মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৩:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম ::
র‍্যাবের ডিজি হলেন হাবীব, এসবি প্রধান নুরুল আমিন, সিআইডি প্রধান মোসলেহ দিনাজপুরে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন ট্রাম্পের সামনে উভয় সংকট গুগল ক্রোমে ‘জিরো ডে অ্যালার্ট’ ঈদে দীপ্ত প্লেতে নতুন সংযোজন ১ থেকে ৩ মিনিটের নাটক লাইলাতুল কদর উম্মতে মুহাম্মাদির মর্যাদার প্রতীক একেকটি খাল, একেকটির গ্রামের প্রাণ-আমান উল্লাহ আমান খাল খননে দেশের কৃষি শস্যপণ্য উৎপাদনে বিরাট ভূমিকা পালন করে-প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর এমপি কালীগঞ্জ অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ মালিক সমিতির দোয়া ও ইফতার মাহফিল

ক্যাপসিকাম চাষে কুমিল্লায় কৃষকদের মাঝে নতুন আশার আলো

খবরপত্র ডেস্ক:
  • আপডেট সময় শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬

কুমিল্লা অঞ্চলের টেকসই কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় মুরাদনগর উপজেলায় প্রথমবারের মতো উচ্চমূল্যের ফসল ক্যাপসিকাম চাষ শুরু হয়েছে। নতুন এই ফসল চাষে ইতোমধ্যে বেশ আগ্রহ দেখিয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি রবি মৌসুমে প্রায় ২ হেক্টর জমিতে প্রদর্শনীর মাধ্যমে ক্যাপসিকাম আবাদ করা হয়েছে। উপজেলার কামাল্লা, ধামঘর, মুরাদনগর, বাঙ্গরা পূর্ব, নবীপুর পশ্চিম, নবীপুর পূর্ব, আকবপুর বাবুটিপাড়াসহ মোট ১৪টি ইউনিয়নে এই ফসলের চাষ শুরু হয়েছে।
ক্যাপসিকাম ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ একটি পুষ্টিকর সবজি। বিভিন্ন সালাদ, ফাস্টফুড ও আধুনিক খাবারে এর ব্যাপক ব্যবহার থাকায় বাজারেও এর চাহিদা বেশ ভালো।
কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সাধারণত প্রতি বিঘা জমিতে ক্যাপসিকাম চাষে প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা খরচ হয়। তবে সঠিকভাবে চাষাবাদ করতে পারলে প্রতি বিঘা জমি থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা সম্ভব।
উপজেলার বাঙ্গরা পূর্ব ইউনিয়নের কৃষক তাজুল ইসলাম, ধামঘর ইউনিয়নের রফিকুল ইসলাম ও আমির হোসেন, আলিরচর গ্রামের ফাতেমা বেগম, কামারচর গ্রামের রকিব উদ্দিন এবং বাবুটিপাড়া গ্রামের মো. জামসেদ হোসেনসহ বেশ কয়েকজন কৃষক ইতোমধ্যে ক্যাপসিকাম চাষ করেছেন।
পরমতলা গ্রামের কৃষক আমির হোসেন জানান, তিনি প্রথমবারের মতো ক্যাপসিকাম চাষ করেছেন। বাজারে এই সবজির ভালো দাম থাকায় লাভের আশা করছেন। তিনি আরও জানান, উপজেলা কৃষি অফিস থেকে জৈব সার, রাসায়নিক সার, পলি মালচিং ফিল্ম এবং কীটনাশকসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ সহায়তা হিসেবে পেয়েছেন।
মুরাদনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পাভেল খান পাপ্পু বাসস’কে বলেছেন, ‘মুরাদনগরে এবারই প্রথমবারের মতো ক্যাপসিকাম আবাদ করা হয়েছে। বাজারে এর ভালো চাহিদা ও মূল্য থাকায় আগামী মৌসুমে এই ফসলের আবাদ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আমরা আশা করছি।’
নতুন এই উচ্চমূল্যের ফসল চাষের মাধ্যমে মুরাদনগরের কৃষকদের আয় বৃদ্ধি এবং কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com