শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০১:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
খুলনাঞ্চলে নদী খননে বদলে যাবে কৃষি অর্থনীতি সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক যাত্রী আহত আত্রাই এলাকার উন্নয়নে আমার চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না-এমপি রেজু শেখ রাজশাহীতে সমাহিত করা হবে অভিনেতা শামস সুমন ধামইরহাটে দল ও জনগণের সমর্থন পেলে পৌরবাসীর সেবা করতে চান আনোয়ারুল ইসলাম কয়রায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ তারাকান্দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেক অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ এনাম ডেন্টাল অ্যান্ড আই কেয়ারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পৌঁছাল নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্যার বাড়িতে নড়াইলের লোহাগড়ায় জিয়া পরিষদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

জোর করে হিজাব অপসারণ, নিউ ইয়র্কে দুই নারীকে ১ কোটি ৭৫ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ

খবরপত্র ডেস্ক:
  • আপডেট সময় রবিবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৪

দুই মুসলিম নারীর দায়ের করা মামলা নিষ্পত্তির জন্য সাড়ে ১৭ মিলিয়ন বা এক কোটি ৭৫ লাখ ডলার দিতে সম্মত হয়েছে নিউ ইয়র্ক পুলিশ। মামলায় ওই নারীরা অভিযোগ করেছিল, পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে তাদের হিজাব অপসারণে বাধ্য করেছিল, যার মাধ্যমে তাদের অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। ২০১৮ সালে জামিলা ক্লার্ক এবং আরওয়া আজিজ নামে ওই দুই নারীকে গ্রেপ্তার করে নিউইয়র্ক পুলিশ। এরপর ছবি তোলার জন্য তাদের হিজাব অপসারণ করতে বাধ্য করা হয়। এক্ষেত্রে তাদের গোপনীয়তার অধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। মার্কিন আইনজীবীরা বলছেন, আইনি ফি এবং অন্যান্য খরচ বাদ দেয়ার পরও ক্ষতিপূরণের এক কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার অবশিষ্ট থাকবে। যারা একই ধরনের নিপীড়নের শিকার হয়েছেন এমন প্রায় তিন হাজার ৬০০ জন নারী-পুরুষের মধ্যে এ অর্থ ভাগ করে দেয়া হবে।
ক্লার্ক এবং আজিজের আইনজীবী অ্যালবার্ট ফক্স কান বলেন, এই ঘটনা একটি শক্তিশালী বার্তা দেয় যে, নিউইয়র্ক পুলিশ নিউইয়র্কবাসীর অধিকার লঙ্ঘন করতে পারে না। যদিও পুলিশের দাবি ছিলো, সুরক্ষা আদেশ লঙ্ঘনের দায়ে ওই দুই নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিলো। কিন্তু ওই দুই নারী জানান, হেনস্তার উদ্দেশ্যেই তাদের গ্রেপ্তার করেছিলো পুলিশ। মামলার রায় দেয়ার পর জামিলা ক্লার্ক এক বিবৃতিতে বলেন, যখন তারা আমাকে আমার হিজাব খুলে ফেলতে বাধ্য করেছিল, তখন আমার মনে হয়েছিল, যেন আমি নগ্ন। আমি নিশ্চিত নই, এই শব্দগুলো বিষয়টি বুঝাতে সক্ষম হচ্ছে কিনা যে, আমি নিজেকে কতটা উন্মুক্ত মনে করেছি। আজ এ কারণেই আমি খুব গর্বিত যে হাজার হাজার নিউ ইয়র্কবাসীর জন্য ন্যায়বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করতে পেরেছি।
নিউইয়র্ক আইন বিভাগের মুখপাত্র নিকোলাস পাওলুচি বলেন, এর ফলে এনওয়াইপিডি’র একটি ইতিবাচক সংস্কার হয়েছে। মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি পুলিশের সম্মান দেখাতে হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখন ইহুদিদের পরচুলা বা ইয়ারমুলক এবং শিখদের পাগড়িসহ অন্যান্য ধর্মীয় পোশাক পরার ক্ষেত্রে আরও বেশি স্বাধীনতা পাওয়া যাবে।
মার্কিন আইন বলছে, পুলিশ অস্ত্র বা নিষিদ্ধ জিনিসের সন্ধানের জন্য অস্থায়ীভাবে কারো মাথার আবরণ সরিয়ে ফেলতে পারে, তবে সেক্ষেত্রে একই লিঙ্গের কর্মকর্তাদের দ্বারা তা করতে হবে। মার্কিন ইসলামিক রিলেশন কাউন্সিলের নিউইয়র্কের নির্বাহী পরিচালক আফাফ নাশের বলেন, আমরা সেই মুসলিম নারীদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা জানাই যারা সাহসিকতার সাথে এই মামলায় অটল থেকেছেন। সূত্র: নিউ ইয়র্ক পোস্ট।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com