাইলে কথা বললে তিনি বলেন এ ব্যাপারে আমি কিছুই বলতে পারবোনা। ডিজি সাহেবের সাথে যোগাযোগ করেন বলে ফোন কেটে দেয়। এবিষয়ে কারখারান মালিক শরীফ হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আমার কাগজপত্র না থাকলে আমাকে কর্তৃপক্ষ ইউ-৩১৭নং উৎপাদন লাইসেন্স কিভাবে দেন। স্থানীয় কৃষক ও ভুক্তভোগী গ্রামবাসী সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট সরেজমিনে তদন্ত করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে জোড় দাবী জানান। ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক (ডিজি) দপ্তরে যোগাযোগ করা হলে তিনি দেশের বাহিরে রয়েছেন বলে জানা যায়। তার পিএস স্যার দেশে আসলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।