মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম ::
র‍্যাবের ডিজি হলেন হাবীব, এসবি প্রধান নুরুল আমিন, সিআইডি প্রধান মোসলেহ দিনাজপুরে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন ট্রাম্পের সামনে উভয় সংকট গুগল ক্রোমে ‘জিরো ডে অ্যালার্ট’ ঈদে দীপ্ত প্লেতে নতুন সংযোজন ১ থেকে ৩ মিনিটের নাটক লাইলাতুল কদর উম্মতে মুহাম্মাদির মর্যাদার প্রতীক একেকটি খাল, একেকটির গ্রামের প্রাণ-আমান উল্লাহ আমান খাল খননে দেশের কৃষি শস্যপণ্য উৎপাদনে বিরাট ভূমিকা পালন করে-প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর এমপি কালীগঞ্জ অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ মালিক সমিতির দোয়া ও ইফতার মাহফিল

সদিচ্ছা থাকলে এক মাসেই বড় প্রকল্প সম্ভব : অর্থমন্ত্রী

খবরপত্র ডেস্ক:
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬

সঠিক নেতৃত্ব ও সদিচ্ছা থাকলে অত্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যেও যে বড় কোনো প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব, সরকার তা প্রমাণ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, “প্রচলিত ধারণায় বাংলাদেশে প্রকল্প বাস্তবায়নে বছরের পর বছর সময় লাগলেও বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র এক মাসের মাথায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু করে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।”
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় চট্টগ্রাম বিমানবন্দর উচ্চ বিদ্যালয়ে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দেশের অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করার ওপর গুরুত্বারোপ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘রাষ্ট্রের সুফল শুধু ওপরের স্তরের কিছু মানুষ ভোগ করবে আর বাকিরা বঞ্চিত থাকবে এমন অর্থনীতি বাংলাদেশে আর চলতে দেওয়া হবে না। দেশের অর্থনীতির মূল কেন্দ্রবিন্দু হবে সমাজের পিছিয়ে পড়া সাধারণ মানুষ। ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বর্তমানে হতদরিদ্রদের দিয়ে শুরু হলেও ধাপে ধাপে দরিদ্র, নি¤œআয়ের মানুষ এবং পরবর্তী সময় মধ্যবিত্তদেরও এই সুবিধার আওতায় আনা হবে।’
প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারি কর্মকর্তাদের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘সাধারণত বলা হয় সরকারি কর্মকর্তারা কাজ করেন না। কিন্তু এই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি প্রমাণ করেছে, সদিচ্ছা থাকলে এবং জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত হলে এক মাসের মধ্যেই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল করা সম্ভব।’ তিনি এই সাফল্যের জন্য সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনৈতিক কর্মী ও সমাজকর্মীদের ধন্যবাদ জানান।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী স্পষ্ট করে বলেন, ‘এই প্রকল্পে কোনো ধরনের দলীয়করণের সুযোগ রাখা হয়নি। আজকের অনুষ্ঠানে ৫ হাজার ৫৭৫টি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে, যা সরকারি কর্মকর্তারা সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে তৈরি করেছেন। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রকৃত প্রাপকদের কাছে সুবিধা পৌঁছে দেওয়াই সরকারের লক্ষ্য’। তিনি একে তারেক রহমানের ‘কল্যাণকর রাষ্ট্র’ গঠনের চিন্তার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন।
ফ্যামিলি কার্ড ছাড়াও সরকারের আরো কিছু চলমান ও আসন্ন উদ্যোগের কথা মন্ত্রী তুলে ধরেন। এরমধ্যে রয়েছে দরিদ্র কৃষকদের প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার ঋণ মওকুফ করা হয়েছে যাতে তারা নতুন উদ্যমে উৎপাদন শুরু করতে পারেন। নারী প্রধান পরিবারগুলোকে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে যাতে তাদের হাতে অর্থনৈতিক শক্তি বৃদ্ধি পায়। স্বাস্থ্যসেবায় বিনামূল্যে চিকিৎসা কর্মসূচি এবং কৃষকদের জন্য স্বল্পমূল্যে কৃষি উপকরণ সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে। কৃষির উন্নয়ন ও জলাবদ্ধতা নিরসনে দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণকে যেন সরকারি দপ্তর বা রাজনীতিবিদদের পেছনে ঘুরতে না হয়, বরং সেবা যেন জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে যায় সেই লক্ষ্যেই সরকার কাজ করে যাচ্ছে।’
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিঞা প্রমুখ।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com