বৈধ সম্পত্তির উপর নির্মাণ করা ঘর ভেঙে ফেলার গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ উঠেছে মোঃ মুনির সহ ফারুক ওজা, ছাব্বির ও শরীফ গংদের বিরুদ্ধে। ঘরের প্রকৃত মালিক নাসিমা বেগম গংরা। বুধবার সকালের দিকে সন্ত্রাসী কায়দায় ঘর ভাঙ্গার গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ উঠেছে। এ-সময়ে মোঃ ফয়জুল হক সহ মোঃ ওবায়দুল, মাসুম বেপারী ও নাসিমা-সুমাইয়া গংরা বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। সন্ত্রাসী চক্রের সদস্যরা অন্তঃসত্ত্বা নারী সুমাইয়াকে গুরুতর আঘাত করে। সুমাইয়ার অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ার কারনে সাথে সাথে মাটিতে পড়ে যায়। পরবর্তী সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার জন্য নিয়ে যায়। এদিকে কওলা সূত্রে ওয়ারিশ ফয়জুল গংরা।ওজা ফারুকের ইন্ধনে নির্মাণ করা ঘর ভেঙে ফেলে সন্ত্রাসীরা। স্থানীয় সূত্র এবং ভুক্তভোগী পরিবার গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, আজকে আমাদের ঘর ভাঙ্গার মূল খল নায়ক ওজা ফারুক হুজুর। কওলা সূত্রে সিএস ৪৯২,দলিল নম্বর ১৪৬১র জায়গায় ঘর নির্মাণ ছিল। আর সেই ঘর প্রকাশ্য দ্বিধা লোকে ভেঙে ফেলার গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ উঠেছে মূল ভিলেন সুবিধাবাদি নেতা মোঃ ফারুক ওজার বিরুদ্ধে। অভিযোগ উঠেছে ফারুকের ইন্ধনে। মুনির, শরীফ, ছাব্বির গংরা নির্মাণ করা ঘর ভেঙে ফেলে। স্থানীয় প্রশাসনের সুদৃষ্টি পড়েছে আজকের ঘটনা নিয়ে। বাদী নাসিমা গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন আমাদের নির্মাণ করা ঘর ভেঙে ফেলার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে ছিল ফারুক গংরা। বিগত সময় থেকেই ওজা ফারুক সকল অপকর্মের ইন্দনদাতা। ওজা ফারুকের আসকায় আমাদের ঘর ভেঙে ফেলে। পাশাপাশি আমার ছেলের বউ সুমাইয়াকেও গুরুতর আঘাত করে সন্ত্রাসী চক্রের সদস্যরা। এদিকে সরেজমিনে যাওয়া এলাকার বাসিন্দারা গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, কুচিন্তা সহ যাবতীয় অপরাধ মূলক কাজকর্ম করে চরম বিতর্কিত ফারুক হুজুর। জগন্নাথকাঠী গ্রামের বাসিন্দা মৃত হাবিবের (মিথ্যা হাবিব) ছেলে মোঃ ফারুক। এছাড়াও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য মোঃ মাসুম বেপারী ও মোঃ মিজান বেপারি সহ গ্রামের লোকজনরা গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, বিগত সময়ে হাবিবুর রহমান কে মিথ্যা হাবিব না বললে কেহই চিনতো না। নইলে প্রতিবেশীর জায়গা দখল করা সহ হতদরিদ্র পরিবারের সদস্যদের পথে বসানোর গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ আজকে ঘর ভাঙ্গা নিয়ে। ভুক্তভোগীরা বলেন, আমাদের গ্রামের মধ্যে এক নামে চিনেন বহুরূপী ফারুক হিসেবে। নইলে মৃত বাবার ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য আজকে আমাদের নির্মাণ করা ঘর ভেঙে ফেলে। জগন্নাথকাঠী গ্রামের মধ্যে বেশির ভাগ লোকজনরা বলেন, সুবিধাবাদী নেতা ঘর ভাঙ্গার খল নায়ক মোঃ ফারুক ওজা ।অবশ্য গ্রামের একটা বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, ফারুক দুরান্দার প্রকৃতির লোকের মধ্যে একজন। অপর একটা সূত্র বলে টাউট ফারুক হিসেবেও চিনেন অনেকে। গ্রামের সুশীল সমাজের লোকজন গণ মাধ্যম কর্মীদের বলেন, হীন স্বার্থের জন্য আজকে কওলা সূত্রে জায়গার মালিকদের ঘর ভেঙে ফেলে। এব্যাপারে ভুক্তভোগী মৃত্যু নূরুল হক বেপারীর ছেলে মোঃ মাসুম বেপারী গণ মাধ্যম কর্মীদের বলেন, আমাদের জায়গার উপর ঘর নির্মাণ ছিল। বেআইনি ভাবে ফারুক গংরা দখল করা ঘর ভেঙে ফেলে। ঘর নির্মাণ করা জায়গার দলিল নম্বর ১৪৪১, জেএল নম্বর ১৫, জমির দাগ নম্বর ৪৯২/৪৯৩। জমির পরিমাণ কওলা সূত্রে ১০ শতাংশ এবং ওয়ারিশ সূত্রে ৪৩ শতাংশ। মোট সম্পত্তির মালিক বর্তমানে আমি সহ আমাদের পরিবার। জায়গা জামির বিরোধ নিয়ে উভয় পরিবারের সঙ্গে হামলা মামলার সহ অরাজকতা সৃষ্টি হয়। এদিকে বাটপার খ্যাত ফারুক ওজা আজকের ঘর ভাঙ্গা ছাড়াও আর এক প্রতিবেশী মৃত মানিক বেপারীর ছেলে মোঃ মিজানকেও পথে বসিয়েছেন।এব্যাপারে এলাকার বিজ্ঞ রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা সহ সাধারণ মানুষ গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, দেশের মধ্যে আইনের শাসন না থাকায় ফারুক গংরা এভাবেই নির্মাণ করা ঘর ভেঙে ফেলার সাহস দেখায়। যদিও অভিযুক্ত ফারুকের সাথে কথা হয়, গণমাধ্যম কর্মীদের। তিনি অকপটে বলেন আমি ঘর ভাঙ্গার বিষয়ে কিছু জানিনা এবং আমি প্রতারক নই। আমাদের বিএস রেকর্ড আছে। পাল্টা প্রশ্ন কেন আপনারা শালিসি বৈঠকে মূল দলিল দেখতে পারেন না। মিথ্যোর আশ্রয় নিয়ে জবাব এড়িয়ে যায় কৌশলে মোঃ ফারুক গংরা।তবে মিজান ও তার স্ত্রী সরাসরি ফারুককে চিটিংবাজ বলে আখ্যায়িত করেন। অবশ্য মাসুম বেপারী গণ মাধ্যম কর্মীদের বলেন ফারুক ভূমি খোর। সরকারি সম্পত্তি বেআইনী ভাবে ভোগদখল করে যাচ্ছেন। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী স্থানীয় প্রশাসনের সুদৃষ্টি অতীব জরুরী জগন্নাথকাঠী গ্রামের শান্তির পরিবেশ তৈরি করার জন্য। স্থানীয় প্রশাসনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাদী পক্ষের অভিযোগ আমলে নেয়। যদিও ঘর ভাঙ্গার খল নায়করাও আইনের শরণাপন্ন হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী অন্তঃসত্ত্বা নারীর অবস্থা ভালো নয়। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তির প্রক্রিয়া চলমান।