শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০৭:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
খুলনাঞ্চলে নদী খননে বদলে যাবে কৃষি অর্থনীতি সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, শতাধিক যাত্রী আহত আত্রাই এলাকার উন্নয়নে আমার চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না-এমপি রেজু শেখ রাজশাহীতে সমাহিত করা হবে অভিনেতা শামস সুমন ধামইরহাটে দল ও জনগণের সমর্থন পেলে পৌরবাসীর সেবা করতে চান আনোয়ারুল ইসলাম কয়রায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি আবুল কালাম আজাদ তারাকান্দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেক অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ এনাম ডেন্টাল অ্যান্ড আই কেয়ারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পৌঁছাল নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্যার বাড়িতে নড়াইলের লোহাগড়ায় জিয়া পরিষদের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল

তালেবানের পুনরুত্থান ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৬ আগস্ট, ২০২১

নিষিদ্ধ ছাত্রসংগঠন ইসলামিক মুভমেন্ট অব ইন্ডিয়ার (এসআইএমআই) প্রেসিডেন্ট সাফদার নাগোরিকে গ্রেফতার করা হয় ২০০৮ সালের মার্চে ভারতের ইন্দোর থেকে। জিজ্ঞাসাবাদে এ ছাত্রনেতা জানিয়েছিলেন, তালেবানের তৎকালীন প্রধান মোল্লা ওমরের প্রতি তিনি অনুরক্ত। সাফদার আরও জানিয়েছিলেন, তার উদ্দেশ্য ছিল মোল্লা ওমরের নেতৃত্বে ভারতে জিহাদ করা। ২০১৩ সালে আফগানিস্তানের জাবুল প্রদেশে মোল্লা ওমরের মৃত্যু হয়। আল কায়েদার প্রধান ওসামা বিন লাদেনকেও যথেষ্ট সম্মান করতেন সাফদার।
সাফদারকে যখন গ্রেফতার করা হয় সেই সময় তালেবান আফগানিস্তানে বৈধ কোনো কর্তৃপক্ষ ছিল না। তবু তাদের প্রভাব যে একেবারে ছিল না তা কিন্তু নয়। বর্তমানে কাবুলে পুনরুত্থান হয়েছে তালেবানের। ফলে ভারতের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়বে এটিই স্বাভাবিক। দেশটি নিজেদের অস্বস্তির কথা ইতোমধ্যে জানিয়েছে। তবে তালেবানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছেÍতারা ভারতের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক চায়। কিন্তু তালেবানের অতীত ইতিহাস ভারতকে স্বস্তিতে থাকতে দিচ্ছে না। তালেবানের পুনরুত্থান নিয়ে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের বরাতে এমন তথ্যই জানাল দেশটির গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস।
ভারতের কাউন্টার টেররিজম বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে এসআইএমআইয়ের অস্তিত্ব নেই। তবে এ দলের অনেকেই এখন ভারতের ওয়াহাদাত-ই-ইসলামে যোগ দিয়েছেন। মোল্লা ওমরের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে সাফদারের চেষ্টা সফল হয়নি। তবে এসআইএমআইয়ের অনেকে ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনেও যোগ দিয়েছেন। সংগঠনটি পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার মদতপুষ্ট লস্কর-ই-তৈয়বার দ্বারা প্রশিক্ষণ পায়। এদিকে জৈইশ-ই-মুহাম্মদসহ পাকিস্তানভিত্তিক আরও কিছু গোষ্ঠী ভারতকে টার্গেট করছে। এমন পরিস্থিতিতে কাবুলে তালেবানের পুনরুত্থান জিহাদিদের জন্য একটি স্পষ্ট বার্তা।
ভারতের অভিজ্ঞ এক কাউন্টার টেররিজম বিশেষজ্ঞ বলেন, তালেবানের পুনরুত্থানই শুধু ভারতের একমাত্র মাথাব্যথার কারণ নয়। এর মাধ্যমে পাকিস্তানভিত্তিক গোষ্ঠীগুলোকেও ভারতে হামলা চালাতে অনুপ্রেরণা জোগাবে। স¤প্রতি আফগানিস্তানের বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী পাকিস্তানের গোয়েন্দা বাহিনীর চাপে বা সহায়তায় ভারতের দূতাবাসে হামলা চালায়। পাকিস্তান হচ্ছে জিহাদের জননী। একই সঙ্গে এটা স্পষ্ট যেÍ তালেবানকে পুরোপুরি পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা নিয়ন্ত্রণ করবে এবং সন্ত্রাসীদের ভারতসহ বৈশ্বিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেবে। আর এটাই হয়ে দাঁড়াবে বিশ্বের জন্য নতুন মাথাব্যথার কারণ।




শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর









© All rights reserved © 2020 khoborpatrabd.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com